গুলিতে নিহত লিমন
- Get link
- X
- Other Apps
নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ | তারিখ: ২৫-০৪-২০১৩
স্কুলছাত্র লিমন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার উপরাজারামপুরে গতকাল বুধবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে এক স্কুলছাত্র।
নিহত স্কুলছাত্রের নাম আসগর আলী লিমন। সে স্থানীয় শিয়ালা গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে এবং রাজারামপুর হামিদুল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা দেশব্যাপী ৩৬ ঘণ্টা হরতালের দ্বিতীয় দিন গতকাল সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কের উপরাজারামপুরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন হরতাল সমর্থকেরা। বেলা ১১টার দিকে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা এই প্রতিবন্ধকতা সরানোর চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মারা যায় লিমন।
নিহত লিমনের দুলাভাই মোহামঞ্চদ জিলহাজ বলেন, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির অভিযানের সময় বাড়ির পাশে একটি আমবাগানে খেলছিল লিমন। এ সময় গুলিতে মারাত্মক আহত হয় সে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লিমনের গলার ডানদিকে গুলি লেগেছে।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় লিমনকে তার আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসার জন্য জরুরি বিভাগে নেওয়া হলেও সেখানে তার মৃত্যু হয়।
লিমনের মৃত্যুর ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার বশির আহমেঞ্চদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলি ও লিমনের মৃত্যুর ব্যাপারে কিছু জানেন না।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল সরকার বলেন, ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ছেলেটি কার গুলিতে মারা গেছে সে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত নন। বিভিন্ন স্থান থেকে পাঁচজন হরতাল সমর্থককে আটক করা হয়েছে।
এদিকে ওই ঘটনার আগে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে একইস্থানে র্যাবের একটি টহল গাড়ি লক্ষ্য করে তিনটি ককটেল ছোড়েন হরতাল সমর্থকেরা। ককটেলের আঘাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা মুরাদ হাসান বেগ, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আসলাম ও উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ আহত হন। এ সময়ও পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের ব্যাপক পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। হরতাল সমর্থকদের ইটপাটকেলের জবাবে তাঁরা রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নিহত স্কুলছাত্রের নাম আসগর আলী লিমন। সে স্থানীয় শিয়ালা গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে এবং রাজারামপুর হামিদুল্লাহ উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের ডাকা দেশব্যাপী ৩৬ ঘণ্টা হরতালের দ্বিতীয় দিন গতকাল সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কের উপরাজারামপুরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন হরতাল সমর্থকেরা। বেলা ১১টার দিকে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা এই প্রতিবন্ধকতা সরানোর চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মারা যায় লিমন।
নিহত লিমনের দুলাভাই মোহামঞ্চদ জিলহাজ বলেন, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির অভিযানের সময় বাড়ির পাশে একটি আমবাগানে খেলছিল লিমন। এ সময় গুলিতে মারাত্মক আহত হয় সে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লিমনের গলার ডানদিকে গুলি লেগেছে।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় লিমনকে তার আত্মীয়-স্বজন হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসার জন্য জরুরি বিভাগে নেওয়া হলেও সেখানে তার মৃত্যু হয়।
লিমনের মৃত্যুর ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার বশির আহমেঞ্চদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলি ও লিমনের মৃত্যুর ব্যাপারে কিছু জানেন না।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল সরকার বলেন, ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ছেলেটি কার গুলিতে মারা গেছে সে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত নন। বিভিন্ন স্থান থেকে পাঁচজন হরতাল সমর্থককে আটক করা হয়েছে।
এদিকে ওই ঘটনার আগে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে একইস্থানে র্যাবের একটি টহল গাড়ি লক্ষ্য করে তিনটি ককটেল ছোড়েন হরতাল সমর্থকেরা। ককটেলের আঘাতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা মুরাদ হাসান বেগ, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আসলাম ও উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ আহত হন। এ সময়ও পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের ব্যাপক পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। হরতাল সমর্থকদের ইটপাটকেলের জবাবে তাঁরা রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments