Posts

Showing posts with the label রানা প্লাজা

বাইচা থাকলে কেমন লাগব বুঝতাছি না

Image
৭০ ঘণ্টা পর উদ্ধার হওয়া সালমা বললেন নিজস্ব প্রতিবেদক ও নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার |  তারিখ: ২৮-০৪-২০১৩ ০ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» বুধবার সকাল নয়টা থেকে শনিবার বেলা দুইটা। মাঝের ৭৭ ঘণ্টা কেটেছে ‘মৃত্যুপুরীতে’। শেষ পর্যন্ত জয় হয়েছে জীবনের। ধসে পড়া ভবনের ভেতরে আটকে পড়া পোশাক কারখানার এক নারী শ্রমিককে গতকাল দুপুরের দিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধারের পর সাভারের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয় ছবি: মনিরুল আলম ‘কবরের অন্ধকারের কথা হুনছি। কবরের আজাবের কথাও হুনছি। গত চার দিন নিজে তা বুঝতে পারছি। মরি যাওয়ার কোনো ভয় এখন আর নাই। কিন্তু বাইচা থাকলে কেমন লাগব বুঝতাছি না।’ সাভার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) বিছানায় শুয়ে এভাবেই নিজের অনুভূতি জানালেন মানিকগঞ্জের সালমা আক্তার। প্রায় ৭০ ঘণ্টা পর গতকাল সকাল সাতটার দিকে সালমাকে উদ্ধার করা হয় ধসে পড়া ভবনের চতুর্থ তলা থেকে। উদ্ধারের সময় তাঁর জ্ঞান ছিল না। সিএমএইচে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে ২২ বছর বয়সী সালমার কথা হয় গতকাল দুপুর ১২টার দিকে। সালমার মতো জীবিত উদ্ধার হ...

সাভার ট্র্যাজেডি : নিহত আড়াইশ’র মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারীশ্রমিক

Image
এরশাদুল বারী « আগের সংবাদ 66 পরের সংবাদ» দেশের ইতিহাসে স্মরণকালের ভয়াবহ ঘটনা ‘রানা প্লাজা’ ধসে নিহত ২৫০ জনের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি নারী শ্রমিক। এরা সবাই অসহায় দিনমজুর পরিবারের কারও স্ত্রী, বোন, মা কিংবা আত্মীয়-স্বজন। নিহতের অনেকেই ছিলেন নববধূ, অন্তঃসত্ত্বা এবং যুবতী। এমনকি আটকেপড়া ওই ভবনের ভেতরেই সন্তান প্রসব করেছে দুই নারী। গতকাল সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত ২৩৫টি লাশের সংখ্যা তালিকাভুক্ত করে সাভার থানা পুলিশ। এর মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ১৭১ জনের লাশ। এদের মধ্যে নারী শ্রমিক ৮৮ জন ও পুরুষ ৮৩ জন। বাকি ৬৪ জনের লাশ অধর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাখা হয়েছে। অজ্ঞাত ৬৪ জনের মধ্যে ৩৮ জন নারী এবং ২৬ জন পুরুষ। এ নিয়ে মোট নারী শ্রমিকের লাশ উদ্ধার হয়েছে ১২৬ জনের। পরে উদ্ধারকৃত ১৫ লাশের কতজন নারী তা জানা যায়নি। নিহত নারী শ্রমিকের অধিকাংশই এসেছিলেন গ্রামের খেটে খাওয়া অসহায় পরিবার থেকে। দু’বেলা দু’মুঠো ভাত-কাপড়ের ব্যবস্থা করতে নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে অজানা বিপদ জেনেও শহরে এসেছিলেন তারা। একেবারেই সামান্য বেতন-ভাতায় দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছিলেন এসব নারী। মাস শেষ...

কয়েকশ’ মানুষ এখনও চাপা পড়ে আছে : আড়াইশ’ লাশ ও ২ হাজার জীবিত উদ্ধার

Image
 আলাউদ্দিন আরিফ ও নজমুল হুদা শাহীন 83 পরের সংবাদ» বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াল ট্র্যাজেডি ‘রানা প্লাজা’ ধসে পড়ার ঘটনায় ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তার সঠিক সংখ্যা কেউ অনুমান করতে পারছে না। একটি ভবন নয়, পুরো সাভারই যেন এখন মৃত্যুপুরী। গত রাত সাড়ে দশটায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে অন্তত ২৫০ জনের লাশ। এদের অর্ধেকেরও বেশি নারী। সময় যতই গড়াচ্ছে, ততই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। বিধ্বস্ত ভবনের সর্বত্র এখনও ঝুলে-চাপা পড়ে আছে শুধু লাশ আর লাশ। এখনো কয়েকশ’ লোক আটকা পড়ে আছেন। তাদের কতজন জীবিত আর কতজন মৃত তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কেউই। তবে সবারই আশঙ্কা, লাশের সংখ্যা আরও বহু বাড়তে পারে। এমনকি তা ধারণাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। অভিশপ্ত রানা প্লাজার উদ্ধার তত্পরতার দৃশ্য হদয়বিদারক, বীভত্স, নির্মম, বর্ণনাতীত। শত শত অসহায় নারী-পুরুষের এই নির্মম পরিণতি দেখে শোকে স্তব্ধ গোটা জাতি। গতকাল পর্যন্ত প্রায় প্রায় ২ হাজার জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হযেছে। এদের অনেকের অবস্থাই সংকটাপন্ন। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে এখনও বেঁচে থাকা মানুষের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে। রানা প্লাজার ...

ধ্বংসস্তূপের নিচে বিপন্ন মানবতা : মর্মস্পর্শী আকুতি ‘বাঁচাও’

Image
আসাদুজ্জামান সাগর « আগের সংবাদ 88 পরের সংবাদ» ‘বাবা আমি জীবিত। কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। আমরা সাতজন চারতলায় একটি পিলারের নিচে আটকে আছি। বাবা আমরা মরে যাচ্ছি। আমাদের বাঁচাও।’ এই করুণ আকুতি রংপুর থেকে আসা গার্মেন্টকর্মী ফাতেমার। ফাতেমার সেই কথাগুলো বলছিলেন তার হতভাগ্য বাবা মোজাম্মেল হোসেন। রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে আটকেপড়া ফাতেমার সঙ্গে গতকাল সকালে মোবাইল ফোনে তার শেষ কথা হয়। মোজাম্মেল বলেন, তার মেয়ে ফাতেমা, তার তিন বোনের মেয়ে, দুই ভাইয়ের মেয়ে ও পাশের বাড়ির এক মেয়েসহ ‘সাত বান্ধবী’ একসঙ্গে একই রুমে কাজ করত। ভবন ধসের পরপরই মেয়ে তাকে ফোন দিয়ে শুধু বলেছে, ‘বাবা আমি মনে হয় আর বাঁচব না। কোথায় আছি কিছুই বলতে পারব না। চারদিকে শুধু অন্ধকার। আমাদের নিঃশ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে।’ তিনি জানান, রংপুর থেকে এখানে এসে পৌঁছানো পর্যন্ত মেয়ের সঙ্গে তার বহুবার কথা হয়েছে। তবে এখানে পৌঁছে ধসে যাওয়া ভবনের পাশে এসে ঢুকতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে মারধর করে। তিনি বলেন, ‘আমি মার খেয়েও চারতলায় আমার মেয়েকে উদ্ধার করতে যাব। একটু আগে থেকে মেয়েকে আর মোবাইলে পাচ্ছি না। মনে হয় ম...

মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫৯, জীবিত উদ্ধার দুই সহস্রাধিক

Image
ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেক মানুষ আনোয়ার হোসেন ও অরূপ রায় |  তারিখ: ২৬-০৪-২০১৩ ০ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার ছাদ কেটে গতকাল উদ্ধার তত্পরতা চালানো হয় ছবি: প্রথম আলো নিখোঁজ স্বজনের ছবি ও পরিচয়পত্র হাতে শত শত মানুষ গতকাল সাভারের অধর চন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে জড়ো হন। ধসে পড়া ভবন থেকে উদ্ধার করা মৃতদেহগুলো সেখানেই রাখা হচ্ছে। উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা নিয়ে স্বজনের সন্ধানে এসব মানুষ কখনো স্কুলমাঠে, কখনো হাসপাতালে ছুটে বেড়িয়েছেন ছবি: সাজিদ হোসেন মুঠোফোনে স্বজনের খবর জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এক নারী ছবি: প্রথম আলো 1   2   3 সাভারে ভবনধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৯। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে দুই সহস্রাধিক মানুষকে। এর মধ্যে গতকাল রাত ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ২৫ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। গত দুই দিনে ১৬৮টি লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এখনো অনেক মানুষ ধ্বংসস্...