The proud, great work of Angelina Jolie আফগানিস্তানে অ্যাঞ্জেলিনা জোলির বালিকা বিদ্যালয়
- Get link
- X
- Other Apps
অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ০২-০৪-২০১৩
আফগানিস্তানের শিশুদের সাথে কথা বলছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। ছবিটি ২০১১ সালের ২ মার্চ তোলা।
ছবি: রয়টার্স
হলিউডের অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি আফগানিস্তানে মেয়েদের জন্য স্কুল খুলেছেন। জোলি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর শিশুদের শিক্ষার জন্য ‘দ্য এডুকেশন পার্টনারশিপ ফর চিলড্রেন অব কনফ্লিক্ট’ নামের তাঁর প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এ স্কুল খোলেন।
বিনোদনবিষয়ক মার্কিন পত্রিকা ই-এর অনলাইনে বলা হয়, ৩৭ বছর বয়সী জোলির প্রতিষ্ঠিত বালিকা বিদ্যালয়টি আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে সামান্য দূরে। এই স্কুলে ২০০ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে। আফগানিস্তানে জোলি অনেক স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছেন। এ স্কুলটির প্রতিষ্ঠা ওই পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ।
পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া আজ মঙ্গলবার জানায়, নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য জোলি তাঁর নিজের নকশায় তৈরি অলংকার বিক্রি করবেন। ‘স্টাইল অব জোলি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ওই সব পণ্য খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করবে। পণ্য বিক্রি থেকে অর্জিত লাভের পুরোটাই যাবে ‘দ্য এডুকেশন পার্টনারশিপ ফর চিলড্রেন অব কনফ্লিক্ট’ ফাউন্ডেশনের খাতে।
এ প্রসঙ্গে জোলি বলেন, ‘অলংকারগুলোর নকশা তৈরিতে আমরা কেবল শৈল্পিক সৌন্দর্য পাওয়ার চেষ্টা করেছি, তা নয়। এগুলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাজে লাগবে জেনে আমরা অনুপ্রাণিতও হয়েছি।’
জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত জোলি তাঁর সেবামূলক কাজের জন্য আলোচিত। গত বছর তিনি সিরীয় শরণার্থীদের একটি শিবির পরিদর্শনের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন। ওই শিবিরে তিনি সিরিয়ার সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি উদ্বিগ্ন, পুরো বিশ্ব উদ্বিগ্ন। অত্যন্ত মর্মপীড়ার বিষয় হলো, যখন একজন সিরীয় আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে, কেন কেউ সংকট থেকে মুক্তির পথ খুঁজে বের করতে পারছেন না।’
বিনোদনবিষয়ক মার্কিন পত্রিকা ই-এর অনলাইনে বলা হয়, ৩৭ বছর বয়সী জোলির প্রতিষ্ঠিত বালিকা বিদ্যালয়টি আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে সামান্য দূরে। এই স্কুলে ২০০ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে। আফগানিস্তানে জোলি অনেক স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছেন। এ স্কুলটির প্রতিষ্ঠা ওই পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ।
পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া আজ মঙ্গলবার জানায়, নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য জোলি তাঁর নিজের নকশায় তৈরি অলংকার বিক্রি করবেন। ‘স্টাইল অব জোলি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ওই সব পণ্য খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করবে। পণ্য বিক্রি থেকে অর্জিত লাভের পুরোটাই যাবে ‘দ্য এডুকেশন পার্টনারশিপ ফর চিলড্রেন অব কনফ্লিক্ট’ ফাউন্ডেশনের খাতে।
এ প্রসঙ্গে জোলি বলেন, ‘অলংকারগুলোর নকশা তৈরিতে আমরা কেবল শৈল্পিক সৌন্দর্য পাওয়ার চেষ্টা করেছি, তা নয়। এগুলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাজে লাগবে জেনে আমরা অনুপ্রাণিতও হয়েছি।’
জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত জোলি তাঁর সেবামূলক কাজের জন্য আলোচিত। গত বছর তিনি সিরীয় শরণার্থীদের একটি শিবির পরিদর্শনের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন। ওই শিবিরে তিনি সিরিয়ার সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি উদ্বিগ্ন, পুরো বিশ্ব উদ্বিগ্ন। অত্যন্ত মর্মপীড়ার বিষয় হলো, যখন একজন সিরীয় আপনাকে জিজ্ঞাসা করবে, কেন কেউ সংকট থেকে মুক্তির পথ খুঁজে বের করতে পারছেন না।’
- Get link
- X
- Other Apps
Comments