মাহমুদুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি মেডিকেল বোর্ড গঠন
স্টাফ রিপোর্টার
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিত্সাধীন আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। এ অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও উন্নত চিকিত্সার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুুল্লাহর নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গতকাল গঠন করা হয়েছে। এই মেডিকেল বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আবু সিদ্দিক, গ্যাসট্রোএন্টারোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এএসএম রায়হান, নেফ্রোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি, অ্যানেসথেশিয়া অ্যানালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ারের অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান, কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মেশকাত আহমেদ, কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মনজুর মাহমুদ ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক।
এই মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ গতকাল আমার দেশকে জানান, ‘বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে মাহমুদুর রহমান সাহেবকে সাপোর্টিভ ট্রিটমেন্ট চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এ অবস্থায় একেবারে না খেয়ে ওষুধ দিয়ে বেশিদিন কন্টিনিউ করা যাবে না। তিনি বলেন, বিষয়টি রাজনৈতিক। তাই রাজনৈতিকভাবে বিষয়টির সুরাহা করে হলেও তার দ্রুত খাওয়া-দাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা উচিত। নচেত্ এ অবস্থা চলতে থাকলে যে কোনো সময় শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটতে পারে।’ এ বিষয়ে বিএসএমএমইউ কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আবু সিদ্দিক জানালেন, ‘খাওয়া-দাওয়া না করলে রোগী ক্রমেই নিস্তেজ হয়ে পড়বে। আমরাও অনেক চেষ্টা করে তাকে খাওয়াতে পারছি না। অবশেষে নাক দিয়ে নল ঢুকিয়ে খাবার দিতে চাইলেও তিনি রাজি হচ্ছেন না।’
জানা গেছে, গতকালও বোর্ডের সব সদস্য অনেক চেষ্টা করেও তাকে কোনো কিছুই খাওয়াতে পারেননি। তার দেহে গতকালও বিভিন্ন ইনজেকশন ও স্যালাইন পুশ করা হয়েছে। ইলেট্রোলাইট অ্যামবেলেন্স অবস্থায় সার্বক্ষণিক দেহের পরিস্থিতি মনিটর করা হচ্ছে। হৃিপণ্ডের পালস অর্ধেকে নেমে এসেছে, কণ্ঠস্বরও বেশ ক্ষীণ হয়ে গেছে।
কার্ডিওলজি বিভাগের দ্বিতীয় তলাস্থ করিডোরে পর্যাপ্ত পুলিশ পাহারারত আছে। শুধু তাই নয়, করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ভেতরেও একজন ডেপুটি জেলারের নেতৃত্বে ১৫-২০ পুলিশ সার্বক্ষণিক অবস্থান করছে। তেমন কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।
এই মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ গতকাল আমার দেশকে জানান, ‘বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে মাহমুদুর রহমান সাহেবকে সাপোর্টিভ ট্রিটমেন্ট চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এ অবস্থায় একেবারে না খেয়ে ওষুধ দিয়ে বেশিদিন কন্টিনিউ করা যাবে না। তিনি বলেন, বিষয়টি রাজনৈতিক। তাই রাজনৈতিকভাবে বিষয়টির সুরাহা করে হলেও তার দ্রুত খাওয়া-দাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা উচিত। নচেত্ এ অবস্থা চলতে থাকলে যে কোনো সময় শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটতে পারে।’ এ বিষয়ে বিএসএমএমইউ কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আবু সিদ্দিক জানালেন, ‘খাওয়া-দাওয়া না করলে রোগী ক্রমেই নিস্তেজ হয়ে পড়বে। আমরাও অনেক চেষ্টা করে তাকে খাওয়াতে পারছি না। অবশেষে নাক দিয়ে নল ঢুকিয়ে খাবার দিতে চাইলেও তিনি রাজি হচ্ছেন না।’
জানা গেছে, গতকালও বোর্ডের সব সদস্য অনেক চেষ্টা করেও তাকে কোনো কিছুই খাওয়াতে পারেননি। তার দেহে গতকালও বিভিন্ন ইনজেকশন ও স্যালাইন পুশ করা হয়েছে। ইলেট্রোলাইট অ্যামবেলেন্স অবস্থায় সার্বক্ষণিক দেহের পরিস্থিতি মনিটর করা হচ্ছে। হৃিপণ্ডের পালস অর্ধেকে নেমে এসেছে, কণ্ঠস্বরও বেশ ক্ষীণ হয়ে গেছে।
কার্ডিওলজি বিভাগের দ্বিতীয় তলাস্থ করিডোরে পর্যাপ্ত পুলিশ পাহারারত আছে। শুধু তাই নয়, করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ভেতরেও একজন ডেপুটি জেলারের নেতৃত্বে ১৫-২০ পুলিশ সার্বক্ষণিক অবস্থান করছে। তেমন কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।
Comments