আশুলিয়া থানার এসআইর হুমকি : ২ লাখ না দিলে জামায়াত শিবির বানিয়ে চালান দেবো পরে ৫০ হাজারে মুক্তি
সাভার প্রতিনিধি
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
অভিযোগ ছাড়াই আশুলিয়ার কবিরপুর এলাকা থেকে রবিন নামের এক যুবককে আটক করে আশুলিয়া থানার এসআই মনিরুজ্জামান। আটক করে থানা হাজতে দীর্ঘ আট ঘণ্টা আটক রাখেন। পরে রাতে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয় তাকে।
সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে আশুলিয়ার কবিরপুর থেকে মোটরসাইকেলসহ রবিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। আটকের পর পর তার আত্মীয়রা ওই কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সে মোটরসাইকেল নিয়ে বিএনপির কোন এক সমাবেশে যোগ দিতে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলের কাগজপত্র আছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য থানায় আনা হয়েছে। এরপর তার স্বজনরা মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখালে তিনি তাদের কাছে রবিনের মুক্তির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে ছাড়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন। এসআই মনিরুজ্জামান তাদের জানিয়ে দেন, রবিনকে হরতালের গাড়ি পোড়ানোর মামলায় জামায়াত-শিবির বানিয়ে আদালতে পাঠানো হবে। এক পর্যায়ে কয়েক দফা আলোচনার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই যুবকের অভিভাবকের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে এসআই মনিরুজ্জামান রবিন ও তার মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেন।
এ ব্যাপারে মনিরুজ্জামান বলেন, আমি ওসি স্যারের কথা ছাড়া কোনো কিছুই করি না। স্যারের কথা মতো আমি তাকে ছেড়ে দিয়েছি। তবে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) শেখ বদরুল আলম মুঠো ফোনে ঘটনাটি সঠিক নয় বলে জানান। সাভার সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) শেখ মো. রাসেল বলেন, যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে তবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানার মালখানার বিভিন্ন মালামাল বিক্রি, সাধারণ মানুষকে হয়রানিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিজেকে আশুলিয়া থানার গোপালগঞ্জের ক্ষমতাধর ৫ দারোগার একজন বলে দাবি করে থাকেন।
সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে আশুলিয়ার কবিরপুর থেকে মোটরসাইকেলসহ রবিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। আটকের পর পর তার আত্মীয়রা ওই কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সে মোটরসাইকেল নিয়ে বিএনপির কোন এক সমাবেশে যোগ দিতে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলের কাগজপত্র আছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য থানায় আনা হয়েছে। এরপর তার স্বজনরা মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখালে তিনি তাদের কাছে রবিনের মুক্তির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে ছাড়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন। এসআই মনিরুজ্জামান তাদের জানিয়ে দেন, রবিনকে হরতালের গাড়ি পোড়ানোর মামলায় জামায়াত-শিবির বানিয়ে আদালতে পাঠানো হবে। এক পর্যায়ে কয়েক দফা আলোচনার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই যুবকের অভিভাবকের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে এসআই মনিরুজ্জামান রবিন ও তার মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেন।
এ ব্যাপারে মনিরুজ্জামান বলেন, আমি ওসি স্যারের কথা ছাড়া কোনো কিছুই করি না। স্যারের কথা মতো আমি তাকে ছেড়ে দিয়েছি। তবে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) শেখ বদরুল আলম মুঠো ফোনে ঘটনাটি সঠিক নয় বলে জানান। সাভার সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) শেখ মো. রাসেল বলেন, যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে তবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানার মালখানার বিভিন্ন মালামাল বিক্রি, সাধারণ মানুষকে হয়রানিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিজেকে আশুলিয়া থানার গোপালগঞ্জের ক্ষমতাধর ৫ দারোগার একজন বলে দাবি করে থাকেন।
Comments