Posts

Showing posts with the label খাদ্য ও স্বাস্থ্য

মুলা কেন খাবেন?

Image
অনলাইন ডেস্ক | ২১ নভেম্বর ২০১৬, ১১:৩০ মুলা মুলা! নাম শুনেই অনেকে চোখ কুঁচকান। অনেকেই মুলা খেতে চান না। কিন্তু মুলায় মেলে নানা উপকার। তরকারি হিসেবে বা সালাদে নানাভাবে মুলা খাওয়া যায়। পুষ্টিবিদেরা বলেন, মুলার মেলা পুষ্টিগুণ। যকৃৎ ও পাকস্থলী পরিষ্কারে মুলার জুড়ি মেলা ভার। নিয়মিত তাই খাবার টেবিলে মুলা রাখতেই পারেন। মুলার নানা উপকারের কথা জেনে নিন যকৃৎ ও পাকস্থলী বিষমুক্ত করতে পারে মুলা। মুলা সাদা, লাল বা কালো রঙের হতে পারে। শীতকালে সাদা মুলা সহজে চোখে পড়ে। এ মুলায় প্রচুর ভিটামিন সি আছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। কালো রঙের মুলা ও এর পাতা অনেক দিন ধরে জন্ডিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মুলায় যে উপাদান আছে, তা রক্ত শোধনে সহায়তা করে। মুলায় আছে প্রচুর সালফার। ১.  রক্তে অক্সিজেন বাড়ায়:  রক্তের লোহিত কণিকা ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে মুলা। মুলা খেলে রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। ২.  যকৃৎ সুরক্ষা করে:  মুলায় প্রচুর ফাইবার আছে। প্রতিদিন যদি সালাদের সঙ্গে অল্প পরিমাণে মুলা খাওয়া যায়, তবে শরীরে ফাইবার আসায় হজম ভালো হয়। এটি পিত্ত উৎপাদনকে নিয়ন্ত্রণ করে, ...

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে যেসব খাবার

Image
কালের কণ্ঠ অনলাইন    ২ মার্চ, ২০১৬ ১৬:১৫   53 শেয়ার মন্তব্য() প্রিন্ট অ-   অ   অ+ ধীরে ধীরে গরম হচ্ছে আবহাওয়া। তাপমাত্রার এ পরিবর্তনে আপনার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর ব্যাপক প্রভাব সৃষ্টি হবে। এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখবে খাবার। রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা যে ভেঙে যাচ্ছে বা দুর্বল হয়ে পড়েছে তার লক্ষণ প্রকাশ পাবে ঠাণ্ডা-জ্বরের মাধ্যমে। এগুলো খুবই সাধারণ লক্ষণ। তাই বলে অবহেলা করা উচিত নয়। তাই স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এমন কিছু খাবার বাদ দিতে হবে যা রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে আরো দুর্বল করে দেয়। ১. আইস ক্রিম এবং কোল্ড ড্রিঙ্কস : দিনের বেলায় গরম লাগলেই এ সময় একটা আইস ক্রিম বা ঠাণ্ডা পানীয় বা কোল্ড কফি খেতে দারুণ মজা লাগে। কিন্তু এ মৌসুমের শুরুতেই এসব খাবার আপনার গলার অবস্থা খারাপ করে দেবে। আবার যদি এসব ঠাণ্ডা খাবার সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা না হয়ে থাকে তবে ডায়রিয়া বা ডিসেন্ট্রি দেখা দেবে। ২. দুগ্ধজাত পণ্য : গরম কমাতে দুগ্ধজাত পণ্যও বেশ আরামদায়ক হয়। দুধ ও দুধের তৈরি খাবার অনেক সময় নাক ও গলায় সর্দি জমিয়ে দেয়। তাই এ সময় দুধ, দই এমনকি পনির পর্যন্ত এড়ি...

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৫:০৭, আগস্ট ১৯, ২০১৪ ১ Like ৭             ডিমের কুসুম খাওয়া প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে বলে বহুল প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছেন হালের গবেষকেরা। ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক কিংবা দুপুর-রাতের খাবারে ডিমের একটা মেন্যু ঘুরেফিরে আসবেই যেন। আর ব্যাচেলরদের জীবনে সহজে রান্নার সহজ মেন্যু হিসেবে ডিম তো প্রায় ‘জাতীয় খাদ্য’ই বটে! অবশ্য ডিমের জনপ্রিয়তার পাশাপাশি অনেক দিন ধরেই এই ধারণাও ব্যাপকভাবে প্রচারিত যে, ডিমের কুসুম খাওয়া অনেক সময়ই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষত যাদের হূদরোগ বা এ রোগের ঝুঁকি আছে, তাঁদের ডিমের কুসুম খেতে নিষেধ করা হয়। বলা হয়ে থাকে, ডিমের কুসুমে থাকা ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ ও ‘উচ্চমাত্রার কোলেস্টরল’ উচ্চ...

গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

Image
অধ্যাপক মো. ফারুক পাঠান  |  আপডেট:  ০২:২৭, নভেম্বর ১৪, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       বাংলাদেশে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। এ তথ্য আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের। এ রোগের প্রভাবে মানুষের হৃদ্যন্ত্র, কিডনি, রক্তনালি, চোখ,¯স্নায়ুসহ প্রায় সব অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ টাইপ-টু ডায়াবেটিসই কিন্তু প্রতিরোধ করা যায়। আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের অন্যতম উপায়’ । এ বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ:  প্রথমেই জেনে নিই, সুষম খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর খাবার কী। প্রতিদিনের খাবারে প্রতিটি পুষ্টি উপাদান—শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সঠিক মাত্রায় উপস্থিত থাকলে তবেই তাকে সুষম খাবার বলে। তার পরিমাণ বা পরিমাপ নির্ভর করে আপনার উচ্চতা, ওজন ও কাজ বা শারীরিক পরিশ্রমের ধরনের ওপর।   অতিরিক্ত ওজন, মেদ-ভুঁড়ি ও কায়িক শ্রমের অভাব —এগুলো ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয় । তাই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য খাওয়াদাওয়ার অভ্যা...

কী খেলে সুন্দর থাকবেন

Image
রাফিয়া আলম | ১০ নভেম্বর, ২০১৫    নানান উপকরণ একসঙ্গে মিলিয়ে বা গুঁড়া করে নানান প্যাক তৈরির ঝক্কিতে হয়তো নিজের ত্বক বা চুলের যত্ন নেওয়াই হয় না। ব্যস্ত জীবনে এই হ্যাপা কজন সামলাতে পারেন, বলুন তো? সময় নেই, তাই বলে থেমে থাকবে রূপচর্চা? একদমই তা নয়। রোজকার খাবারদাবার একটু বুঝেশুনে খেলে খাবার থেকেই মিলবে চুল, ত্বক ও নখের সৌন্দর্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল বলেন, চুল, নখ ও ত্বক সুস্থ রাখতে প্রয়োজন সুষম খাদ্যাভ্যাস। প্রতিটি খাদ্য উপাদান গ্রহণ করতে হবে পরিমাণমতো। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শর্করা, আমিষ, স্নেহজাতীয় পদার্থ, ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও পানি রাখতে হবে সঠিক পরিমাণে। কোনো খাদ্য উপাদান ত্বক বা চুলের জন্য উপকারী বলে সেই উপাদানটি অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি কোনো একটি খাদ্য উপাদান দৈনন্দিন চাহিদার চেয়ে কম পরিমাণে গ্রহণ করাও উচিত নয়। তিনি আরও জানালেন, পানি যেমন ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে, তেমনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পান করলে কিডনিতে সমস্যা হওয়া...

টক ফলের যথার্থ ব্যবহারে রোগমুক্তি এবং সুস্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা

текстуры для фотошопа успешная оптимизация интернет сайтов টক ফলের যথার্থ ব্যবহারে রোগ মুক্তি এবং সুস্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা যে কোন টক ফলে স্বাস্থ্যবান্ধব এসিড আছে। পৃথিবীতে যত রকম ফল আছে তার মধ্যে টক জাতীয় ফলের সংখ্যা মিষ্টি ফল থেকে বেশী। কেবলমাত্র তিন ধরনের এসিড শরীরের জন্য উপকারী যেমন সাইট্রিক (citric), মলিক (malic), টার্টারিক (tartaric) এসিড স্বাস্থ্যের পক্ষে আবশ্যক এবং হিতকর।    শরীরের পক্ষে প্রয়োজনীয় এসিড বিভিন্ন ফলের মধ্যে পাওয়া যায়। সব ধবনের লেবু জাতীয় ফলে (কাগজী, পাতি, বাতাবী, গোড়া, গন্ধরাজ ও কমলা) প্রচুর সাইট্রিক এসিড পাওয়া যায়। আপেল, নাসপতি, আঙুর ও টমেটোর মধ্যে মলিক এসিড আছে আর টার্টারিক এসিড সমৃদ্ধ ফল হচ্ছে তেঁতুল।    লেবুঃ  লেবু শরীরের পা থেকে মাথা পর্যন্ত ভেতরে এবং বাইরে সব জায়গায় শোধন করতে পারে। শুধুমাত্র লেবু ব্যবহার করে গ্যাসটিক, সর্দিকাশি, ব্রঙ্কাইটিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ব্রণ, ঘা, পাঁচড়া, আমাশয় এবং সব ধরনের জ্বর ম্যালেরিয়া এবং কিৃমির জ্বালাতন  ইত্যাদি সারানো যায়। শুধুমাত্র লেবুর রস, পানি এবং মধু হতে পারে মানব কুলের স্বাস্থ্যরক্...

ভাতের পাতে লালশাক!

Image
অধুনা প্রতিবেদক  |  আপডেট:  ০১:০২, সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       খুব পরিচিত সবজি লালশাক। বাড়ির আঙিনা হয়ে বিস্তৃত মাঠে চাষ হয় সবজিটির। একটা সময় শীতকালীন সবজি হিসেবে এটি পরিচিতি পেলেও এখন বছরজুড়েই পাওয়া যায় লালশাক। ভাজি কিংবা রান্না করেই খাওয়া হয় সবজিটি। মজার ব্যাপার হলো, রান্নার পরেও সবজিটি লাল রং ছড়াতে থাকে। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো বলেন, লালশাক দেখতে যেমন ভালো, স্বাদেও অনন্য। এবার জেনে নিন লালশাকের আদ্যপান্ত। রক্তশূন্যতা রোধে লালশাক খেতে পারেন। এই শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন । এই আয়রন শরীরে নতুন রক্তকোষ তৈরিতে সহায়তা করে, অ্যানিমিয়া রোগ দূরে রাখে। লালশাক রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিতে সক্ষম। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। নিয়মিত খেলে রাতকানা রোগ এড়ানো যায়। সেই সঙ্গে বয়সজনিত ছানি পড়ার প্রবণতাও কমে । গর্ভবতী নারী ও মায়েদের পুষ্টি পূরণে লালশাক খুব প্রয়োজনীয়। লালশাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, যেটি চোখের...

পেশিশক্তি চান? আপেল আর সবুজ টমেটো খান

Image
কালের কণ্ঠ অনলাইন আমেরিকার লোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা পেশির সুগঠনের উপায় খুঁজে পেয়েছে। তারা আপেল এবং সবুজ টমেটোতে দুটো প্রাকৃতিক উপাদান পেয়েছেন যা পেশির বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। মূলত পেশিকে দুর্বল করে দেওয়া বিশেষ এক প্রোটিন খুঁজতে গিয়েই এ আবিষ্কার করে ফেলেন তারা। এটিএফ৪ নামের প্রোটিন পেশির প্রোটিন সিনথেসিস, শক্তি এবং সামর্থ্য কমাতে থাকে। এটি খুঁজতে গিয়ে আপেলে খুঁজে পান আরসোলিক এসিড । আর সবুজ টমেটোতে পেয়েছেন টোমাটিডাইন । এ দুটো উপাদান পেশিকে শক্তি প্রদান করে এবং বয়সের সঙ্গে পেশির বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। প্রধান গবেষক ক্রিস্টোফার অ্যাডামস জানান, আরসোলিক এসিড এবং টোমাটোডাইন পেশির দুর্বলতায় দারুণ কার্যকর হয়ে হঠে। আবার বয়স বাড়ার সঙ্গে পেশি দুর্বল হতে থাকলেও উপাদান দুটি ক্রিয়াশীল হয়। বয়স্কালে পেশির দুর্বলতা ঠিক কি কারণে ঘটে তা বুঝতে এ দুটি উপাদানকে কাজে লাগানো যাবে বলেও মনে করেন তিনি। উপাদান দুটি ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করে দেখা গেছে, তাদের পেশির দুর্বলতা ১০ শতাংশ হারে কমে গেছে। জার্নাল অব বায়োলজিক্যার কেমিস্ট্রি-তে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। সূত্র : হ...

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৫:১০, আগস্ট ১৯, ২০১৪ ১ Like ৯       ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক কিংবা দুপুর-রাতের খাবারে ডিমের একটা মেন্যু ঘুরেফিরে আসবেই যেন। আর ব্যাচেলরদের জীবনে সহজে রান্নার সহজ মেন্যু হিসেবে ডিম তো প্রায় ‘জাতীয় খাদ্য’ই বটে! অবশ্য ডিমের জনপ্রিয়তার পাশাপাশি অনেক দিন ধরেই এই ধারণাও ব্যাপকভাবে প্রচারিত যে, ডিমের কুসুম খাওয়া অনেক সময়ই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষত যাদের হূদরোগ বা এ রোগের ঝুঁকি আছে, তাঁদের ডিমের কুসুম খেতে নিষেধ করা হয়। বলা হয়ে থাকে, ডিমের কুসুমে থাকা ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ ও ‘উচ্চমাত্রার কোলেস্টরল’ উচ্চ রক্তচাপজনিত স্বাস্থ্যসমস্যা এবং হূদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে বহুল প্রচলিত এ ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছেন হালের বিজ্ঞ...

ফাস্টফুড খেলে শরীরের যা হয়

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট:  ১৬:৪০, আগস্ট ২৩, ২০১৪ ০ Like       এখন প্রায় সবাই-ই জানেন, ফাস্টফুড খেতে সুস্বাদু, কারণ এসব খাবার প্রচুর সুগার আর ফ্যাটে (শর্করা ও চর্বিজাতীয়) ঠাসা থাকে। ছবিটি প্রতীকী। মাঝেমধ্যে ফাস্টফুড খেয়ে অনেকেই মজা পান। কিন্তু এই ফাস্টফুড খাওয়াটা যদি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়, তাহলে উচ্চমাত্রার তেলচর্বির দীর্ঘ মেয়াদি ঝুঁকির বিষয়টি এড়ানো যাবে না। পশ্চিমা দুনিয়ার মতো আমাদের দেশেও দিন দিন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ফাস্টফুড। কিন্তু খোদ পশ্চিমেই ফাস্টফুড নিয়ে সমালোচনা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। নিয়মিত ফাস্টফুড খেলে যেসব শারীরিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে তা জানতে পড়ুন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এ প্রকাশিত নিক নাইটের এই প্রতিবেদন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৌড়ানোর এই দুনিয়ায় খুব শক্ত করেই শিকড় গেড়েছে ফাস্টফুড। আধুনিক জীবনযাপনে ফাস্টফুডের কদরের প্রধান তিন কারণ হলো, এটা দ্রুত, সহজ ও সস্তা। কিন্তু আমাদের শরীরে এর প্রতিক্রিয়াগুলো অতটা সহজ-সরল নয়। এখন প্রায় সবাই-ই জানেন, ফাস্টফুড খেতে সুস্বাদু, কারণ এসব খাবার প্রচুর সুগার আর ফ্যাটে (শর্করা ও চর্বিজাতীয়) ঠ...

বেগুনের পাঁচ অজানা গুন

আপডেট:  ১১:০৩, জুলাই ২৯, ২০১৪ ২ Like ৬       একটুকরো বেগুন ভাজা কিংবা পোড়া বেগুনের ভর্তা অনেকেরই পছন্দের খাবার। এবার জেনে নিন বেগুনের পাঁচ অজানা গুন। ডায়াবেটিস কিংবা হূদরোগের জন্য বেগুন যেমন উপকারী তেমনি এটি বাড়াতে পারে ত্বকের উজ্জ্বলতাও! জি নিউজ ব্যুরোর এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এক: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখে উচ্চমাত্রার আঁঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় রক্তে সুগার ও গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে বেগুন। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বেগুনের জুড়ি নেই। দুই: হূদরোগের ঝুঁকি কমায় বেগুন কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। শরীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। যেসব কারণে বেগুন হূদরোগের ঝুঁকিও কমায়। বেগুনে থাকা প্রচুর পরিমাণের পটাশিয়াম শরীরে পানি শূন্যতা দূর করে যা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। তিন: মস্তিষ্কের জন্য উপকারী বেগুন বেগুনে পর্যাপ্ত পরিমাণ পা ইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে। এই উপদানটি মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। মস্তিষ্কের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বার্তা প্রেরণেও পাইটোনিউট্রিয়েন্ট সাহায্য করে। যেটি স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।...

নারকেল তেলের অনন্য সাত পুষ্টিগুণ

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট: ১৭:৫৬, জুন ২৯, ২০১৪ ০ Like       কেবল ত্বক আর চুলের যত্নেই নয় স্বাস্থ্যসম্মত খাবারদাবারেও দারুণ পুষ্টিগুণ যোগ করতে পারে নারকেল তেল। কেউ কেউ মনে করেন রান্নায় নারকেল তেল খুব একটা ভালো না এবং এই তেল খেলে হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়তে পারে! কিন্তু এটা ঠিক না।  টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে নারকেল তেলের কিছু অনন্য পুষ্টিগুণের কথা জানিয়েছে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ নারকেল তেলের অন্যতম স্বাস্থ্য সুবিধা হল এটা ‘ব্লাড সুগার’ বা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। বিশেষত যাঁদের ডায়াবেটিস আছে এবং যাঁরা রক্তে শর্করার উচ্চমাত্রা সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন—তাঁদের জন্য প্রাত্যহিক খাবারদাবারে পরিমিত মাত্রার নারকেল তেল খুবই উপকারী। কোলেস্টেরল কম অতিরিক্ত কোলেস্টেরল নিয়ে সমস্যায় থাকলে নারকেল তেল খেতে পারেন। নারকেল তেলে ভালো মাত্রায় ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ আছে। লুরিক অ্যাসিড নামের এই ফ্যাট রক্তে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রায় ভারসাম্য এনে হূদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এই তেল থাইরয়েড গ্রন্থির স্ব...