Posts

Showing posts with the label জমি

দলিল রেজিস্ট্রি করতে হলে...

Image
তানজিম আল ইসলাম  |  আপডেট: ০০:০৭, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৩  |  প্রিন্ট সংস্করণ ২             ২০০৫ সালের ১ জুলাই থেকে জমির যেকোনো হস্তান্তরযোগ্য দলিল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, যে দলিল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক অথচ রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি, তখন সেই দলিল নিয়ে আপনি কোনো দাবি করতে পারবেন না। সাব-কবলা দলিল, হেবা বা দানপত্র, বন্ধকি দলিল, বায়না দলিল, বণ্টননামা দলিলসহ বিভিন্ন হস্তান্তর দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে। দলিলের বিষয়বস্তু যে এলাকার এখতিয়ারের মধ্যে রয়েছে, সেই এলাকার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে। জমি বিক্রির দলিল রেজিস্ট্রি জমি বিক্রির জন্য জমির বায়নানামা (বিক্রির চুক্তিপত্র) সম্পন্ন করা হলে তা রেজিস্ট্রি করতে হবে। জমির বায়নানামা সম্পাদনের তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে বায়নাটি রেজিস্ট্রি করতে হবে। আর শর্ত অনুযায়ী বায়নার চুক্তি অনুযায়ী রেজিস্ট্রি করার সব পদ্ধতি মেনে সাব-কবলা দলিলটি সম্পাদিত হলে সম্পাদনের পর থেকে তিন মাসের মধ্যে সাব-কবলা দলিলটি রেজিস্ট্রি করাতে হবে। আইন অনুযায়ী, তিন মাস প...

জমি কেনার আগে...

Image
তানজিম আল ইসলাম  |  আপডেট: ০০:০৭, ডিসেম্বর ১১, ২০১৩  |  প্রিন্ট সংস্করণ ৩             জমি কিনতে যাচ্ছেন? জমি কেনার আগে কিছু বিষয়ে অবশ্যই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে জমি বিক্রেতার মালিকানা এবং জমির বিভিন্ন দলিল ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে; নইলে পড়তে পারেন বিপদে, হতে পারেন প্রতারিত। জমি কেনার প্রধান পূর্বশর্ত হচ্ছে ক্রেতা হিসেবে আপনাকে সাবধান এবং সচেতন হতে হবে। হুট করে দলিলপত্রাদি যাচাই না করে জমি কেনা উচিত নয়। অনেক সময় জমির দালালদের কথায় প্ররোচিত হয়ে জমি কিনতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ার ঘটনাও দেখা যায়। মালিকানা সঠিকভাবে যাচাই করুন জমি কেনার আগে জমির মালিকানা সঠিকভাবে যাচাই করতে হবে। মাঝেমধ্যে দেখা যায়, একজনের নামের জমি অন্য একজন ভুয়া দলিল দেখিয়ে বিক্রি করেছে। পরে আসল মালিক ক্রেতাকে জড়িয়েও মামলা ঠুকে দেন। যে ব্যক্তি জমিটি বিক্রয় করবেন ওই জমিতে বিক্রয়কারীর জমির পূর্ণ মালিকানা আছে কি না, প্রথমে সে বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে। এ জন্য প্রস্তাবিত জমিটির সর্বশেষ রেকর্ডে বিক্রয়কারীর নাম উল্লেখ আছে কি না এবং সিএস, ...

জমি কিনছেন? জেনে রাখুন

prothom alo.com তানজিম আল ইসলাম | তারিখ: ১৮-১১-২০১২ ২ মন্তব্যপ্রিন্ট পরের সংবাদ» ঘটনা-এক আহমাদ সাহেব (ছদ্মনাম) মারা যাওয়ার পর তাঁর ওয়ারিশরা তাঁর সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা পায়। কিন্তু তারা সবাই মিলে মৌখিকভাবে বণ্টন করে নেয়, কে কোন জায়গা পাবে। এভাবে ভোগদখল করার পর একসময় আহমাদ সাহেবের এক ছেলে ভুয়া দলিল তৈরি করে সহ-শরিকদের অংশসহ অন্যদের অজান্তেই বিক্রি করে দেয়। এতে ক্রেতা যখন ভোগদখল নিতে আসে, তখন দলিল জালিয়াতির বিষয়টা ধরা পড়ে। ঘটনা-দুই করিম সাহেব ১৯৮০ সালে একখণ্ড জমি কেনেন এবং ক্রয়সূত্রে মালিক হন। মোট জমির পরিমাণ ৫০ শতাংশ। এ থেকে তিনি ১৫ শতাংশ জমি রফিক সাহেবের কাছে বিক্রি করে দেন এবং বাকি ২৫ শতাংশ অন্য একজনের কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু করিম সাহেবের কাছ থেকে যে ১৫ শতাংশ জমি কিনেছেন, এতে এখন সিএস খতিয়ান অনুযায়ী ৫ শতাংশের অস্তিত্ব নেই। এতে রফিক সাহেব একটু সতর্ক থাকলে এ ভুলের ফাঁদে পা দিতেন না। (ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে) জমিজমা কেনার আগে কিছু বিষয়ে অবশ্যই ক্রেতাকে সাবধান হতে হয়। জমিজমা নিয়ে ঝামেলার শেষ নেই। জমি ক্রয় করতে চাইলে অবশ্যই কিছু বিষয়ে খেয়াল না রাখলে স্...

জমি কিনছেন? জেনে রাখুন।

১৮ ই নভেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৫৫ | শেয়ারঃ 0 0 ঘটনা-এক আহমাদ সাহেব (ছদ্মনাম) মারা যাওয়ার পর তাঁর ওয়ারিশরা তাঁর সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা পায়। কিন্তু তারা সবাই মিলে মৌখিকভাবে বণ্টন করে নেয়, কে কোন জায়গা পাবে। এভাবে ভোগদখল করার পর একসময় আহমাদ সাহেবের এক ছেলে ভুয়া দলিল তৈরি করে সহ-শরিকদের অংশসহ অন্যদের অজান্তেই বিক্রি করে দেয়। এতে ক্রেতা যখন ভোগদখল নিতে আসে, তখন দলিল জালিয়াতির বিষয়টা ধরা পড়ে। ঘটনা-দুই করিম সাহেব ১৯৮০ সালে একখণ্ড জমি কেনেন এবং ক্রয়সূত্রে মালিক হন। মোট জমির পরিমাণ ৫০ শতাংশ। এ থেকে তিনি ১৫ শতাংশ জমি রফিক সাহেবের কাছে বিক্রি করে দেন এবং বাকি ২৫ শতাংশ অন্য একজনের কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু করিম সাহেবের কাছ থেকে যে ১৫ শতাংশ জমি কিনেছেন, এতে এখন সিএস খতিয়ান অনুযায়ী ৫ শতাংশের অস্তিত্ব নেই। এতে রফিক সাহেব একটু সতর্ক থাকলে এ ভুলের ফাঁদে পা দিতেন না। (ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে) জমিজমা কেনার আগে কিছু বিষয়ে অবশ্যই ক্রেতাকে সাবধান হতে হয়। জমিজমা নিয়ে ঝামেলার শেষ নেই। জমি ক্রয় করতে চাইলে অবশ্যই কিছু বিষয়ে খেয়াল না রাখলে স্বপ্নের জমি দুঃস্বপ্নের মতো হয়ে যেতে ...