যেভাবে উত্থান সোহেল রানার
- Get link
- X
- Other Apps
নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৬-০৪-২০১৩
মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার জয়মণ্ডপ গ্রামে থাকতেন রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা। তাঁর বাবার নাম আবদুল খালেক। ওই এলাকার লোকজন রানার বাবাকে ‘কলু খালেক’ হিসেবে চিনতেন। তিনি একসময় ফেরি করে তেল বিক্রি করতেন। প্রায় ৩০ বছর আগে তিনি সাভারে এসে ভাড়া বাসায় থেকে তেলের ব্যবসা করেন। একসময় তেলের ঘানি দেন। সেখান থেকে শুরু করেন খৈলের ব্যবসা। একপর্যায়ে সাভার নামাবাজারে তেলের মিল গড়ে তোলেন। এভাবেই সোহেল রানার পরিবারে অর্থনৈতিক উত্থান শুরু।
১৯৯৪ সালে সাভার কলেজের ভিপি ছাত্রদলের নেতা হেলালউদ্দিনের ডানহাত বলে পরিচিত গাড়িচালক জাকিরের সঙ্গে পরিচয় হয় সোহেল রানার। গাড়িচালক জাকিরের সঙ্গে সোহেল রানার বোন সুফিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। এভাবেই ছাত্রদলের নেতা হেলালউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার পরিবারের।
হেলালউদ্দিনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সোহেল রানা গড়ে তোলেন সন্ত্রাসী বাহিনী। এলাকায় তাঁর বাহিনী পরিচিতি পায় ‘রানা বাহিনী’ নামে।
সন্ত্রাসী বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে সোহেল রানা গড়ে তোলেন বিভিন্ন ব্যবসা। ২০০৭ সালে তিনি নির্মাণ করেন রানা প্লাজা।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশরাফ উদ্দিন খান জানান, অর্থ বৈভব ও প্রতিপত্তির কারণে সোহেল রানার সঙ্গে স্থানীয় সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদের সাহচর্য হয়। তাঁর সুনজরে পড়ে সোহেল রানা হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। একপর্যায়ে তাঁকে দেওয়া হয় পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ।
স্থানীয়রা জানান, হরতালবিরোধী মিছিল, সাংসদের জনসভা, সরকারি সম্পদের ইজারা—এসব কাজে সোহেল রানার একচ্ছত্র আধিপত্য গড়ে ওঠে। জমি ব্যবসার নামে নিরীহ লোকজনের জমি দখলের অভিযোগও আছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত বুধবার ভবনধসের আগেও হরতালবিরোধী মিছিল করার জন্য লোক জড়ো করেছিলেন রানা।
রানার সম্পদ
সাভার পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, ‘রানা প্লাজা’র নির্মাণ শুরু হয় ২০০৭ সালে। এর আগে জায়গাটি ছিল পরিত্যক্ত। পেছনের দিকে ছিল জলাশয়। ভবন নির্মাণ করার আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়। এর উদ্বোধন হয় ২০১০ সালে। ভবনের পেছনের অংশ রানা দখল করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাভার পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, রানা প্লাজার পেছনের অংশ সরকারি খাল হিসেবেই দেখেছেন তিনি। নাম ছিল সাধাপুর খাল। এটি দখল করে ভবন নির্মাণ করেন রানা। এ ছাড়া সাভার বাজার রোডে রানার রয়েছে আটতলা ভবন ‘রানা টাওয়ার’। এটির একটি পিলারে ফাটল দেখা দেওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভবনটি বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। আটতলার ওপরে এখনো নির্মাণকাজ চলছে। তবে ইতিমধ্যে পার্কিং থেকে তিনতলা পর্যন্ত ভাড়া দেওয়া হয়েছে। রানা টাওয়ারের পাশেই তাঁদের ছয়তলা বাসভবন রয়েছে। ধামরাইয়ের কালামপুরে রানার পরিবারের একটি ইটভাটা আছে।
১৯৯৪ সালে সাভার কলেজের ভিপি ছাত্রদলের নেতা হেলালউদ্দিনের ডানহাত বলে পরিচিত গাড়িচালক জাকিরের সঙ্গে পরিচয় হয় সোহেল রানার। গাড়িচালক জাকিরের সঙ্গে সোহেল রানার বোন সুফিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। এভাবেই ছাত্রদলের নেতা হেলালউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার পরিবারের।
হেলালউদ্দিনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে সোহেল রানা গড়ে তোলেন সন্ত্রাসী বাহিনী। এলাকায় তাঁর বাহিনী পরিচিতি পায় ‘রানা বাহিনী’ নামে।
সন্ত্রাসী বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে সোহেল রানা গড়ে তোলেন বিভিন্ন ব্যবসা। ২০০৭ সালে তিনি নির্মাণ করেন রানা প্লাজা।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশরাফ উদ্দিন খান জানান, অর্থ বৈভব ও প্রতিপত্তির কারণে সোহেল রানার সঙ্গে স্থানীয় সাংসদ তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদের সাহচর্য হয়। তাঁর সুনজরে পড়ে সোহেল রানা হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। একপর্যায়ে তাঁকে দেওয়া হয় পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ।
স্থানীয়রা জানান, হরতালবিরোধী মিছিল, সাংসদের জনসভা, সরকারি সম্পদের ইজারা—এসব কাজে সোহেল রানার একচ্ছত্র আধিপত্য গড়ে ওঠে। জমি ব্যবসার নামে নিরীহ লোকজনের জমি দখলের অভিযোগও আছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত বুধবার ভবনধসের আগেও হরতালবিরোধী মিছিল করার জন্য লোক জড়ো করেছিলেন রানা।
রানার সম্পদ
সাভার পৌরসভা সূত্র জানিয়েছে, ‘রানা প্লাজা’র নির্মাণ শুরু হয় ২০০৭ সালে। এর আগে জায়গাটি ছিল পরিত্যক্ত। পেছনের দিকে ছিল জলাশয়। ভবন নির্মাণ করার আগে বালু ফেলে ভরাট করা হয়। এর উদ্বোধন হয় ২০১০ সালে। ভবনের পেছনের অংশ রানা দখল করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাভার পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, রানা প্লাজার পেছনের অংশ সরকারি খাল হিসেবেই দেখেছেন তিনি। নাম ছিল সাধাপুর খাল। এটি দখল করে ভবন নির্মাণ করেন রানা। এ ছাড়া সাভার বাজার রোডে রানার রয়েছে আটতলা ভবন ‘রানা টাওয়ার’। এটির একটি পিলারে ফাটল দেখা দেওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার ভবনটি বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। আটতলার ওপরে এখনো নির্মাণকাজ চলছে। তবে ইতিমধ্যে পার্কিং থেকে তিনতলা পর্যন্ত ভাড়া দেওয়া হয়েছে। রানা টাওয়ারের পাশেই তাঁদের ছয়তলা বাসভবন রয়েছে। ধামরাইয়ের কালামপুরে রানার পরিবারের একটি ইটভাটা আছে।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments