সমাবেশে সাংবাদিক-পেশাজীবী নেতারা: দেশে ৭৫’র পুনরাবৃত্তির অপচেষ্টা চলছে, বুধবার ৪ ঘন্টার অবস্থান কর্মসূচি
স্টাফ রিপোর্টার
| পরের সংবাদ» |
দৈনিক আমার দেশ-এর সাহসী সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তি ও পত্রিকার প্রেস খুলে দেয়ার দাবিতে মঙ্গলবার (আজ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাংবাদিক ও পেশাজীবীরা। সমাবেশে নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই গণমাধ্যম আক্রান্ত হয়। এর আগেও ৭৫’এ আক্রান্ত হয়েছিল। বর্তমানেও দেশে ৭৫’র পুনরাবৃত্তির অপচেষ্টা চলছে। গণমাধ্যমের ওপর হামলার এই কঠিন সময়েও সরকারের নিবর্তনমূলক আচরণের প্রতিবাদে দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণ-আন্দোলনে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত কর্মসূচিতে সাংবাদিক ও পেশাজীবী নেতারা প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। একই দাবিতে বুধবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দেন তারা।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আবদুস শহীদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রোভিসি অধ্যাপক ড. আ,ফ,ম ইউসুফ হায়দার, ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, শিক্ষক কর্মচারী ঐকজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর সৈয়দ রাশেদুল হাসান, বিএফইউজে’র সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী, প্রকৌশলী নেতা রিয়াজুল ইসলাম রিজু, কবি ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, অ্যাব নেতা কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, প্রকৌশলী শেখ আল আমিন, আমার দেশ’র ইউনিট চীফ বাছির জামাল প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন ডিইউজে’র সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান।
রুহুল আমিন গাজী বলেন, বিনা কারণে দেশের একজন জনপ্রিয় লেখক ও সাংবাদিককে ডাকাতের ভুমিকায় সরকার গ্রেফতার করে আমার দেশ পত্রিকা বন্ধের ষড়যন্ত্র করছে। মাহমুদুর রহমানের অপরাধ তিনি বাংলাদেশকে ভালোবাসেন, মানবাধিকারের পক্ষে লেখেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চান, অনিয়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কলম ধরেন। এ অপরাধ মাহমুদুর রহমান করে থাকলে সে অপরাধ দেশের ১৬ কোটি মানুষ করতে চায়। এসময় তিনি কিছু সাংবাদিকদের সরকারের দালালীর ভুমিকার সমালোচনা করে বলেন, আপনাদেরকে জনগণ চিহ্নিত করে রাখছে। ভবিষ্যতে আপনাদেরও ক্ষমা করবেনা জনগণ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি পাকিস্তানের রাজাকার ছিলেন। আর এখন সম্পাদককে গ্রেফতার করেছেন। আপনি বলেছেন, পুলিশ আঙ্গুল চুষবে না। জনগণই আপনাদেরকে আঙ্গুল চোষাবে। অবিলম্বে মাহমুদুর রহমান, তার মা মাহমুদা বেগন ও সংগ্রাম সম্ত্রাদক আবুল আসাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়ে গাজী বলেন, এর বিরুদ্ধে সারা দেশে প্রতিবাদ চলছে। আমার দেশ বন্ধ হয় নি। সরকার বাধা দিচ্ছে। আমার দেশ চালু আছে। অনলাইনও চলছে। বুধবার সকাল ১০ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসুচী পালন করার ঘোষণা দেন তিনি।
আবদুস শহীদ বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই আমাদেরকে রাস্তায় আন্দোলন করতে হয়। তারা ক্ষমতায় আসলেই গণমাধ্যমের ওপর নগ্ন হামলা চালানো হয়। এর ্আগেও ৭৫’এ গণমাধ্যম আক্রান্ত হয়েছিল। বর্তমানে ৭৫’র পুনরাবৃত্তি ঘটছে। গণমাধ্যমের ওপর হামলার এই কঠিন সময়েও একটি কচক্রি মহল সরকারের দালালী করার সমালোচনা করেন তিনি। তিনি বলেন, সরকারের নিবর্তনমুলক আচরণের প্রতিবাদে প্রতিদিন সারাদেশে প্রতিবাদ হচ্ছে। তাতেও সরকারের টনক নড়ছে না। সুতরাং সকল পেশার জনগণকে ঐক্যব্র হয়ে আন্দোলনে নামতে হবে।
অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার বলেন, সরকার এতটাই ফ্যাসিষ্ট-এ পরিণত হয়েছে যে মাহমুদুর রহমানের ৮০ বছর বয়সী মায়ের নামেও মামলা দেয়া হয়েছে।
ইলিয়াস খান বলেন, বর্তমান সরকার কমায় চলে গেছে। অক্সিজেন দিয়ে রাখছে নয়াদিল্লী। দেশের জনগণ জেগে উঠেছে। ওই অক্সিজেন’র সংযোগ তারা বিচ্ছিন্ন করে দিবে। তিনি বলেন, অবিলম্বে মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি না দিলে অবশ্যই সরকারের পতন ঘটাবে জনগণ। যেসব সাংবাদিক দালালী করে সরকারের পক্ষাবলম্বন করছেন তাদেরও একদিন বিচার হবে যোগ করেন তিনি।
আবদুল হাই শিকদার বলেন, বর্তমান সরকার যে তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের সাধারণ জনগণকে বিষিয়ে তুলেছেন সে গণরোষের পদধ্বনী ঘটেছে সম্প্রতি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। আজ শুধু আমার দেশ নয় গোটা গণমাধ্যম আক্রান্ত। বসে থাকার সুযোগ নেই। কাল আপনিও আক্রান্ত হতে পারেন। সবাইকে ঐক্যব্র হয়ে গণআন্দোলন গড়ে তুলার আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে নির্যাতন ও আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ করার পায়তার চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদে সারা দেশের হাজার হাজার মাহমুুদুর রহমান জেগে উঠেছে। সরকার পালানোর পথ খুজে পাবেনা।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে শেখ মুজিবের ছবি টানানোর প্রতিবাদ: এদিকে দুপুর দেড় টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের হল রুমে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাংবাদিক নেতারা জাতীয় প্রেস ক্লাবে সরকার সমর্থক কিছু সাংবাদিকদের শেখ মুজিবের ছবি টানানোর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবে আমরা কোন রাজনীতি প্রবেশ করতে দেবনা। এসময় মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতার ও পত্রিকা বন্ধের কঠোর সমালোচনা করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, প্রবীণ সাংবাদিক ও নিউজটুডে সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আবদুস শহীদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ।
রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯৭৫ সালে গণমাধ্যম বন্ধ করে যারা উল্লাস করেছিল সেসব বাজ পাখি আজ আবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে ঘোরাফেরা করছে। শেখ মুজিবের ছবি টানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা আওয়ামী লীগের নমীনেশন পাওয়ার প্রতিযোগীতায় নিজেদের এগিয়ে নিতে শেখ মুজিবের ছবি টানিয়ে নিজেদের আওয়ামী লীগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। কিন্তু সাংবাদিক সমাজ এ চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেবে না। আপনাদের সবাইকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। গায়ের জোড়ে ছবি টানাতে চাইলে বাকশালের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি ইকবাল সোবহান চৌধুরীর নাম উল্লেখ না করে বলেন, উনি সাংবাদিকদের ঐক্য বিনষ্ট করেছেন। এখন জাতীয় প্রেস ক্লাবকে দ্বি-খন্ডিত করতে উঠে পড়ে লেগেছেন। রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতারের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, সরকার গাড়ী ভাংচুরের মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছে। সত্যি এটি লজ্জাজনক। এর প্রতিবাদে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত কর্মসূচিতে সাংবাদিক ও পেশাজীবী নেতারা প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। একই দাবিতে বুধবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনেরও ঘোষণা দেন তারা।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আবদুস শহীদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রোভিসি অধ্যাপক ড. আ,ফ,ম ইউসুফ হায়দার, ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, শিক্ষক কর্মচারী ঐকজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর সৈয়দ রাশেদুল হাসান, বিএফইউজে’র সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী, প্রকৌশলী নেতা রিয়াজুল ইসলাম রিজু, কবি ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার, অ্যাব নেতা কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, প্রকৌশলী শেখ আল আমিন, আমার দেশ’র ইউনিট চীফ বাছির জামাল প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন ডিইউজে’র সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান।
রুহুল আমিন গাজী বলেন, বিনা কারণে দেশের একজন জনপ্রিয় লেখক ও সাংবাদিককে ডাকাতের ভুমিকায় সরকার গ্রেফতার করে আমার দেশ পত্রিকা বন্ধের ষড়যন্ত্র করছে। মাহমুদুর রহমানের অপরাধ তিনি বাংলাদেশকে ভালোবাসেন, মানবাধিকারের পক্ষে লেখেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চান, অনিয়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কলম ধরেন। এ অপরাধ মাহমুদুর রহমান করে থাকলে সে অপরাধ দেশের ১৬ কোটি মানুষ করতে চায়। এসময় তিনি কিছু সাংবাদিকদের সরকারের দালালীর ভুমিকার সমালোচনা করে বলেন, আপনাদেরকে জনগণ চিহ্নিত করে রাখছে। ভবিষ্যতে আপনাদেরও ক্ষমা করবেনা জনগণ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি পাকিস্তানের রাজাকার ছিলেন। আর এখন সম্পাদককে গ্রেফতার করেছেন। আপনি বলেছেন, পুলিশ আঙ্গুল চুষবে না। জনগণই আপনাদেরকে আঙ্গুল চোষাবে। অবিলম্বে মাহমুদুর রহমান, তার মা মাহমুদা বেগন ও সংগ্রাম সম্ত্রাদক আবুল আসাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়ে গাজী বলেন, এর বিরুদ্ধে সারা দেশে প্রতিবাদ চলছে। আমার দেশ বন্ধ হয় নি। সরকার বাধা দিচ্ছে। আমার দেশ চালু আছে। অনলাইনও চলছে। বুধবার সকাল ১০ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসুচী পালন করার ঘোষণা দেন তিনি।
আবদুস শহীদ বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই আমাদেরকে রাস্তায় আন্দোলন করতে হয়। তারা ক্ষমতায় আসলেই গণমাধ্যমের ওপর নগ্ন হামলা চালানো হয়। এর ্আগেও ৭৫’এ গণমাধ্যম আক্রান্ত হয়েছিল। বর্তমানে ৭৫’র পুনরাবৃত্তি ঘটছে। গণমাধ্যমের ওপর হামলার এই কঠিন সময়েও একটি কচক্রি মহল সরকারের দালালী করার সমালোচনা করেন তিনি। তিনি বলেন, সরকারের নিবর্তনমুলক আচরণের প্রতিবাদে প্রতিদিন সারাদেশে প্রতিবাদ হচ্ছে। তাতেও সরকারের টনক নড়ছে না। সুতরাং সকল পেশার জনগণকে ঐক্যব্র হয়ে আন্দোলনে নামতে হবে।
অধ্যাপক আফম ইউসুফ হায়দার বলেন, সরকার এতটাই ফ্যাসিষ্ট-এ পরিণত হয়েছে যে মাহমুদুর রহমানের ৮০ বছর বয়সী মায়ের নামেও মামলা দেয়া হয়েছে।
ইলিয়াস খান বলেন, বর্তমান সরকার কমায় চলে গেছে। অক্সিজেন দিয়ে রাখছে নয়াদিল্লী। দেশের জনগণ জেগে উঠেছে। ওই অক্সিজেন’র সংযোগ তারা বিচ্ছিন্ন করে দিবে। তিনি বলেন, অবিলম্বে মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি না দিলে অবশ্যই সরকারের পতন ঘটাবে জনগণ। যেসব সাংবাদিক দালালী করে সরকারের পক্ষাবলম্বন করছেন তাদেরও একদিন বিচার হবে যোগ করেন তিনি।
আবদুল হাই শিকদার বলেন, বর্তমান সরকার যে তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের সাধারণ জনগণকে বিষিয়ে তুলেছেন সে গণরোষের পদধ্বনী ঘটেছে সম্প্রতি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। আজ শুধু আমার দেশ নয় গোটা গণমাধ্যম আক্রান্ত। বসে থাকার সুযোগ নেই। কাল আপনিও আক্রান্ত হতে পারেন। সবাইকে ঐক্যব্র হয়ে গণআন্দোলন গড়ে তুলার আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে নির্যাতন ও আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ করার পায়তার চালানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদে সারা দেশের হাজার হাজার মাহমুুদুর রহমান জেগে উঠেছে। সরকার পালানোর পথ খুজে পাবেনা।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে শেখ মুজিবের ছবি টানানোর প্রতিবাদ: এদিকে দুপুর দেড় টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের হল রুমে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাংবাদিক নেতারা জাতীয় প্রেস ক্লাবে সরকার সমর্থক কিছু সাংবাদিকদের শেখ মুজিবের ছবি টানানোর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবে আমরা কোন রাজনীতি প্রবেশ করতে দেবনা। এসময় মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতার ও পত্রিকা বন্ধের কঠোর সমালোচনা করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, প্রবীণ সাংবাদিক ও নিউজটুডে সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আবদুস শহীদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ।
রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯৭৫ সালে গণমাধ্যম বন্ধ করে যারা উল্লাস করেছিল সেসব বাজ পাখি আজ আবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে ঘোরাফেরা করছে। শেখ মুজিবের ছবি টানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা আওয়ামী লীগের নমীনেশন পাওয়ার প্রতিযোগীতায় নিজেদের এগিয়ে নিতে শেখ মুজিবের ছবি টানিয়ে নিজেদের আওয়ামী লীগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। কিন্তু সাংবাদিক সমাজ এ চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেবে না। আপনাদের সবাইকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। গায়ের জোড়ে ছবি টানাতে চাইলে বাকশালের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তিনি ইকবাল সোবহান চৌধুরীর নাম উল্লেখ না করে বলেন, উনি সাংবাদিকদের ঐক্য বিনষ্ট করেছেন। এখন জাতীয় প্রেস ক্লাবকে দ্বি-খন্ডিত করতে উঠে পড়ে লেগেছেন। রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতারের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, সরকার গাড়ী ভাংচুরের মামলায় তাকে গ্রেফতার করেছে। সত্যি এটি লজ্জাজনক। এর প্রতিবাদে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
Comments