Posts

Showing posts with the label শিশু

কাঁঠালচাঁপার দেশে

মুস্তাফা জামান আব্বাসী  |  আপডেট:  ০০:০৬, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৪  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       কুয়ালালামপুরে ৭ সেপ্টেম্বর ডব্লিউএসএমসির সপ্তম সামিট। পৃথিবীব্যাপী শিশুদের কল্যাণে নিয়োজিত যাঁরা, তাঁদের সভা। পাঁচতারা হোটেল ‘রয়েল চুলাহ’-র গেটে আয়োজকদের ফুল পৌঁছানোর আগেই সুশোভিত কাঁঠালচাঁপা, যেন বলল, এত দিন পরে এলে? পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আগত এক হাজার বক্তা, আলোচক, লেখক, প্রতিনিধি। ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর চার দিনে আলোচনা চলে একবিংশ শতাব্দীর মিডিয়া শিশুদের কী দিতে পারে, তা নিয়ে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বক্তব্য শুনতে শুনতে মন চলে যায় পৃথিবীর নানা প্রান্তে, যেখানে শিশুরা অবহেলিত, নির্যাতিত, নিষ্পেষিত। বক্তব্য শুনে ক্লান্ত হইনি, ক্লান্ত হয়েছে মনন। আমরা কোথায় পড়ে রয়েছি। ঝরঝর করে কেঁদে ফেলেছি তরুণ ডেলিগেটদের বক্তব্য শুনে। কখনো উল্লসিত তাঁদের দৃপ্ত ক্লান্তিহীন পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার গল্প শুনে। যাঁরা ছবি বানান তাঁদের কথা, যাঁরা লেখেন তাঁদের কথা, যাঁরা ক্লাসরুমে পড়ান তাঁদের কথা আর আমাদের মতো যারা মিডিয়াতে শিশুদের জন্য স্ক্রি...

বয়স পাঁচ, লম্বা পাঁচ ফুট সাত!

Image
আপডেট:  ০০:৩৫, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৪  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       বয়স পাঁচ, লম্বা পাঁচ ফুট সাত! করণ সিং স্কুলে যাবে, এ নিয়ে তার মা-বাবার চিন্তার শেষ নেই। না, ছেলে প্রথম স্কুলে যাচ্ছে বলে নয়, উদ্বেগের কারণ তাঁর উচ্চতা। সমবয়সীদের তুলনায় বেজায় লম্বা করণ। বয়স ৫ বছরের সামান্য বেশি হলেও সে পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি লম্বা। করণের বাড়ি ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাট জেলায়। বাবা সঞ্জয় সিং বলেন, স্কুলে গেলে প্রথম প্রথম সহপাঠীরা ওকে দেখে দৌড়ে পালাত, এড়িয়ে চলত। পরে অবশ্য সব ঠিক হয়ে যায়। এখন অনেক বন্ধু ওর। উচ্চতার জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ডের রেকর্ড গড়েছে করণ। বিশ্বে ওর বয়সী কোনো শিশু এত লম্বা নয়। করণের মা শ্বেতলানা সিংও সাত ফুট দুই ইঞ্চি লম্বা। এখনো তাঁর উচ্চতা বেড়ে চলেছে। ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘাঙ্গি নারী।  টাইমস অব 

রোগের নাম থ্যালাসেমিয়া , খুবই মারাত্নক একটি রোগ । খুবই ব্যায়বহুল এই রোগ সম্পর্কে আসুন জেনে নিই বিস্তারিত

Image
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৪৫ | শেয়ারঃ 5 0 দম্পতি ও ভালবাসার বিয়ে। তাদের স্বপ্ন আর ভালবাসার সংসার পূর্ণ করতে একদিন ফারহানার কোল জুড়ে আসে ছোট্ট নিঝুম। গল্পটা এখানে শেষ করতে পারলে ভাল হতো। কিন্তু হঠাত্ই বদলে যায় এই সুখের দৃশ্যপট। নিঝুমের বয়স যখন এক কি দেড় তখন থেকেই তাকে কেমন যেন ফ্যাকাশে দেখাতে থাকে। সাথে খাওয়ায় অরুচি। বাবা মায়ের উদ্ব্বিগ্ন মন ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর নিঝুমের রক্তে ধরা পড়ে একটি জটিল রোগ থ্যালাসেমিয়া। থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রোগ। এই রোগ শরীরে রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি করে যা রক্তের মধ্যে ত্রুটিযুক্ত হিমোগ্লো-বিনের জন্য হয়ে থাকে। হিমোগ্লোবিন মানুষের রক্তের খুব দরকারি একটি উপাদান। এটি রক্তের একটি বিশেষ রঞ্জক পদার্থ যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পরিবহণ করে। স্বাভাবিক মানুষের রক্তে হিমোগ্লোবিন সাধারণত দুটি আলফা ও দুটি বিটা চেইন বহন করে। এই দুটি চেইনের যেকোনো একটি পরিমাণে কম থাকলে সৃষ্টি হয় থ্যালাসেমিয়া রোগের। দু’রকমের থ্যালাসেমিয়া: থ্যালাসেমিয়া দু’টি প্রধান ধরনের হতে পারে, আলফা থ্যালাসেমিয়া ও বেটা থ্যালাসেমিয়া। যাদের হিমোগ্লোবিনে আলফা অথবা বিটা চে...

একসঙ্গে ধরায় এল ছয় শিশু

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট: ১৩:১২, জানুয়ারি ২৭, ২০১৪ ১             পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানের এক নারী একসঙ্গে ছয়টি সন্তান জন্ম দিয়েছেন। গতকাল রোববার পাকিস্তানের ‘দ্য নেশন’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, খাইবার পাখতুনখাওয়ার বান্নু জেলার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে গত শুক্রবার ওই নারী একসঙ্গে ছয়টি স্বাভাবিক শিশু জন্ম দেন। এদের মধ্যে চারটি ছেলে ও দুটি মেয়ে শিশু রয়েছে। সংশ্লিষ্ট চিকিত্সকেরা জানিয়েছেন, ওই মা ও তাঁর ছয় নবজাতক সুস্থ আছেন। তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে বাড়তি পরিচর্যা ও অধিকতর পর্যবেক্ষণের জন্য মা ও নবজাতকদের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চিকিত্সক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার ওই নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এরপর সেখানে তিনি ছয়টি শিশুর জন্ম দেন।

মাতৃগর্ভে শিশুর ত্রুটি নিয়ে চিন্তিত?

Image
ডা. রেজাউল করিম  |  আপডেট: ০১:১১, জানুয়ারি ২০, ২০১৪  |  প্রিন্ট সংস্করণ ৪             আমাদের শরীরের কোষকলার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশকে সাধারণ ভাষায় ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) বলে। ডিএনএ পরীক্ষা বলতে সাধারণত কোনো ব্যক্তির পরিচিতি নিশ্চিত করা বোঝালেও চিকিৎসাবিজ্ঞানে জিনবাহিত বা বংশগত রোগ নির্ণয়ের জন্য এটির গুরুত্ব অনেক। জিনগত রোগ বা কখনো আইনগত জটিলতায় সন্তানের পিতৃত্ব নির্ণয়ের জন্য অনেক সময় গর্ভের শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। কেন দরকার? জন্মগত ত্রুটি, জিনবাহিত বা বংশগত রোগ প্রতিরোধে আগে থেকে সচেতনতা দরকার। আমাদের দেশে থ্যালাসেমিয়া একটি মারাত্মক জিনবাহিত রক্তরোগ। মা-বাবা এ রোগের বাহক হলে সন্তান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জন্মাতে পারে। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ ভাগ অর্থাৎ প্রায় দেড় কোটি মানুষ এই মুহূর্তে নিজের অজান্তেই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। প্রতিবছর প্রায় সাত হাজার অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ২০টি শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মায়। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের সারা জীবন অন্যের রক্ত গ্রহণ করে বেঁচে থাকতে হয়...

শীতে শিশুর যত্নআত্তি

Image
অনলাইন ডেস্ক  |  আপডেট: ১২:২১, জানুয়ারি ১২, ২০১৪ ১             অভিভাবকেরা সব সময়ই নবজাতককে খুব যত্নে রাখতে চেষ্টা করেন। শীতকালে নবজাতকের যত্ন নিয়ে একটু বেশি চিন্তিত থাকেন তাঁরা। কারণ শীতে সঠিক যত্ন না পেলে এমন শিশুরা শ্বাসকষ্ট থেকে শুরু করে নিউমোনিয়ায় ভুগতে পারে। তাই শীতে নবজাতকের প্রতি একটু বেশি সতর্ক থাকতে হয়। সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক দীনা শারমিন শীতে নবজাতকের যত্নআত্তির বিষয়ে একটি ধারণা দিয়েছেন। সব সময়ই গরম কাপড় নয় অনেকে মনে করেন নবজাতককে সব সময় গরম কাপড় পরিয়ে রাখতে হয়। ধারণাটা একদম ঠিক নয়। এ সময় শিশুরা মায়ের দুধ পান করার কারণে তাদের শরীরের তাপমাত্রা একটু বেশি থাকে। তাই খুব গরম কাপড় না দিয়ে হালকা সুতির কাপড় পরানোই ভালো । তা না হলে শিশুর শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে শিশুর কাপড়-চোপড় যেন আবহাওয়া বা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানানসই হয়। শিশুর গোসলে কুসুমগরম পানি নবজাতকের গোসলের পানি হওয়া উচিত কুসুমগরম। এ ছাড়া শিশুর গোসলের পানিতে এবং গায়ের জামা-কাপড় ধোয়ার সময় স্যাভলন, ডেটল বা এ ধরনের জীবাণুনাশক দে...

শিশুদেরও রক্তশূন্যতা হতে পারে

Image
ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী  |  আপডেট: ০২:০৬, ডিসেম্বর ২০, ২০১৩  |  প্রিন্ট সংস্করণ             শিশুদেরও রক্তশূন্যতা হতে পারে। এমনকি নবজাতক শিশুরও। নবজাতকদের রক্তশূন্যতার মূল কারণ ঠিকমতো বুকের দুধ না খাওয়ানো। তারপর সঠিক বয়সে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার না দেওয়া হলেও রক্তশূন্যতা হতে পারে। এ ছাড়া নানা ধরনের রোগ ও অপুষ্টির জন্য রক্তশূন্যতা হয় শিশুদের।  শিশুর রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে কিছু বিষয় অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে। —জন্মের পর শালদুধসহ প্রথম ছয় মাস শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। মায়ের বুকের দুধে যে পরিমাণ লৌহ ও অন্যান্য খনিজ আছে, তা শিশুর রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে যথেষ্ট। এ সময় তাই অন্য কিছুরই দরকার হয় না। —গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে মায়েদের অতিরিক্ত পুষ্টিকর খাবার, বিশেষ করে লৌহসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন: শাকসবজি—কচুশাক, ডাঁটাশাক, লালশাক, ফুলকপির ডাঁটা, শিমের বিচি, প্র্রাণীজজাতীয় খাবার—কলিজা, মাংস, ডিমের কুসুম। ঝোলা গুড় ও খেজুরেও প্রচুর পরিমাণ লৌহ রয়েছে। তবে কেবল লৌহ বা আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেলেই চলবে না, পরিপাকতন্ত্রে ...

শিশুর আদরে সাবধানতা জরুরি

Image
ডা. সুদীপ্ত কুমার মুখার্জি |  তারিখ: ২০-০৬-২০১৩ ৩ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» ছোট্ট শিশুদের কোলে নেওয়ার বা আদর করার সময় সামান্য অসাবধানতায় হঠাৎ করে মস্তিষ্কে আঘাত লাগতে পারে। অনেক সময় বেশি ঝাঁকুনি, কোনো কিছুর সঙ্গে ধাক্কা বা আঘাত, জন্মগত মাথায় আঘাত বা অসাবধানতাবশত যে মস্তিষ্কের আঘাত ঘটে তা ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। বাড়িতে ও বিদ্যালয়ে শিশু নির্যাতনের কারণেও এ রকম আঘাত লাগতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে শেকেন বেবি সিনড্রোম বা ব্যাটার্ড বেবি সিনড্রোম।  খুলির ভেতর মস্তিষ্ক একধরনের তরল বা সেরিব্রো স্পাইনাল ফ্লুইডের ভেতর ভাসমান অবস্থায় থাকে। শিশুদের মস্তিষ্ক খুবই কোমল বলে কখনো কোনো আঘাত বা ঝাঁকুনিতে খুলির হাড়ের সঙ্গে ঘষা খেয়ে সহজেই আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এতে করে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, চোখের ভেতর বা রেটিনায় রক্তক্ষরণ, স্পাইনাল কর্ডে আঘাত বা মস্তিষ্কের ভেতর পানি জমার মতো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। শিশুদের ঘাড়ের পেশি দুর্বল থাকায় অনেক সময় ঝাঁকুনি বা দুলুনির সময়ও এমন হতে পারে। সাধারণত দুই বছরের নিচে বয়সের ...

টয়লেটের পাইপ থেকে জীবন্ত উদ্ধার : বিস্ময়কর শিশু বেবি-৫৯ নিয়ে চাঞ্চল্য

Image
ভিডিও লিঙ্কটি দেখুনঃ   http://youtu.be/00N_DYaGB2w রফিকুল আমীন আরিফ « আগের সংবাদ 93 পরের সংবাদ» টয়লেটের পাইপে মিলেছে নবজাতক শিশু! তা-ও আবার জীবিত! বিস্ময়কর, সত্যিই বিস্ময়কর। বিস্ময়করভাবে শিশুটির বেঁচে থাকা তাক লাগিয়ে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। এ নিয়ে চীনের গণমাধ্যমগুলোতে চলছে তোলপাড়। চীনের বাইরে বিশ্ব মিডিয়ায়ও এ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি) শিশুটির নাম দিয়েছে ‘বেবি-৫৯’। লন্ডনের বিশ্বখ্যাত দৈনিক ডেইলি মেইলের অনলাইন ভার্সনে প্রকাশ করা হয়েছে শিশুটিকে টয়লেটের পাইপ থেকে জীবন্ত বের আনার সচিত্র প্রতিবেদন। পত্রিকাটি সচিত্র প্রতিবেদনের পাশাপাশি এর সঙ্গে যুক্ত করেছে উদ্ধারের শুরু থেকে হাসপাতাল বেডে পাইপ কেটে শিশুটিকে বের করে আনার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের ভিডিওচিত্র। স্থির ও ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, পাইপ কেটে বের করে আনার পরে শিশুটির চোখে-মুখে, শরীরজুড়ে টয়লেটের নোংরা বর্জ্যের ছড়াছড়ি। এ চিত্র দেখে সবাই একমনে শুধু ধিক্কার জানাচ্ছেন নিষ্পাপ শিশুটির এ দশার জন্য যারা দায়ী তাদের প্রতি। ফেসবুক, টুইটারে এ নিয়ে শুরু হ...