Posts

Showing posts with the label শিশু স্বাস্থ্য

শিশুদের ডায়রিয়ায় কী করবেন?

Image
মো. শরিফুল ইসলা     খাবার ও পানির মাধ্যমে জীবাণু শরীরের ভেতর প্রবেশ করে। ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হওয়াও ডায়রিয়া, যা সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় তিনবার বা তারও বেশিবার হয়। যদি পানির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়, তাকে ডায়রিয়া বলে ধরে নেওয়া হয়। আবার পায়খানা বারবার হলেও মল যদি পাতলা না হয়, তা ডায়রিয়া নয়। সাধারণত তিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। সবচেয়ে বড় জটিলতা হচ্ছে পানিশূন্যতা। পানিশূন্যতা হলে শিশু দুর্বল হয়ে পড়ে, এমনকি শিশুর জীবন বিপন্ন হতে পারে। এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক আল-আমিন মৃধা বলেন, মনে রাখতে হবে, শুধু মায়ের দুধ পান করে এমন শিশু অনেক সময় দিনে পাঁচ-দশবার পর্যন্ত পায়খানা করতে পারে, যা সামান্য তরল হয়, একে ডায়রিয়া বলা যাবে না। শিশু যদি খেলাধুলা করে, হাসিখুশি থাকে, তাহলে এর অন্য কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। ডায়রিয়ার প্রকারভেদ তীব্র ডায়রিয়া:  এটা হঠাৎ শুরু হয়ে কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন স্থায়ী হয়। তবে কখনো ১৪ দিনের বেশি নয় এবং পায়খানার সঙ্গে কোনো রক্ত যায় না। দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া:  পাতলা পায়খানা ১৪ দিন...

হামের সুরক্ষার বাইরে থাকা শিশুর সংখ্যা বাড়ছে: ভুল সময়ে হেপাটাইটিস ‘বি’র টিকা ২০ লাখ শিশু হামের ঝুঁকিতে শিশির মোড়ল

Image
২৬ আগস্ট ২০১৭, ০৬:০১ প্রিন্ট সংস্করণ দেশের প্রায় ২০ লাখ শিশু হাম হওয়ার ঝুঁকিতে আছে। এর বড় কারণ, টিকা না পাওয়া। আবার নবজাতকেরা হেপাটাইটিস ‘বি’র টিকাও পাচ্ছে দেরিতে। ফলে এই মরণ ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এসবই বাংলাদেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে বড়সড় ফাঁকফোকরের চিত্র। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের হাম হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইপিআই নামে পরিচিত টিকাদান কর্মসূচিটির দুর্বলতা এর বড় কারণ। হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস থেকে যকৃতের জীবন বিপন্নকারী সংক্রমণ হতে পারে। এর টিকা দেওয়ার কথা জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। কিন্তু বাংলাদেশে এটা দেওয়া হচ্ছে জন্মের ষষ্ঠ সপ্তাহে। হাম ও হেপাটাইটিস-‘বি’ ভাইরাসের কারণে দেশে বছরে কত মানুষের মৃত্যু হয়, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) একাধিক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে ইপিআইয়ের আরও কিছু দুর্বলতা ধরা পড়েছে। সাধারণভাবে শতকরা ১০টি শিশু এক বা একাধিক টিকা পায় না। সরকার স্বাস্থ্য খাতের সাফল্য হিসেবে এ...

শিশুর রোগ প্রতিরোধে গর্ভাবস্থায় ভিটামিন ডি খান

অনলাইন ডেস্ক ২৮ মে ২০১৭, ২২:২৪ গর্ভাবস্থায় সম্পূরক হিসেবে ভিটামিন ডি গ্রহণ নবজাতক শিশুর রোগ প্রতিরোধব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। অ্যাজমা ও শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে শিশুকে এই ভিটামিন ডি রক্ষা করে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মধ্যে যাঁরা সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রায় ভিটামিন ডি গ্রহণ করেন, তাঁদের নবজাতক শিশুর রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নততর। গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়া লন্ডনের কিংস কলেজের গবেষক ক্যাথেরিন হরালোভিচ বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যাজমা শিশুকালেই ধরা পড়ে। এতে করে ধারণা করা হয়, শিশু বয়সে বা ভ্রূণ অবস্থায় থাকাকালেই শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হয়।’ গর্ভাবস্থার শেষ ছয় মাসে সম্পূরক হিসেবে প্রতিদিন ৪ হাজার ৪০০ আইইউ (আন্তর্জাতিক ইউনিট) এবং সুপারিশকৃত ৪০০ আইইউ ভিটামিন ডি৩ গ্রহণের ফলে এর কার্যকারিতা কি হয়—তা পর্যবেক্ষণ করেছেন গবেষকেরা। গবেষণা প্রতিবেদনটি সাময়িকী অ্যালার্জি অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ইম্যুনোলোজিতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়...