Posts

Showing posts with the label আওয়ামী ত্রাস

ময়মনসিংহে হেফাজত-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষ,আহত ৩০

স্টাফ রিপোর্টার হরতাল চলাকালে ময়মনসিংহে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। আজ বেলা ১১টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হরতালের সমর্থনে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করলে আওয়ামী লীগ তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এই ঘটনায় আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

নাটোরে হেফাজত কর্মী সন্দেহে দুই প্রভাষককে যুবলীগের মারধর

নাটোর প্রতিনিধি নাটোর সদরের বাসুদেবপুরে হেফাজতে ইসলামের কর্মী সন্দেহে শাঁখারিপাড়া মাদরাসার দুই প্রভাষককে মারধর ও মোটরসাইকেল ভাংচুর করেছে স্থানীয় যুবলীগ কর্মীরা। প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, আজ দুপুরে নাটোরের নলডাঙ্গা থানার শাখারীপাড়া ফাজিল মাদরাসার আরবী প্রভাষক জালাল উদ্দিন ও গণিত বিভাগের প্রভাষক ফরহাদ হোসেন মাদরাসা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে বাসুদেবপুর বাজারের পাশে কাউন্সিল মোড়ে এলাকায় পৌছলে নলডাঙ্গা থানা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম লিটন ও তার সমর্থক তাদের গতিরোধ করে। এরপর হেফাজত কর্মী সন্দেহে তাদের মারধর করে ও মোটর সাইকেলে ভাংচুর করে পুড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বেসরকারী ক্লিনিকে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে নলডাঙ্গা থানা যুবলীগের সভাপতি রেজাউল করিম মারধর ও ভাংচুরের কথা অস্বীকার করলেও লাঞ্ছিত করার কথা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা চলছে। নাটোরের নলডাঙ্গা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, এখনও এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। 

চট্টগ্রামে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সংঘর্ষ,গুলিবিদ্ধ ২০

স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রামের ওয়াসা মোড়ে ও লালখান বাজারে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। এতে পুলিশ ও ছাত্রলীগের গুলিতে কমপক্ষে ২০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এসময় বেশ কয়েকটি দোকান ভাংচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ একশ রাউন্ড টিয়ারশেল ও বারার বুলেট নিক্ষেপ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,আজ সকাল পৌনে ১১টার দিকে নগরীর ওয়াসা মোড় ও লালখান বাজারে হেফাজত কর্মীরা হরতাল সমর্থনে মিছিল বের করে। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের বাধা দেয় এবং হেফাজত কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে হেফাজত কর্মীদের ধাওয়া দেয়। এসময় হেফাজত কর্মীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একসময় পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এসময় ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে ২০ জন গুলিবিদ্ধ হয়। সেসময় বেশ কয়েকটি দোকান পাট ভাংচুর করা হয়।