ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নববর্ষে তিন ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ
- Get link
- X
- Other Apps
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি | তারিখ: ১৬-০৪-২০১৩
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে গতকাল ক্যাম্পাসে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন
ছবি: প্রথম আলো
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত রোববার বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনকালে তিন ছাত্রীকে ছাত্রলীগের কর্মীরা লাঞ্ছিত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ছাত্রীরা গতকাল সোমবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ও ক্লাস বর্জন করেন। লাঞ্ছনার শিকার তিন ছাত্রী প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
কয়েকজন ছাত্রলীগের কর্মী দাবি করেন, পয়লা বৈশাখের দিন দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা বের করেন আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের ছাত্রলীগের কর্মীরা। শোভাযাত্রায় রং ছিটিয়ে আনন্দ-উল্লাস করেন তাঁরা। সমাজবিজ্ঞান ভবনের পাশে খাবার দোকানগুলোর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় শোভাযাত্রা থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রীর গায়ে রং ছিটানো হয়। এতে ওই ছাত্রী প্রতিবাদ করেন। ক্ষিপ্ত হয়ে শোভাযাত্রার ব্যানারও কেড়ে নেন তিনি। তখন ছাত্রলীগের কর্মীরা তাঁকে লাঞ্ছিত করেন।
জানা গেছে, ছাত্রলীগের কর্মীরা আবার শোভাযাত্রা নিয়ে খালেদা জিয়া হলের সামনে যান। সেখানে রিকশারোহী আরও দুই ছাত্রীকে রং দেওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা। ছাত্রীরা ছাতা দিয়ে রং ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় এক কর্মীর গায়ে ছাতার আঘাত লাগে। এতে খেপে গিয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের এক ছাত্রীকে এক ছাত্রলীগের কর্মী চড় মারেন। দ্রুত ঘটনাস্থলে যান শিক্ষক সমিতির সভাপতি অজিত কুমার মজুমদার ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মোহামঞ্চদ আলী আকন্দ। শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সুবল দেবনাথ অন্যদের হলে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে মোহামঞ্চদ আলী তাঁকে চড় মারেন। পরে উপাচার্য মো. আনোয়ার হোসেনও ঘটনাস্থলে এসে সুবলকে চড় দেন।
এদিকে ছাত্রীদের লাঞ্ছিত করার জের ধরে গতকাল বেলা ১১টায় সমাজবিজ্ঞান ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সাধারণ ছাত্রীরা। তাঁরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্যের কাছে তিন দফা দাবি পেশ করেন। দোষীদের বিচার, তাঁদের ছবি ও নাম প্রকাশ এবং তিন দিনের মধ্যে আজীবন বহিষ্কারের দাবি করেন তাঁরা। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে ছাত্রী নিপীড়নমূলক আরও যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর বিচার ও ছাত্রী হলের সামনে অশ্লীল মন্তব্য করা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তাঁরা। উপাচার্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে তাঁরা সেখান থেকে চলে যান।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের কেউ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলে সাংগঠনিকভাবে অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রক্টর সোহেল আহমেদ বলেন, তিনজন ছাত্রী আলাদা লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
কয়েকজন ছাত্রলীগের কর্মী দাবি করেন, পয়লা বৈশাখের দিন দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা বের করেন আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের ছাত্রলীগের কর্মীরা। শোভাযাত্রায় রং ছিটিয়ে আনন্দ-উল্লাস করেন তাঁরা। সমাজবিজ্ঞান ভবনের পাশে খাবার দোকানগুলোর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় শোভাযাত্রা থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রীর গায়ে রং ছিটানো হয়। এতে ওই ছাত্রী প্রতিবাদ করেন। ক্ষিপ্ত হয়ে শোভাযাত্রার ব্যানারও কেড়ে নেন তিনি। তখন ছাত্রলীগের কর্মীরা তাঁকে লাঞ্ছিত করেন।
জানা গেছে, ছাত্রলীগের কর্মীরা আবার শোভাযাত্রা নিয়ে খালেদা জিয়া হলের সামনে যান। সেখানে রিকশারোহী আরও দুই ছাত্রীকে রং দেওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা। ছাত্রীরা ছাতা দিয়ে রং ঠেকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় এক কর্মীর গায়ে ছাতার আঘাত লাগে। এতে খেপে গিয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের এক ছাত্রীকে এক ছাত্রলীগের কর্মী চড় মারেন। দ্রুত ঘটনাস্থলে যান শিক্ষক সমিতির সভাপতি অজিত কুমার মজুমদার ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মোহামঞ্চদ আলী আকন্দ। শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সুবল দেবনাথ অন্যদের হলে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে মোহামঞ্চদ আলী তাঁকে চড় মারেন। পরে উপাচার্য মো. আনোয়ার হোসেনও ঘটনাস্থলে এসে সুবলকে চড় দেন।
এদিকে ছাত্রীদের লাঞ্ছিত করার জের ধরে গতকাল বেলা ১১টায় সমাজবিজ্ঞান ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন সাধারণ ছাত্রীরা। তাঁরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্যের কাছে তিন দফা দাবি পেশ করেন। দোষীদের বিচার, তাঁদের ছবি ও নাম প্রকাশ এবং তিন দিনের মধ্যে আজীবন বহিষ্কারের দাবি করেন তাঁরা। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে ছাত্রী নিপীড়নমূলক আরও যেসব ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর বিচার ও ছাত্রী হলের সামনে অশ্লীল মন্তব্য করা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তাঁরা। উপাচার্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে তাঁরা সেখান থেকে চলে যান।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের কেউ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলে সাংগঠনিকভাবে অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রক্টর সোহেল আহমেদ বলেন, তিনজন ছাত্রী আলাদা লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments