ঝিনাইদহ দিনাজপুর চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীতে পাঁচজনের মৃত্যু : শৈলকূপায় মারা পড়েছে ১১ হাজার পাখি
ডেস্ক রিপোর্ট
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও দিনাজপুরে কালবৈশাখীর আঘাতে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহে তিন এবং চুয়াডাঙ্গা ও দিনাজপুরে মারা গেছেন একজন করে। এছাড়া ঝিনাইদহে ঝড়ে তিন শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। জেলার শৈলকূপায় মারা পড়েছে ১১ হাজার দেশীয় প্রজাতির পাখি।
বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :
ঝিনাইদহে তিনজনের মৃত্যু, শতাধিক ঘর-বাড়ি তছনছ : ঝিনাইদহে কালবৈশাখী ঝড়ে তিনজনের মৃত্যু ও শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে দুই সহোদর ও ঘর চাপায় বৃদ্ধ মারা গেছে। নিহতরা হলেন, শৈলকূপা উপজেলার বারইহুদা গ্রামের কাশেম মোল্লার দুই ছেলে তুহিন (১৪), সুহিন (১০) ও উপজেলার মালিথিয়া গ্রামের বৃদ্ধ সলেমান বিশ্বাস (৬২)। এছাড়া ঝড়ে কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক খাজা আবদুল হান্নান জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে শৈলকূপা উপজেলার বারইহুদা গ্রামে নিজ ঘরে শুয়ে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে কাশেম মোল্লার দুই ছেলে তুহিন ও সুহিন এবং কন্যা কাজলী (২৫) মারাত্মকভাবে আহত হয়। তাদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রাত ১টার দিকে নেয়া হলে চিকিত্সক তুহিন ও সুহিনকে মৃত ঘোষণা করে।
এদিকে কালবৈশাখী ঝড়ে জেলার শৈলকূপা উপজেলার ৭/৮টি গ্রাম, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৪/৫ গ্রামসহ কোটচাঁদপুর, হরিণাকুণ্ডু, কালীগঞ্জ ও মহেশপুর উপজেলার ৩ শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত হয়। এ সময় গাছপালা ও ফসলের মাঠ ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়। বিশেষ করে ধান, কলা ও পান বরজের বেশি ক্ষতি হয়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিদ্যুত্ লাইনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কোটচাঁদপুর উপজেলা শহরে গত রাত থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুত্ বন্ধ রয়েছে।
শৈলকূপায় মারা গেছে ১১ হাজার দেশীয় প্রজাতির পাখি পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে যে কৃষকরা মাঠের ক্লান্তি দূর করত, আজ হাজার হাজার পাখির মৃত্যুতে তাদের চোখে করুণ চাহনি। গতকাল সকালে কৃষকরা মাঠে গিয়ে দেখেন মাঠের পর মাঠ এলোমেলো পড়ে আছে হরেক রকম চিরচেনা দেশীয় প্রজাতির পাখি। শুক্রবার রাতের কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কবলে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মদনপুর গ্রামের মাঠে তিনটি বাগানে থাকা প্রায় ১১ হাজার পাখি মারা গেছে। এসব পাখির মধ্যে রয়েছে শালিখ, চড়ুই, ঘুঘু, টিয়া, দোয়েল, সুইচড়া ও কোকিল।
শৈলকূপা উপজেলার হাটফাজিলপুর-মদনপুর গ্রামের মাঠে রয়েছে তিনটি মেহগনি গাছের বাগান। এখানে বছরের পর বছর দেশীয় প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় অসংখ্য পাখি নিরাপদে বাস করে আসছে। কৃষি ও পরিবেশবান্ধব পাখি হওয়ায় এলাকাবাসী তাদের রক্ষা করত।
ফাজিলপুর গ্রামের আবদুল আলীম জানান, এলাকার বাবুল বিশ্বাস ও আয়ুব বিশ্বাসের বাগানে অভয়ারণ্যের মতো বছরের পর বছর ধরে দেশীয় প্রজাতির পাখি বসবাস করে আসছিল।
বারইহুদা গ্রামের শাহজাহান আলী, স্কুলছাত্র তানিম ইসলাম জানান, ঝড়ের কবলে একসঙ্গে এত পাখি মারা যাওয়ার ঘটনা বিস্ময়কর। দেশীয় প্রজাতির ১১ সহস্রাধিক পাখি মৃত্যুর ঘটনায় প্রভাষক স্বপন বাগচী বলেন, এর ফলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। শৈলকূপা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তা আবুল বাসার জানান, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
চুয়াডাঙ্গায় একজনের মৃত্যু : চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে জেলার জীবননগর উপজেলার কাটাপোল গ্রামে নুর ইসলাম নামে একজন নিহত হয়েছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে ঝড়ের কবলে পড়ে ও বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়েছে কমপক্ষে আরও ১৫ জন।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কালবৈশাখী ঝড় চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর আঘাত হানে। ঝড়ে জেলা সদর, জীবননগর, দামুড়হুদা ও আলমডাঙ্গা উপজেলার কমপক্ষে ৪০টি গ্রামের কাচা ঘরবাড়ি, গাছপালা এবং মাঠে থাকা ধান, ভুট্টা, কলাবাগানসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বৈশাখী মেলার প্রায় ২০টি স্টল লণ্ডভণ্ড হয়েছে।
দিনাজপুরে নিহত ১, ব্যাপক ক্ষতি : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বৃহস্পতিবার রাতে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে দেয়াল চাপা পড়ে ঝেলো মাই (৯০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছে। উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের রামরায়পুর ফকির পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে ।
ঝড়ে শত শত একর জমির উঠতি ইরি-বোরো ফসল ও ভুট্টা ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতিসহ অসংখ্য গাছপালা ভেঙে পড়েছে। ফলন্ত গুটি আম ব্যাপকহারে ঝরে পড়েছে। ধসে পড়েছে শতাধিক কাচা ঘর-বাড়ি।
পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেনুল ইসলাম দেয়াল চাপা পড়ে একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে।
অপরদিকে, চিরিরবন্দর উপজেলার বৈদেশিরহাট খামার কৃষ্ণপুর, খামার বিঞপুর আউলিয়াপুর, ছোট বাউল, অমরপুর, আন্ধারমুহা নান্দেড়াই বাসুদেবপুর গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বিভিন্ন মৌসুমি ফসল, ঘর-বাড়ি দোকানপাট, গাছপালা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। ঝড়ে কোনো কোনো গ্রামে ছোট-বড় ও মাঝারি ধরনের শিলাবৃষ্টি হয়।
চিরিরবন্দর গ্রামের সাইমুল ইসলাম জানান, শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে কারেন্টহাট ডিগ্রি কলেজ ও বেলতলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এদিকে জেলার বিরল উপজেলার কয়েকটি গ্রামে লিচুসহ বিভিন্ন ফলের গাছ ভেঙে পড়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী ।
বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :
ঝিনাইদহে তিনজনের মৃত্যু, শতাধিক ঘর-বাড়ি তছনছ : ঝিনাইদহে কালবৈশাখী ঝড়ে তিনজনের মৃত্যু ও শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে দুই সহোদর ও ঘর চাপায় বৃদ্ধ মারা গেছে। নিহতরা হলেন, শৈলকূপা উপজেলার বারইহুদা গ্রামের কাশেম মোল্লার দুই ছেলে তুহিন (১৪), সুহিন (১০) ও উপজেলার মালিথিয়া গ্রামের বৃদ্ধ সলেমান বিশ্বাস (৬২)। এছাড়া ঝড়ে কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক খাজা আবদুল হান্নান জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে শৈলকূপা উপজেলার বারইহুদা গ্রামে নিজ ঘরে শুয়ে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে কাশেম মোল্লার দুই ছেলে তুহিন ও সুহিন এবং কন্যা কাজলী (২৫) মারাত্মকভাবে আহত হয়। তাদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রাত ১টার দিকে নেয়া হলে চিকিত্সক তুহিন ও সুহিনকে মৃত ঘোষণা করে।
এদিকে কালবৈশাখী ঝড়ে জেলার শৈলকূপা উপজেলার ৭/৮টি গ্রাম, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৪/৫ গ্রামসহ কোটচাঁদপুর, হরিণাকুণ্ডু, কালীগঞ্জ ও মহেশপুর উপজেলার ৩ শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত হয়। এ সময় গাছপালা ও ফসলের মাঠ ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়। বিশেষ করে ধান, কলা ও পান বরজের বেশি ক্ষতি হয়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিদ্যুত্ লাইনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কোটচাঁদপুর উপজেলা শহরে গত রাত থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুত্ বন্ধ রয়েছে।
শৈলকূপায় মারা গেছে ১১ হাজার দেশীয় প্রজাতির পাখি পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে যে কৃষকরা মাঠের ক্লান্তি দূর করত, আজ হাজার হাজার পাখির মৃত্যুতে তাদের চোখে করুণ চাহনি। গতকাল সকালে কৃষকরা মাঠে গিয়ে দেখেন মাঠের পর মাঠ এলোমেলো পড়ে আছে হরেক রকম চিরচেনা দেশীয় প্রজাতির পাখি। শুক্রবার রাতের কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কবলে ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মদনপুর গ্রামের মাঠে তিনটি বাগানে থাকা প্রায় ১১ হাজার পাখি মারা গেছে। এসব পাখির মধ্যে রয়েছে শালিখ, চড়ুই, ঘুঘু, টিয়া, দোয়েল, সুইচড়া ও কোকিল।
শৈলকূপা উপজেলার হাটফাজিলপুর-মদনপুর গ্রামের মাঠে রয়েছে তিনটি মেহগনি গাছের বাগান। এখানে বছরের পর বছর দেশীয় প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় অসংখ্য পাখি নিরাপদে বাস করে আসছে। কৃষি ও পরিবেশবান্ধব পাখি হওয়ায় এলাকাবাসী তাদের রক্ষা করত।
ফাজিলপুর গ্রামের আবদুল আলীম জানান, এলাকার বাবুল বিশ্বাস ও আয়ুব বিশ্বাসের বাগানে অভয়ারণ্যের মতো বছরের পর বছর ধরে দেশীয় প্রজাতির পাখি বসবাস করে আসছিল।
বারইহুদা গ্রামের শাহজাহান আলী, স্কুলছাত্র তানিম ইসলাম জানান, ঝড়ের কবলে একসঙ্গে এত পাখি মারা যাওয়ার ঘটনা বিস্ময়কর। দেশীয় প্রজাতির ১১ সহস্রাধিক পাখি মৃত্যুর ঘটনায় প্রভাষক স্বপন বাগচী বলেন, এর ফলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। শৈলকূপা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তা আবুল বাসার জানান, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
চুয়াডাঙ্গায় একজনের মৃত্যু : চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে জেলার জীবননগর উপজেলার কাটাপোল গ্রামে নুর ইসলাম নামে একজন নিহত হয়েছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে ঝড়ের কবলে পড়ে ও বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়েছে কমপক্ষে আরও ১৫ জন।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কালবৈশাখী ঝড় চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর আঘাত হানে। ঝড়ে জেলা সদর, জীবননগর, দামুড়হুদা ও আলমডাঙ্গা উপজেলার কমপক্ষে ৪০টি গ্রামের কাচা ঘরবাড়ি, গাছপালা এবং মাঠে থাকা ধান, ভুট্টা, কলাবাগানসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বৈশাখী মেলার প্রায় ২০টি স্টল লণ্ডভণ্ড হয়েছে।
দিনাজপুরে নিহত ১, ব্যাপক ক্ষতি : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বৃহস্পতিবার রাতে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে দেয়াল চাপা পড়ে ঝেলো মাই (৯০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছে। উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের রামরায়পুর ফকির পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে ।
ঝড়ে শত শত একর জমির উঠতি ইরি-বোরো ফসল ও ভুট্টা ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতিসহ অসংখ্য গাছপালা ভেঙে পড়েছে। ফলন্ত গুটি আম ব্যাপকহারে ঝরে পড়েছে। ধসে পড়েছে শতাধিক কাচা ঘর-বাড়ি।
পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেনুল ইসলাম দেয়াল চাপা পড়ে একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে।
অপরদিকে, চিরিরবন্দর উপজেলার বৈদেশিরহাট খামার কৃষ্ণপুর, খামার বিঞপুর আউলিয়াপুর, ছোট বাউল, অমরপুর, আন্ধারমুহা নান্দেড়াই বাসুদেবপুর গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বিভিন্ন মৌসুমি ফসল, ঘর-বাড়ি দোকানপাট, গাছপালা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। ঝড়ে কোনো কোনো গ্রামে ছোট-বড় ও মাঝারি ধরনের শিলাবৃষ্টি হয়।
চিরিরবন্দর গ্রামের সাইমুল ইসলাম জানান, শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে কারেন্টহাট ডিগ্রি কলেজ ও বেলতলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এদিকে জেলার বিরল উপজেলার কয়েকটি গ্রামে লিচুসহ বিভিন্ন ফলের গাছ ভেঙে পড়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী ।
Comments