বিশ্ববাজারে স্বর্ণদর ভালুকের কবলে
- Get link
- X
- Other Apps
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ১৭-০৪-২০১৩
ভারতের একটি অলংকারের দোকানে স্বর্ণালংকার বাছাই করছেন দুজন ক্রেতা
বিজনেস লাইন
এক যুগ ধরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর ক্রমাগতভাবে বাড়ার পর এখন দর সংশোধনের দিকে যাত্রা শুরু হয়েছে। আর তাই কিছুদিন ধরে স্বর্ণের দর নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার ৫ শতাংশ দর পড়ে যাওয়ার পর সোমবার রাতে বিশ্ববাজারে দরপতন হয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ।
বলা হচ্ছে, তিন দশকের মধ্যে এটি স্বর্ণের দরের সবচেয়ে খাড়া পতন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বিশেষত বড় বড় ব্যাংক স্বর্ণ বিক্রি শুরু করেছে। বিশ্লেষকেরা একে ‘মূল্যবান হলুদ ধাতুর বাজারে ভালুকের কবলে পড়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন।
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর কমে যাওয়ার ধারাবাহিকতায় দেশের স্বর্ণের বাজারেও বড় দরপতন হয়েছে। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৬১৬ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। এ কারণে ভালো মানের স্বর্ণের ভরি এখন দাঁড়াবে ৫১ হাজার ৩২১ টাকা। এটি সর্বশেষ দরের চেয়ে প্রায় ৭ শতাংশ কম।
কয়েক দিন ধরে স্বর্ণের আন্তর্জাতিক দর পড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণের দাম সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে গতকাল নতুন দর নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এর মাত্র এক দিন আগেই স্বর্ণের দাম এক দফা কমিয়েছিল বাজুস। আর গতকাল মঙ্গলবারই একই মানের স্বর্ণের ভরি ছিল ৫৪ হাজার ৯৩৭ টাকা। অথচ জানুয়ারিতে এর দর ছিল ৫৮ হাজার ৩২০ টাকা। আজ বুধবার থেকে নতুন দর কার্যকর হবে, যা কিনা চলতি পঞ্জিকাবর্ষের (২০১৩) মধ্যে সর্বনিম্ন।
বিশ্ববাজারে কয়েক দিন ধরে স্বর্ণের দর নিম্নমুখী হয়।
নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ৫১ হাজার ৩২১ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৮ হাজার ৯৮৮ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম পড়বে ৪১ হাজার ৯৯০ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম কমে হয়েছে ২৯ হাজার ৫০৯ টাকা ভরি। পাশাপাশি প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম) রুপার দাম এখন এক হাজার ২২৪ টাকা।
ফলে আজ থেকে ভরি প্রতি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম আগের দরের চেয়ে তিন হাজার ৬১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটে তিন হাজার ৫০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটে তিন হাজার ৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৮০০ টাকা কমেছে। আর রুপার দাম কমছে ১১৭ টাকা।
বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দেশে স্বর্ণের দামের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় দরপতন। আন্তর্জাতিক বাজারের বড় দরপরতনের কারণে দেশের বাজারে সংশোধন করা হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৫ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১৩২৩ মার্কিন ডলারে নেমে গিয়েছিল। গতকাল আবার তা ১৩৫২ এবং পরে ১৩৮৮ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। আমরা আবার কয়েক দিন পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’
তবে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে এখনো দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কয়েক হাজার টাকা বেশি কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, আন্তর্জাতিক দর অনুযায়ী দেশে স্বর্ণ কেনার কোনো ব্যবস্থা নেই। এটি থাকলে দাম আরও কম হতো।
প্রথম আলোর কলকাতা প্রতিনিধি জানান, ভারতে সোনা ও রুপার দাম কমেছে।
২০১২ সালের নভেম্বর মাসে ভারতে যেখানে ১০ গ্রাম সোনার মূল্য ছিল ৩২ হাজার ৪৬৪ রুপি সেখানে এ বছরের ১০ এপ্রিল তা কমে ২৯ হাজার ৯০৫ রুপিতে নেমে এসেছে। পরদিন ১১ এপ্রিল আরও কমে দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৫১০ রুপি। পরবর্তী দুই দিনে দাম যথাক্রমে ২৯ হাজার ৪৩৫ রুপি ও ২৮ হাজার ৫৫০ রুপিতে নেমে আসে। সর্বশেষ বাংলা নববর্ষের দিন (ভারত) ১৫ এপ্রিল সেই দাম আরও ৯৪০ রুপি কমে দাঁড়ায় ২৭ হাজার ৬১০ রুপি।
একই সঙ্গে রুপার মূল্যও কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ।
বলা হচ্ছে, তিন দশকের মধ্যে এটি স্বর্ণের দরের সবচেয়ে খাড়া পতন। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বিশেষত বড় বড় ব্যাংক স্বর্ণ বিক্রি শুরু করেছে। বিশ্লেষকেরা একে ‘মূল্যবান হলুদ ধাতুর বাজারে ভালুকের কবলে পড়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন।
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর কমে যাওয়ার ধারাবাহিকতায় দেশের স্বর্ণের বাজারেও বড় দরপতন হয়েছে। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৬১৬ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। এ কারণে ভালো মানের স্বর্ণের ভরি এখন দাঁড়াবে ৫১ হাজার ৩২১ টাকা। এটি সর্বশেষ দরের চেয়ে প্রায় ৭ শতাংশ কম।
কয়েক দিন ধরে স্বর্ণের আন্তর্জাতিক দর পড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণের দাম সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে গতকাল নতুন দর নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এর মাত্র এক দিন আগেই স্বর্ণের দাম এক দফা কমিয়েছিল বাজুস। আর গতকাল মঙ্গলবারই একই মানের স্বর্ণের ভরি ছিল ৫৪ হাজার ৯৩৭ টাকা। অথচ জানুয়ারিতে এর দর ছিল ৫৮ হাজার ৩২০ টাকা। আজ বুধবার থেকে নতুন দর কার্যকর হবে, যা কিনা চলতি পঞ্জিকাবর্ষের (২০১৩) মধ্যে সর্বনিম্ন।
বিশ্ববাজারে কয়েক দিন ধরে স্বর্ণের দর নিম্নমুখী হয়।
নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ৫১ হাজার ৩২১ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৮ হাজার ৯৮৮ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম পড়বে ৪১ হাজার ৯৯০ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম কমে হয়েছে ২৯ হাজার ৫০৯ টাকা ভরি। পাশাপাশি প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম) রুপার দাম এখন এক হাজার ২২৪ টাকা।
ফলে আজ থেকে ভরি প্রতি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম আগের দরের চেয়ে তিন হাজার ৬১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটে তিন হাজার ৫০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটে তিন হাজার ৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৮০০ টাকা কমেছে। আর রুপার দাম কমছে ১১৭ টাকা।
বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দেশে স্বর্ণের দামের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় দরপতন। আন্তর্জাতিক বাজারের বড় দরপরতনের কারণে দেশের বাজারে সংশোধন করা হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৫ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১৩২৩ মার্কিন ডলারে নেমে গিয়েছিল। গতকাল আবার তা ১৩৫২ এবং পরে ১৩৮৮ ডলার পর্যন্ত উঠেছে। আমরা আবার কয়েক দিন পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’
তবে আন্তর্জাতিক বাজারের চেয়ে এখনো দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কয়েক হাজার টাকা বেশি কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, আন্তর্জাতিক দর অনুযায়ী দেশে স্বর্ণ কেনার কোনো ব্যবস্থা নেই। এটি থাকলে দাম আরও কম হতো।
প্রথম আলোর কলকাতা প্রতিনিধি জানান, ভারতে সোনা ও রুপার দাম কমেছে।
২০১২ সালের নভেম্বর মাসে ভারতে যেখানে ১০ গ্রাম সোনার মূল্য ছিল ৩২ হাজার ৪৬৪ রুপি সেখানে এ বছরের ১০ এপ্রিল তা কমে ২৯ হাজার ৯০৫ রুপিতে নেমে এসেছে। পরদিন ১১ এপ্রিল আরও কমে দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৫১০ রুপি। পরবর্তী দুই দিনে দাম যথাক্রমে ২৯ হাজার ৪৩৫ রুপি ও ২৮ হাজার ৫৫০ রুপিতে নেমে আসে। সর্বশেষ বাংলা নববর্ষের দিন (ভারত) ১৫ এপ্রিল সেই দাম আরও ৯৪০ রুপি কমে দাঁড়ায় ২৭ হাজার ৬১০ রুপি।
একই সঙ্গে রুপার মূল্যও কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments