Posts

Showing posts with the label দাঁত

দাঁত সুস্থ রাখতে যা করবেন

Image
মাহফুজ রহমান  |  আপডেট:  ১৪:৩৯, মার্চ ৩০, ২০১৬ ২ Like             খাবার যত সুস্বাদুই হোক না কেন, দাঁত সুস্থ না থাকলে খেয়ে মজা নেই। আবার এমন খাবারও খাওয়া উচিত নয়, যা দাঁতের বারোটা বাজিয়ে দেয়। কাজেই দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাবার-দাবার একটু বেছে নেওয়াই ভালো। দাঁত সুস্থ রাখতে যা যা করতে পারেন, তা এখানে তুলে ধরা হলো: ১. এমন খাবার না খাওয়াই ভালো, যা খেলে দাঁতের ‘অমর্যদা’ হয়! তাই খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করুন। ব্ল্যাক টি, রেড ওয়াইনজাতীয় পানীয়কে ‘না’ বলুন। ধূমপা ন তো আপনার সাদা দাঁত হলদেটে বানানোর জন্য যথেষ্ট। এ ছাড়া কোমলপানীয়, চাটনি, সয়া সস এবং ঘন জুসও দাঁতের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।  ২. চেঞ্জ উই নিড —প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এটাই ছিল বারাক ওবামার মূলমন্ত্র। আপনার টুথব্রাশের বেলায়ও এই মূলমন্ত্র প্রয়োগ করুন। ব্রাশের বয়স দু-তিন মাস হলেই সেটাকে অবসরে পাঠান। না হলে সেই ব্রাশই আপনার মুখে ছড়িয়ে দেবে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে , দাঁত মাজার সময় মুখের ভেতর ব্রাশ রাখতে হবে ৪৫ ডিগ্রি কোণে । শরীরের সব শক্তি দিয়ে ঘষল...

দাঁত ঝকঝকে করার তিনটি উপায়

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ২২:৩৩, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৬ ০ Like             ঝকঝকে সাদা দাঁত মুক্তোর মতো ঝকঝকে সাদা দাঁত, আর মিষ্টি হাসিতে বলে দেওয়া যায় অনেক কথা। কিন্তু অনেক সময় কালো বা হলদে দাঁতের কারণে হাসতে গিয়ে পড়তে হয় দ্বিধা-লজ্জায়। জীবনযাপন আর কিছু অভ্যাসের কারণে দাঁতের এমন রং স্বাভাবিক বিষয়। সাধারণত মদ্যপান, অতিরিক্ত চা-কফি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভাব, ধূমপান প্রভৃতি কারণে দাঁতের রং নষ্ট হয়। দাঁতের স্বাভাবিক রং ফেরাতে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু এর চেয়ে সাশ্রয়ী কিন্তু কার্যকরী তিনটি উপায়ে সুন্দর ঝকঝকে দাঁত পাওয়া যায়। লেবু ও বেকিং পাউডারের পেস্ট ঝকঝকে দাঁতের জন্য বেকিং পাউডারের কার্যকারিতার কথা অনেকে শুনে থাকবেন। এই পাউডারের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে টুথব্রাশে নিয়ে দাঁত মাজুন। মুখে এক মিনিট ধরে এই পেস্ট রেখে দিন এরপর ধুয়ে ফেলুন। এতে অ্যাসিড দাঁতের এনামেলের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারবে না। তবে এই পেস্ট নিয়মিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, তাতে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে। স্ট্রবেরি ...

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার চোখকে বাঁচায়

ইনকিলাব ডেস্ক : স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করা হলে কেবল হৃদযন্ত্র ও হাড়েরই উপকার হয় না বরং ছানির আক্রমণ থেকে চোখ রক্ষা পায় বলে সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে। চোখে ছানি পড়ার কারণে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দৃষ্টি সংকট দেখা দেয়। এর আগে পরিচালিত জরীপে দেখা গেছে যে, কেউ যদি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার না খায় এবং ধূমপানে আসক্তি থাকে তাহলে তার একদিকে দেহের ওজন অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে মায়োপিয়া বা নিকট দৃষ্টির সমস্যাসহ চোখে ছানি দেখা দিতে পারে। তবে আর্কাইভ অব ওপথ্যালমলজি নামের একটি সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন এক সমীক্ষার ফলাফলে বলা হয়েছে, যে সব লোক স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ করেন তাদের ছানি হওয়ার আশংকা অন্যদের তুলনায় ৩৮ শতাংশ কম। প্রতিদিনের খাবারে বাড়তি চর্বি গ্রহণ করা হলে তা শেষ পর্যন্ত ছানির অন্যতম কারণ হয় বলে এই সমীক্ষার ভিত্তিতে মনে করা হচ্ছে । সূত্র : আইআরআইবি।

ভালোথাকুনিঅনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে মাড়ির সমস্যা

Image
অধ্যাপক অরূপ রতন চৌধুরী |  তারিখ: ২৯-০৪-২০১৩ ১ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের জন্য যেসব জটিলতা হয়ে থাকে, তার মধ্যে মাড়ির রোগকে ষষ্ঠ জটিলতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ১. দেহে ইনসুলিনের ঘাটতি হলে আমিষেরও ঘাটতি হয়। ফলে কোষকলার স্বাভাবিক বৃদ্ধি, সংস্কার ও উৎপাদন ব্যাহত হয়। তাই মুখের কোনো স্থানে ঘা হলে ও প্রদাহ থাকলে শুকাতে বিঘ্ন ঘটে। ২. দেহে রোগ প্রতিরোধের শক্তি কমে আসে। ফলে দাঁতের গোড়ায় প্ল্যাক জমা হয়ে সহজেই মাড়ির প্রদাহ হয়। দন্তক্ষয় বেশি হওয়ার কারণ —শর্করা মুখের লালার জীবাণুর সঙ্গে মিশে অ্যাসিড তৈরি করে, যা দাঁতের শক্ত আবরণ এনামেলকে ক্ষয় করতে থাকে এবং ধীরে ধীরে ভেতরে গর্তের সৃষ্টি করে। —মুখের লালার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয় এবং পরিমাণ কমে মুখ শুকিয়ে যায়। ফলে খাদ্যকণাগুলো দাঁতের গায়ে বা ফাঁকে জমে থাকে। এতে দাঁতের ক্ষয় সৃষ্টি করে। প্রতিরোধ ১. মূল আহারের মধ্যবর্তী সময়ে চিনি বা শর্করাজাতীয় খাদ্য (যেমন চকলেট, বিস্কুট, লজেন্স, কেক, টফি, চুইংগাম, আইসক্রিম, মন্ডা মিঠাই) খাবেন না। ২...