কচুশাকের কথা
গুণাগুণ অধুনা প্রতিবেদক | ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ আয়রনসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে কচুশাকের খ্যাতি আছে। বাংলাদেশেও বেশ সহজপ্রাপ্য। ইলিশ, চিংড়ি ও শুঁটকি মাছের সঙ্গে মুখরোচক খাবার হিসেবে বেশ সুস্বাদু। পুষ্টিগুণও নেহাত কম না। কচুশাকের প্রধান উপাদান আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ বজায় রাখে। জানালেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ। তিনি বলেন, প্রতি ১০০ গ্রাম কচুশাকে ৩৯ গ্রাম প্রোটিন, ৬.৮ গ্রাম শর্করা, ১৫ গ্রাম চর্বি, ২২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১০ মিলিগ্রাম আয়রন, ৫৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি এবং ভিটামিন এ, বি ৬ ও সি আছে। কচুর ডগা, বিশেষ করে কালো কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। যারা রক্তশূন্যতায় ভুগছে এটি তাদের জন্য একরকম আবশ্যক বলা চলে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। এতে দুর্বলতা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাসসহ নানা ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কচুশাকের আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে রোগপ্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এই শাক সরাসরি শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের রোগ দূর করে ...