Posts

Showing posts with the label শিশুর স্বাস্থ্য

শিশুর জ্বর যখন গুরুতর

ভালো থাকুন ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী  |  আপডেট:  ০২:২৩, মে ১০, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ১ Like       শিশুদের প্রায়ই জ্বর হয়। দুনিয়াজুড়ে হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে যেসব শিশু আসে তার প্রায় ২০-৩০ শতাংশ শিশুকে আনা হয় জ্বর উপসর্গ নিয়ে। শিশুদের বেশির ভাগ জ্বরই নিরীহ ধরনের ভাইরাস-সংক্রমণজাত। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা প্রাণসংহারক ও মারাত্মক সংক্রমণের কারণেও হতে পারে। তাই জানা থাকা দরকার জ্বর কখন গুরুতর হয়ে ওঠে।  শিশু বয়সের জ্বর উপসর্গকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, শিশুর বয়স অনুযায়ী। খুব ছোট্ট শিশু—মানে এক বছরের কম বয়সী শিশু, ৩ থেকে ৩৬ মাস বয়সী শিশুর জ্বর এবং তিন বছরের বেশি বয়সী শিশুর জ্বরের ধরন-ধারণে আছে ভিন্নতা।  খুব ছোট্ট শিশুর জ্বর হলে সতর্ক থাকতে হবে। কেননা, এদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কম, তা ছাড়া তাকে টিকাদান সুরক্ষা ব্যবস্থাও দেওয়া হয়ে ওঠেনি। অন্যান্য অসুস্থতার লক্ষণও তেমন বোঝা যায় না। এ বয়সে জ্বরের জন্য জিবিএম, ই.কোলাই, এইচ ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো মারাত্মক রোগজীবাণু দায়ী হতে পারে।  ৩-৩৬ মাস বয়সী শিশুরা স...

শিশুর তোতলামি

আপডেট:  ০০:৫১, আগস্ট ২৯, ২০১৪  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       বেশির ভাগ তোতলামি বা স্টেমারিং কোনো গুরুতর রোগের কারণে নয়। যেসব শিশু তোতলায়, তারা সাধারণত লাজুক, উদ্বিগ্ন ও অতিরিক্ত সংবেদনশীল। আত্মবিশ্বাস বাড়ানো বা উদ্বেগ কমানোর চর্চা করলে কথার জড়তা এমনিতেই ঠিক হয়ে আসে। আমরা যখন কথা বলি, তখন অনেকগুলো স্নায়ু অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কাজ করে। এই কর্মযজ্ঞে ঝামেলা হলেই কথার জড়তা পেয়ে বসে। অবশ্য বড়দের অনেক সময় স্ট্রোক বা মস্তিষ্কের আঘাতের পর কথার জড়তা হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়ি বা স্কুলের পরিবেশ আনন্দময়, উদ্বেগহীন ও শিথিল করা জরুরি। এ জন্য অভিভাবকদের বেশ সচেতনতা দরকার। শিশু তোতলামিতে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে ধীরে ধৈর্যসহকারে বিষয়গুলো শুধরে দিন। পরিবারের সবাই তার সঙ্গে ধীরে কথা বলুন, যাতে সে আলাদা শব্দ ও ধ্বনি স্পষ্টভাবে শোনে এবং শেখে। তার ভাঙা ভাঙা বা আটকে যাওয়া কথার মাঝখানেই থামিয়ে দেবেন না বা শুধরাতে যাবেন না, পুরোটা আগে শেষ করতে দিন। এ বিষয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার ভাব পরিত্যাগ করুন, তাকে সহজ হতে দিন। শিশুর মানস...

শিশুর নাক বন্ধ?

প্রথম আলো ডেস্ক  |  আপডেট: ০১:১৪, এপ্রিল ২০, ২০১৪  |  প্রিন্ট সংস্করণ             গরমেও শিশুদের সর্দি হয়। নাক বন্ধ থাকার কারণে ঘুমাতে পারে না, বিরক্ত হয় ও কাঁদে। নাক বন্ধ বা সর্দিতে আক্রান্ত শিশুদের যত্নে রয়েছে কিছু পরামর্শ। আধা কাপ হালকা কুসুম গরম পানিতে ১/৪ চামচ লবণ মিশিয়ে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। শিশুকে চিত করে শুইয়ে কাঁধের নিচে একটা তোয়ালে গোল করে মাথাটা খানিক উঁচু করে দিন। এবার ৩০ থেকে ৬০ সেকেন্ড পর পর দুই বা তিন ফোঁটা করে নাকে এই ড্রপ দিয়ে দিন। একটু পর কাত করে নাকের সর্দি বের হতে দিন এবং টিস্যু বা পাতলা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে দিন। কখনোই নাকের ভেতর টিস্যু বা কটন বাড ঢোকাবেন না। দুই বছরের নিচে ডিকনজেসটেন্ট ড্রপ, স্প্রে বা সিরাপ নিষিদ্ধ। বলা হয় যে ডিকনজেসটেন্ট-জাতীয় ওষুধ নাকের রক্তনালিকে সংকুচিত করে আরও অস্বস্তি বাড়ায়। এনআইএইচ, ইউকে। সূত্রঃ প্রথম আলো