বাসযোগ্য নতুন দুই ‘পৃথিবী’র সন্ধান!



তারিখ: ২০-০৪-২০১৩
পৃথিবীর মতোই দেখতে ও বসবাসের উপযোগী আরও দুই গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মহাকাশের দূরবর্তী কোনো স্থানে এ পৃথিবীর মতো বাসযোগ্য আরও পৃথিবী রয়েছে কি না তা অনুসন্ধান করতে গিয়েই তাঁরা এই নতুন দুই গ্রহের সন্ধান পান। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন পর্যন্ত পৃথিবীসদৃশ যত গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে, তাদের মধ্যে পৃথিবীর সঙ্গে এই দুই গ্রহের বৈশিষ্ট্যের মিল সবচেয়ে বেশি।
বিজ্ঞানীরা বলেন, নব আবিষ্কৃত গ্রহ দুটির আকার-আয়তন পৃথিবীর প্রমাণ সমান (রাইট সাইজ)। যে সূর্যকে (নক্ষত্র) কেন্দ্র করে এরা আবর্তিত হচ্ছে তা থেকে এদের দূরত্বও পৃথিবী ও আমাদের এই সূর্যের দূরত্বের মতোই সুষম। এ কারণে গ্রহ দুটিতে তরল পানির অস্তিত্বের আশা করা যায়।
পৃথিবী থেকে এক হাজার ২০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থানের কারণে গ্রহ দুটিতে পানির অস্তিত্ব থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা অসম্ভব। তা ছাড়া বর্তমান টেলিস্কোপ প্রযুক্তির সহায়তায় এদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাও দুরূহ। এর পরও মহাকাশ গবেষকেরা বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্সকে বলেন, এই আবিষ্কার দারুণ উত্তেজনাকর। কেপলার টেলিস্কোপ পর্যবেক্ষণে নতুন এ দুই পৃথিবীর সন্ধান পান তাঁরা।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার কক্ষপথ পরিভ্রমণকারী টেলিস্কোপ কেপলার পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত দলের প্রধান বিল বরুকি বলেন, এখনো পর্যন্ত পৃথিবীর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ও বসবাস উপযোগী গ্রহগুলোর মধ্যে এই দুটির অবস্থান শীর্ষে। ২০০৯ সালে কেপলার টেলিস্কোপের কার্যক্রম শুরুর পর আমাদের এই সৌরজগতের বাইরে পৃথিবীর সঙ্গে মিল রয়েছে এমন শতাধিক গ্রহের সন্ধান মিলেছে।
সৌরজগতের বাইরে সদ্য আবিষ্কৃত গ্রহ দুটি আসলে পাঁচটি গ্রহের একটি দলের দুই সদস্য। এই গ্রহগুলো যে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে সেটি আমাদের সূর্যের তুলনায় আকারে কিছুটা ছোট, উষ্ণতায় কিছুটা শীতল ও বয়সে কিছু বড়। কেপলার-৬২ নামের এই সূর্য ‘কনস্টালেশন লিরা’য় অবস্থিত। একে পরিভ্রমণকারী ওই দুই গ্রহের নাম কেপলার-৬২ই ও কেপলার-৬২এফ। বিবিসি।

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়