চাল বেচে ইউএনওর গাড়িতে এসি!
- Get link
- X
- Other Apps
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী | তারিখ: ২১-০৪-২০১৩
রাজশাহীর তানোরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় টেস্ট রিলিফের (টিআর) চাল বিক্রি করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
একইভাবে টিআরের চাল বেচে ইউএনও ও পিআইও কার্যালয়ের টেবিল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের ফ্যাক্স মেশিন, প্রিন্টার ও অন্যান্য সরাঞ্জাম কেনা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে; যদিও বিধি অনুযায়ী ইউএনও তাঁর গাড়িতে এসি ব্যবহার করতে পারেন না।
পিআইও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলায় ২০১২-১৩ অর্থবছরে দ্বিতীয় পর্যায়ের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ১৫৭টি প্রকল্পের বিপরীতে ২৬৭ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন চাল ও গম বরাদ্দ মেলে। এর মধ্যে সাধারণ বরাদ্দ ১২৭ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন চাল এবং স্থানীয় সাংসদের বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে ১৪০ মেট্রিক টন গম রয়েছে। সাধারণ বরাদ্দ থেকে ২৩ দশমিক ২২৪ মেট্রিক টন চাল বিক্রি করে ইউএনও ও পিআইওর দপ্তরের সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে। এ জন্য মোট ছয়টি প্রকল্প দেখানো হয়েছে। কৌশলে ছয়টি প্রকল্পেরই সভাপতি করা হয়েছে উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্যকে। কাগজ-কলমে তিনি সভাপতি হলেও তাঁর ইউনিয়নে ওই বরাদ্দের কোনো কাজ করা হয়নি।
পিআইওর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৩ দশমিক ২২৪ মেট্রিক টন চালের মধ্যে পিআইও কার্যালয়ের ফ্যাক্স, স্ট্যাবিলাইজার, প্রিন্টার ও ইউপিএস কেনার জন্য প্রকল্প দেখিয়ে ৩ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ নেওয়া হয়। এ ছাড়া উপজেলা চত্বরে সৌরবিদ্যুতের জন্য সাড়ে তিন মেট্রিক টন, ইউএনওর জিপগাড়িতে এসি সংযোজনের জন্য প্রকল্প দেখিয়ে আড়াই মেট্রিক টন, উপজেলা হলরুমে পুরোনো চেয়ার ও গোল টেবিল সংস্কার বাবদ পাঁচ মেট্রিক টন, ইউএনও ও পিআইওর কার্যালয়ের টেবিল কেনা বাবদ দুই মেট্রিক টন এবং পিআইও কার্যালয়ের নামে অপর একটি প্রকল্প দেখিয়ে তাতে সাড়ে ছয় মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে।
ওই ছয় প্রকল্পের কাজগুলো করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তালন্দ ইউপির সদস্য সামসুদ্দিন জানান, এখনো কাজের সময় আছে, করবেন। শেষ সময় কবে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ ব্যাপারে পিআইও জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সহকারী পিআইও জাকির হোসেন ওই ছয় প্রকল্পে বরাদ্দের কথা স্বীকার করে বলেন, টিআর বিক্রির বিধান রয়েছে। টিআর বিক্রি করে এসব কাজ করা যায়।
তানোরের ইউএনও কাজী জিয়াউল বাসেত বলেন, উপজেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য টিআর ব্যবহার করা যায়। তবে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আবদুল হান্নান প্রকল্পগুলোর নাম শুনে বলেন, ‘এসব প্রকল্পে টিআর ব্যবহার করা যাবে না। ইউএনও তাঁর গাড়িতে এসি ব্যবহার করতে পারেন না।’
একইভাবে টিআরের চাল বেচে ইউএনও ও পিআইও কার্যালয়ের টেবিল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের ফ্যাক্স মেশিন, প্রিন্টার ও অন্যান্য সরাঞ্জাম কেনা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে; যদিও বিধি অনুযায়ী ইউএনও তাঁর গাড়িতে এসি ব্যবহার করতে পারেন না।
পিআইও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলায় ২০১২-১৩ অর্থবছরে দ্বিতীয় পর্যায়ের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ১৫৭টি প্রকল্পের বিপরীতে ২৬৭ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন চাল ও গম বরাদ্দ মেলে। এর মধ্যে সাধারণ বরাদ্দ ১২৭ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন চাল এবং স্থানীয় সাংসদের বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে ১৪০ মেট্রিক টন গম রয়েছে। সাধারণ বরাদ্দ থেকে ২৩ দশমিক ২২৪ মেট্রিক টন চাল বিক্রি করে ইউএনও ও পিআইওর দপ্তরের সরঞ্জাম কেনা হচ্ছে। এ জন্য মোট ছয়টি প্রকল্প দেখানো হয়েছে। কৌশলে ছয়টি প্রকল্পেরই সভাপতি করা হয়েছে উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্যকে। কাগজ-কলমে তিনি সভাপতি হলেও তাঁর ইউনিয়নে ওই বরাদ্দের কোনো কাজ করা হয়নি।
পিআইওর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৩ দশমিক ২২৪ মেট্রিক টন চালের মধ্যে পিআইও কার্যালয়ের ফ্যাক্স, স্ট্যাবিলাইজার, প্রিন্টার ও ইউপিএস কেনার জন্য প্রকল্প দেখিয়ে ৩ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ নেওয়া হয়। এ ছাড়া উপজেলা চত্বরে সৌরবিদ্যুতের জন্য সাড়ে তিন মেট্রিক টন, ইউএনওর জিপগাড়িতে এসি সংযোজনের জন্য প্রকল্প দেখিয়ে আড়াই মেট্রিক টন, উপজেলা হলরুমে পুরোনো চেয়ার ও গোল টেবিল সংস্কার বাবদ পাঁচ মেট্রিক টন, ইউএনও ও পিআইওর কার্যালয়ের টেবিল কেনা বাবদ দুই মেট্রিক টন এবং পিআইও কার্যালয়ের নামে অপর একটি প্রকল্প দেখিয়ে তাতে সাড়ে ছয় মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে।
ওই ছয় প্রকল্পের কাজগুলো করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তালন্দ ইউপির সদস্য সামসুদ্দিন জানান, এখনো কাজের সময় আছে, করবেন। শেষ সময় কবে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ ব্যাপারে পিআইও জিয়াউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
সহকারী পিআইও জাকির হোসেন ওই ছয় প্রকল্পে বরাদ্দের কথা স্বীকার করে বলেন, টিআর বিক্রির বিধান রয়েছে। টিআর বিক্রি করে এসব কাজ করা যায়।
তানোরের ইউএনও কাজী জিয়াউল বাসেত বলেন, উপজেলা পরিষদের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য টিআর ব্যবহার করা যায়। তবে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আবদুল হান্নান প্রকল্পগুলোর নাম শুনে বলেন, ‘এসব প্রকল্পে টিআর ব্যবহার করা যাবে না। ইউএনও তাঁর গাড়িতে এসি ব্যবহার করতে পারেন না।’
- Get link
- X
- Other Apps
Comments