Posts

Showing posts with the label আওয়ামী দুর্নীতি

এই বেলা নে ঘর ছেয়ে

Image
সৈয়দ আবুল মকসুদ  |  আপডেট:  ০০:৫৪, জুন ৩০, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ১০ Like ১৭       শিয়ালদা থেকে ট্রেনে বোলপুর গিয়ে নামলাম। শান্তিনিকেতনে যাব কয়েক দিনের জন্য বেড়াতে। ওই ট্রেনেরই এক যাত্রীকে কয়েকজন যুবক-যুবতী স্টেশনে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানালেন। স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক সম্ভ্রান্ত মধ্যবিত্ত ভদ্রলোক। তিনি অন্য ট্রেনে কোথাও যাবেন। তিনি তাঁর পরিচিত ওই যাত্রীকে বললেন, খুব যে দাঁত কেলাচ্ছ হে? পুষ্পস্তবক হাতে যাত্রী বললেন, কাজটা হয়ে গেছে। ভদ্রলোক বললেন, খুব ভালো, খুব ভালো। তাঁর ট্রেন এসে গিয়েছিল। ঘণ্টা বেজে উঠেছে। তিনি হনহন করে হেঁটে যেতে যেতে বললেন, এই বেলা নে ঘর ছেয়ে। মানুষের জীবনে সুযোগ সব সময় আসে না। দাঁও মারার লগ্ন আছে। সেই শুভক্ষণটি ধরতে হয়। নিজের ঘরের ফুটো চালটি ছেয়ে নেওয়ার সুযোগ সব সময় পাওয়া যায় না। বোলপুর স্টেশনের ওই যাত্রী সিপিএমের এক বিধায়ক বা মন্ত্রীকে ধরে একটি লাভজনক কাজ বাগিয়ে নিয়ে এসেছিলেন কলকাতা থেকে। তাই তাঁকে শুনিয়ে বোলপুরী ভদ্রলোক স্বগতোক্তির মতো বলছিলেন, এই বেলা নে ঘর ছেয়ে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তখ...

আওয়ামী লীগের পাতানো খেলা

Image
আওয়ামী লীগের পাতানো খেলা সৈয়দ আবদুল আহমদ « আগের সংবাদ 154 পরের সংবাদ» ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন বুধবার ঢাকা নগরীতে উচ্ছ্বাস ছিল না। খোঁপায় হলুদ গাঁদা ফুল আর বাসন্তি রঙের শাড়ি পরে যে তরুণীরা নগরী মাতিয়ে তুলতেন, এবার সে দৃশ্যও তেমন চোখে পড়েনি। বৃহস্পতিবার ভালোবাসা দিবসটিও ছিল অনেকটা বিবর্ণ। দু’দিন ধরে রমনা পার্ক বন্ধ। হাজার হাজার নাগরিকের প্রাত ও বৈকালিক ভ্রমণেও ছেদ পড়েছে। কারণ উদ্ভট উঠের পিঠে চলেছে স্বদেশ। মানুষের মনে অজানা শংকা। তারা কিছুই ভেবে পাচ্ছে না। কেন এই অস্থিরতা? এজন্য কে দায়ী? অনেকেই মনে করেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মতলবী কর্মকাণ্ডের ফলেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তারা গোটা দেশকেই সন্ত্রস্ত করে ফেলেছে। আসলেই আওয়ামী লীগ এমন এক রাজনৈতিক দল, সবকিছুই নিজের স্বার্থে তারা করে থাকে। ক্ষমতায় যাওয়া, ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা এবং লুটপাট-দুর্নীতি ও দলের কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে ফ্যাসিবাদ তাদের হাতিয়ার। মুখে গণতন্ত্রের বুলি আওড়ালেও ফ্যাসিবাদ দিয়েই তারা সবকিছু বিচার করে। প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ৬৫ বছরের রাজনীতি পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, দেশের ও জনগণের স্বার্থের...

আওয়ামী লীগের পাতানো খেলা

Image
আওয়ামী লীগের পাতানো খেলা সৈয়দ আবদুল আহমদ « আগের সংবাদ 154 পরের সংবাদ» ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন বুধবার ঢাকা নগরীতে উচ্ছ্বাস ছিল না। খোঁপায় হলুদ গাঁদা ফুল আর বাসন্তি রঙের শাড়ি পরে যে তরুণীরা নগরী মাতিয়ে তুলতেন, এবার সে দৃশ্যও তেমন চোখে পড়েনি। বৃহস্পতিবার ভালোবাসা দিবসটিও ছিল অনেকটা বিবর্ণ। দু’দিন ধরে রমনা পার্ক বন্ধ। হাজার হাজার নাগরিকের প্রাত ও বৈকালিক ভ্রমণেও ছেদ পড়েছে। কারণ উদ্ভট উঠের পিঠে চলেছে স্বদেশ। মানুষের মনে অজানা শংকা। তারা কিছুই ভেবে পাচ্ছে না। কেন এই অস্থিরতা? এজন্য কে দায়ী? অনেকেই মনে করেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মতলবী কর্মকাণ্ডের ফলেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তারা গোটা দেশকেই সন্ত্রস্ত করে ফেলেছে। আসলেই আওয়ামী লীগ এমন এক রাজনৈতিক দল, সবকিছুই নিজের স্বার্থে তারা করে থাকে। ক্ষমতায় যাওয়া, ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা এবং লুটপাট-দুর্নীতি ও দলের কর্মকাণ্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে ফ্যাসিবাদ তাদের হাতিয়ার। মুখে গণতন্ত্রের বুলি আওড়ালেও ফ্যাসিবাদ দিয়েই তারা সবকিছু বিচার করে। প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ৬৫ বছরের রাজনীতি পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, দেশের ও জনগণের স্বার্থের...

মন্ত্রিসভায় রাজাকার রেখে বিচার করা যায় না

Image
মন্ত্রিসভায় রাজাকার রেখে বিচার করা যায় না - কাদের সিদ্দিকী : মখাকে গ্রেফতার করুন আমি সাক্ষ্য দেব স্টাফ রিপোর্টার « আগের সংবাদ 205 পরের সংবাদ» সরকারের ইশারায় শাহবাগের আন্দোলন হয়ে থাকলে এ আন্দোলনের চার পয়সার দামও নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। তিনি ’৭১ এর চিহ্নিত রাজাকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে একজন রাজাকারকে বসিয়ে রেখে রাজাকারের বিচার করা যায় না। তাকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করে ’৭১ এর অপরাধের দায়ে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। তার বিচার করুন-কেউ সাক্ষ্য না দিলে আমি আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য দেব। আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ বলে রাজাকার আশিকুর রহমানের বিচার করবেন না তা হবে না। তারা ’৭১ এ পাকিস্তান সরকারের ডিসি ছিলেন। একজন রাজাকার কি অপরাধ করেছে, তারা কয়েক হাজার রাজাকারের চেয়ে বেশি অপরাধ করেছে। আমরা সব রাজাকারের বিচার চাই। সরকার প্রধান শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ করলে রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যাবে আর আওয়ামী লীগ না করলে মুক্তিযোদ...

মন্ত্রিসভায় রাজাকার রেখে বিচার করা যায় না

Image
মন্ত্রিসভায় রাজাকার রেখে বিচার করা যায় না - কাদের সিদ্দিকী : মখাকে গ্রেফতার করুন আমি সাক্ষ্য দেব স্টাফ রিপোর্টার « আগের সংবাদ 205 পরের সংবাদ» সরকারের ইশারায় শাহবাগের আন্দোলন হয়ে থাকলে এ আন্দোলনের চার পয়সার দামও নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। তিনি ’৭১ এর চিহ্নিত রাজাকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে একজন রাজাকারকে বসিয়ে রেখে রাজাকারের বিচার করা যায় না। তাকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করে ’৭১ এর অপরাধের দায়ে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। তার বিচার করুন-কেউ সাক্ষ্য না দিলে আমি আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য দেব। আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ বলে রাজাকার আশিকুর রহমানের বিচার করবেন না তা হবে না। তারা ’৭১ এ পাকিস্তান সরকারের ডিসি ছিলেন। একজন রাজাকার কি অপরাধ করেছে, তারা কয়েক হাজার রাজাকারের চেয়ে বেশি অপরাধ করেছে। আমরা সব রাজাকারের বিচার চাই। সরকার প্রধান শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ করলে রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যাবে আর আওয়ামী লীগ না করলে মুক্তিযোদ...

শিবপুরে পুলিশি তা-ব দোকান ভাঙচুর লুটপাট আহত ১৫

শিবপুরে পুলিশি তা-ব দোকান ভাঙচুর  লুটপাট আহত ১৫ নরসিংদী জেলা সংবাদদাতা : ‘ভাই আমার পিতাকে মারবেন না। আমার পিতা একজন হাঁপানি রোগী। তাকে মারলে তিনি মরে যাবেন।’ বাবা আমার পুত্রকে মারবেন না। আমার পুত্র একজন গলা অপারেশনের রোগী। তাকে মারলে সে বাঁচবে না।’ পিতাকে বাঁচাতে পুত্রের এবং পুত্রকে বাঁচাতে পিতার এই প্রাণান্তকর আকুতিও পুলিশি নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি হাসমত উল্লাহ নামে ৭০ বছরের বৃদ্ধ এবং সাইফুল ইসলাম নামে অসুস্থ পুত্রকে। সকল মানবিক আবেদনকে পদদলিত করে পুলিশ অসুস্থ দুই পিতাপুত্রকে মধ্যযুগীয় পাইক-পেয়াদাদের কায়দায় নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করেছে।  গত শুক্রবার রাত ৯টায় শিবপুর উপজেলার সিএন্ডবি বাজারে পুলিশ এই তান্ডব চালিয়েছে। একই সময় পুলিশের পিটুনিতে আহত হয়েছে কমবেশি ১৫ জন নারী ও পুরুষ। পুলিশ ভাঙচুর করেছে ৫/৬টি দোকান ও বাড়িঘর। পুলিশের নির্মমতার হাত থেকে মহিলারা পর্যন্ত রক্ষা পায়নি। এলাকাবাসী জানিয়েছে, শিবপুর থানার দারোগা নূরুল ইসলাম প্রায়ই সিএন্ডবি বাজার এলাকায় গিয়ে ফেন্সিডিল বিক্রির মিথ্যা আন্জাম দিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে আসছে। কয়েকদিন আগে এই দারো...

শিবপুরে পুলিশি তা-ব দোকান ভাঙচুর লুটপাট আহত ১৫

শিবপুরে পুলিশি তা-ব দোকান ভাঙচুর  লুটপাট আহত ১৫ নরসিংদী জেলা সংবাদদাতা : ‘ভাই আমার পিতাকে মারবেন না। আমার পিতা একজন হাঁপানি রোগী। তাকে মারলে তিনি মরে যাবেন।’ বাবা আমার পুত্রকে মারবেন না। আমার পুত্র একজন গলা অপারেশনের রোগী। তাকে মারলে সে বাঁচবে না।’ পিতাকে বাঁচাতে পুত্রের এবং পুত্রকে বাঁচাতে পিতার এই প্রাণান্তকর আকুতিও পুলিশি নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি হাসমত উল্লাহ নামে ৭০ বছরের বৃদ্ধ এবং সাইফুল ইসলাম নামে অসুস্থ পুত্রকে। সকল মানবিক আবেদনকে পদদলিত করে পুলিশ অসুস্থ দুই পিতাপুত্রকে মধ্যযুগীয় পাইক-পেয়াদাদের কায়দায় নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করেছে।  গত শুক্রবার রাত ৯টায় শিবপুর উপজেলার সিএন্ডবি বাজারে পুলিশ এই তান্ডব চালিয়েছে। একই সময় পুলিশের পিটুনিতে আহত হয়েছে কমবেশি ১৫ জন নারী ও পুরুষ। পুলিশ ভাঙচুর করেছে ৫/৬টি দোকান ও বাড়িঘর। পুলিশের নির্মমতার হাত থেকে মহিলারা পর্যন্ত রক্ষা পায়নি। এলাকাবাসী জানিয়েছে, শিবপুর থানার দারোগা নূরুল ইসলাম প্রায়ই সিএন্ডবি বাজার এলাকায় গিয়ে ফেন্সিডিল বিক্রির মিথ্যা আন্জাম দিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে আসছে। কয়েকদিন আগে এই দারো...

কে কত ঘুষ নিয়েছেন তার তালিকা হচ্ছে

Image
কে কত ঘুষ নিয়েছেন তার তালিকা হচ্ছে অনিকা ফারজানা |  তারিখ: ০৩-০২-২০১৩ ৭ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» ব্যাংকিং খাতে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনার মূল প্রতিষ্ঠান হল-মার্ক গ্রুপের কাছ থেকে কে কত টাকা ঘুষ নিয়েছেন, সেই তালিকা তৈরি হচ্ছে। হল-মার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদ অবৈধ উপায়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে ব্যাংকের পরিচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাকে কত পরিমাণ ঘুষ দিয়েছেন, সেই হিসাব বের করছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত দল। এই তালিকায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি), মহাব্যবস্থাপকসহ (জিএম) নানা স্তরের ব্যাংক কর্মকর্তারা রয়েছেন। ঘুষ নেওয়ার তালিকা করা হলেও দুদকের তদন্ত চলছে ধীরগতিতে। তানভীর মাহমুদ গ্রেপ্তার হয়ে জেলে থাকলেও ওখান থেকেই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। সোনালী ব্যাংকের এমডি বা ডিএমডি কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি দুদক। দুদকের বক্তব্য হচ্ছে, তাঁদের কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। হল-মার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় এ পর্যন্ত দুদক ১১টি মামলা করেছে। মামলার আসামিদের মধ্যে হল-মার্কের এমডি তা...