জানমালের নিরাপত্তা মানুষের অধিকার
- Get link
- X
- Other Apps
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান | তারিখ: ১৯-০৪-২০১৩
মানুষের মৌলিক অধিকারের প্রাথমিক বিষয় তার জানমালের নিরাপত্তা ও বেঁচে থাকার অধিকার। আর অপরকে নিরাপদ রাখা ও বাঁচতে দেওয়া নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে অন্যতম—এটি ইসলামের শিক্ষা। ইসলাম বিশ্বজনীন শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবজাতির জন্য কল্যাণকামী একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। ‘ইসলাম’ অর্থ মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে তাঁর আদেশ মেনে চলার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা অর্জন। প্রকৃত মুসলমানের পরিচয় তুলে ধরে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘মুসলমান সেই ব্যক্তি, যার হাত ও মুখ থেকে অপর মুসলমান নিরাপদ।’ (বুখারি ও মুসলিম) তাই পৃথিবীতে সত্য-ন্যায়ের প্রতিফলনের মাধ্যমে সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বজায় রাখা ইসলামের দৃষ্টিতে অপরিহার্য কর্তব্য এবং ইমানি দায়িত্ব। সুতরাং মানবসমাজে কোনো রকম অশান্তি সৃষ্টি, নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা, সংঘাত, হানাহানি, উগ্রতা, বর্বরতা, প্রতিহিংসাপরায়ণতা ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ইসলামে নিষিদ্ধ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সাবধানবাণী ঘোষণা করেছেন, ‘আর তোমরা পৃথিবীতে শান্তি স্থাপনের পর এতে বিপর্যয় সৃষ্টি কোরো না।’ (সূরা আল-আ’রাফ, আয়াত: ৫৬)
ইসলাম ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত ও সহিংসতাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে; সকল প্রকার হত্যাযজ্ঞ, রক্তপাত ও অরাজকতা প্রত্যাখ্যান করেছে; সৎ ও ভালো কাজে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছে, পাপ ও নির্যাতনমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছে। পারস্পরিক সম্প্রীতি, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের চেতনা এবং অর্থনৈতিক দর্শন ও অপরাধ দমন কৌশল ইসলামকে দিয়েছে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা। কিন্তু শান্তির ধারক-বাহক জনগণের বিরুদ্ধে সর্বদাই অশান্তিকামী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী স্বার্থপর লোকেরা খড়্গহস্ত থাকে। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘এবং তারা (ইসলামের শত্রুরা) দুনিয়ায় ধ্বংসাত্মক কাজ করে বেড়ায়, আর আল্লাহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের পছন্দ করেন না।’ (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ৬৪)
ইসলামের প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে সারা বিশ্বে শান্তিশৃঙ্খলা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা হয়। সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, সংঘাতমুক্ত পৃথিবীর প্রয়োজনে ইসলামের শান্তিপ্রিয় ও কল্যাণধর্মী নীতি-আদর্শ এখন সময়ের দাবি। মানুষের সামগ্রিক জীবনের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ ও পরিপূর্ণ নিরাপত্তা বিধানে ইসলাম এক অনন্য কালজয়ী আদর্শ। ইসলামে চরম পন্থা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। ইসলামের যুদ্ধনীতি প্রতিরক্ষামূলক, আক্রমণাত্মক নয়, এমনকি প্রতিশোধমূলকও নয়। শত অত্যাচার ও নির্মম নির্যাতন সহ্য করেও তিনি কখনো বাড়াবাড়ি, কঠোরতা বা গোঁড়ামির পরিচয় দেননি, বরং দিন প্রচারের ক্ষেত্রে চরম পন্থা অবলম্বন করার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইসলামের সুমহান আদর্শ সমরনীতি ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা কখনো আগে অস্ত্র উত্তোলন কোরো না বা অস্ত্রের ভয়ভীতিও প্রদর্শন কোরো না।’
ইসলাম অন্যায়ভাবে মানবসন্তানকে হত্যা করা কঠোর ভাষায় নিষিদ্ধ করেছে। নিরপরাধ ব্যক্তিদের গুলি করে, বোমা মেরে বা অগ্নিসংযোগে হত্যা করা ইসলামের সঙ্গে কখনো সংগতিপূর্ণ নয়। অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা, জানমালের ক্ষতিসাধন ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করাকে কবিরা গুনাহ আখ্যায়িত করে এর ভয়াবহ পরিণাম সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন, ‘নরহত্যা বা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া কেউ কাউকে হত্যা করলে সে যেন দুনিয়ার সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে হত্যা করল; আর কেউ কারও প্রাণ রক্ষা করলে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে প্রাণে রক্ষা করল।’ (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ৩২) মানুষের জীবনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তোমরা তাকে হত্যা কোরো না।’ (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ৩৩) হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে যে ‘দুনিয়া ধ্বংস করে দেওয়ার চেয়েও আল্লাহর কাছে ঘৃণিত কাজ হলো মানুষ হত্যা করা।’ (তিরমিজি)
মানবসমাজে বিশৃঙ্খলা, হানাহানি ও সন্ত্রাস দমনে শান্তির ধর্ম ইসলাম কঠোর দিকনির্দেশনা দিয়েছে এবং সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে কঠিন শাস্তি আরোপ করেছে। ইসলামের আলোকে যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রচলিত আইনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের উপযুক্ত ন্যায়বিচার করা হয়, তাহলে আর কেউ নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে সাহস পাবে না। পবিত্র কোরআনে হত্যাকাণ্ডকে মহা অপরাধ সাব্যস্ত করে ইচ্ছাকৃতভাবে একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানকে হত্যা করার শাস্তির কঠোর বিধান সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘কোনো মুমিনের জন্য সমীচীন নয় যে, সে অন্য মুমিনকে হত্যা করবে, অবশ্য ভুলবশত করে ফেললে অন্য কথা। ...আর কেউ স্বেচ্ছায় কোনো মুমিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম, সেখানে সে চিরকাল অবস্থান করবে। আর আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন ও তাকে অভিশপ্ত করেছেন এবং তার জন্য ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।’ (সূরা আন-নিসা, আয়াত ৯২-৯৩)
মানবাধিকার মানুষের জন্মগত মৌলিক অধিকার। এসব অধিকার ছাড়া কোনো মানুষ মানুষের মর্যাদা নিয়ে জীবন ধারণ করতে পারে না। আইনের শাসনের মূল বক্তব্য মানবাধিকারের গ্যারান্টি। যে সমাজে মানবাধিকারের অস্তিত্ব নেই, সে সমাজে আইনের শাসন নেই। মানুষের জানমালের নিরাপত্তাই যদি বিঘ্নিত হয়, তবে মানুষ সমাজে কীভাবে একত্রে শান্তিতে বসবাস করবে? কোনো অপশক্তির কাছেই যেন জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় আর মানবতা বিব্রত না হয়। ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের অনিবার্য পরিণতিতে নির্মম হত্যাকাণ্ড, অমানবিকতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় ঘৃণা ব্যক্ত করা যায়, জোরালো প্রতিবাদ জানানো যায়, জনগণের জানমাল রক্ষায় শান্তিপূর্ণ উপায়ে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায় এবং সংগ্রামী সচেতন মানুষের সেটাই করণীয়। জননিরাপত্তায় ব্যর্থ হলে শান্তিপ্রিয় যেকোনো মানুষের ওপরই জিঘাংসার হিংস্র কালো থাবা নেমে আসতে পারে। তাই যথাশিগগির দেশের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ও জনকল্যাণার্থে মানবতার ঐক্য এবং শান্তিপূর্ণ সমঝোতার পরিবেশ সৃষ্টিতে জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে বিবদমান দল-মত-গোষ্ঠীর সংলাপের কোনো বিকল্প নেই।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও কলাম লেখক।
dr.munimkhan@yahoo.com
ইসলাম ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত ও সহিংসতাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে; সকল প্রকার হত্যাযজ্ঞ, রক্তপাত ও অরাজকতা প্রত্যাখ্যান করেছে; সৎ ও ভালো কাজে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছে, পাপ ও নির্যাতনমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছে। পারস্পরিক সম্প্রীতি, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের চেতনা এবং অর্থনৈতিক দর্শন ও অপরাধ দমন কৌশল ইসলামকে দিয়েছে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা। কিন্তু শান্তির ধারক-বাহক জনগণের বিরুদ্ধে সর্বদাই অশান্তিকামী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী স্বার্থপর লোকেরা খড়্গহস্ত থাকে। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘এবং তারা (ইসলামের শত্রুরা) দুনিয়ায় ধ্বংসাত্মক কাজ করে বেড়ায়, আর আল্লাহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের পছন্দ করেন না।’ (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ৬৪)
ইসলামের প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমে সারা বিশ্বে শান্তিশৃঙ্খলা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা হয়। সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, সংঘাতমুক্ত পৃথিবীর প্রয়োজনে ইসলামের শান্তিপ্রিয় ও কল্যাণধর্মী নীতি-আদর্শ এখন সময়ের দাবি। মানুষের সামগ্রিক জীবনের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ ও পরিপূর্ণ নিরাপত্তা বিধানে ইসলাম এক অনন্য কালজয়ী আদর্শ। ইসলামে চরম পন্থা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। ইসলামের যুদ্ধনীতি প্রতিরক্ষামূলক, আক্রমণাত্মক নয়, এমনকি প্রতিশোধমূলকও নয়। শত অত্যাচার ও নির্মম নির্যাতন সহ্য করেও তিনি কখনো বাড়াবাড়ি, কঠোরতা বা গোঁড়ামির পরিচয় দেননি, বরং দিন প্রচারের ক্ষেত্রে চরম পন্থা অবলম্বন করার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইসলামের সুমহান আদর্শ সমরনীতি ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা কখনো আগে অস্ত্র উত্তোলন কোরো না বা অস্ত্রের ভয়ভীতিও প্রদর্শন কোরো না।’
ইসলাম অন্যায়ভাবে মানবসন্তানকে হত্যা করা কঠোর ভাষায় নিষিদ্ধ করেছে। নিরপরাধ ব্যক্তিদের গুলি করে, বোমা মেরে বা অগ্নিসংযোগে হত্যা করা ইসলামের সঙ্গে কখনো সংগতিপূর্ণ নয়। অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা, জানমালের ক্ষতিসাধন ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করাকে কবিরা গুনাহ আখ্যায়িত করে এর ভয়াবহ পরিণাম সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন, ‘নরহত্যা বা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া কেউ কাউকে হত্যা করলে সে যেন দুনিয়ার সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে হত্যা করল; আর কেউ কারও প্রাণ রক্ষা করলে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে প্রাণে রক্ষা করল।’ (সূরা আল-মায়িদা, আয়াত: ৩২) মানুষের জীবনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তোমরা তাকে হত্যা কোরো না।’ (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ৩৩) হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে যে ‘দুনিয়া ধ্বংস করে দেওয়ার চেয়েও আল্লাহর কাছে ঘৃণিত কাজ হলো মানুষ হত্যা করা।’ (তিরমিজি)
মানবসমাজে বিশৃঙ্খলা, হানাহানি ও সন্ত্রাস দমনে শান্তির ধর্ম ইসলাম কঠোর দিকনির্দেশনা দিয়েছে এবং সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে কঠিন শাস্তি আরোপ করেছে। ইসলামের আলোকে যদি রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রচলিত আইনে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারীদের উপযুক্ত ন্যায়বিচার করা হয়, তাহলে আর কেউ নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে সাহস পাবে না। পবিত্র কোরআনে হত্যাকাণ্ডকে মহা অপরাধ সাব্যস্ত করে ইচ্ছাকৃতভাবে একজন মুসলমান আরেকজন মুসলমানকে হত্যা করার শাস্তির কঠোর বিধান সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘কোনো মুমিনের জন্য সমীচীন নয় যে, সে অন্য মুমিনকে হত্যা করবে, অবশ্য ভুলবশত করে ফেললে অন্য কথা। ...আর কেউ স্বেচ্ছায় কোনো মুমিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম, সেখানে সে চিরকাল অবস্থান করবে। আর আল্লাহ তার প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন ও তাকে অভিশপ্ত করেছেন এবং তার জন্য ভীষণ শাস্তি প্রস্তুত রেখেছেন।’ (সূরা আন-নিসা, আয়াত ৯২-৯৩)
মানবাধিকার মানুষের জন্মগত মৌলিক অধিকার। এসব অধিকার ছাড়া কোনো মানুষ মানুষের মর্যাদা নিয়ে জীবন ধারণ করতে পারে না। আইনের শাসনের মূল বক্তব্য মানবাধিকারের গ্যারান্টি। যে সমাজে মানবাধিকারের অস্তিত্ব নেই, সে সমাজে আইনের শাসন নেই। মানুষের জানমালের নিরাপত্তাই যদি বিঘ্নিত হয়, তবে মানুষ সমাজে কীভাবে একত্রে শান্তিতে বসবাস করবে? কোনো অপশক্তির কাছেই যেন জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় আর মানবতা বিব্রত না হয়। ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের অনিবার্য পরিণতিতে নির্মম হত্যাকাণ্ড, অমানবিকতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় ঘৃণা ব্যক্ত করা যায়, জোরালো প্রতিবাদ জানানো যায়, জনগণের জানমাল রক্ষায় শান্তিপূর্ণ উপায়ে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায় এবং সংগ্রামী সচেতন মানুষের সেটাই করণীয়। জননিরাপত্তায় ব্যর্থ হলে শান্তিপ্রিয় যেকোনো মানুষের ওপরই জিঘাংসার হিংস্র কালো থাবা নেমে আসতে পারে। তাই যথাশিগগির দেশের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ও জনকল্যাণার্থে মানবতার ঐক্য এবং শান্তিপূর্ণ সমঝোতার পরিবেশ সৃষ্টিতে জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে বিবদমান দল-মত-গোষ্ঠীর সংলাপের কোনো বিকল্প নেই।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও কলাম লেখক।
dr.munimkhan@yahoo.com
- Get link
- X
- Other Apps
Comments