Posts

Showing posts with the label হেফাজতে ইসলাম ঢাকা

বিদেশি গণমাধ্যমে হেফাজতের লংমার্চ : বাংলাদেশের বৃহত্তম সমাবেশ

Image
ডেস্ক রিপোর্ট « আগের সংবাদ 44 পরের সংবাদ» শনিবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আয়োজিত ঐতিহাসিক মহাসমাবেশের খবর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে বিশ্বের বহু প্রভাবশালী গণমাধ্যম। হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে ‘বাংলাদেশের বৃহত্তম সমাবেশ’ বলে মন্তব্য করেছে কাতারভিত্তিক প্রভাবশালী টিভি চ্যানেল আল জাজিরা। আল জাজিরা গতকাল অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশের খবর। এ বিষয়ে চ্যানেলটিতে দুটি প্রতিবেদন প্রচার করা হয়। তবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চ্যানেল হওয়ার পরও গতকালের খবরে আল জাজিরার বাংলাদেশ প্রতিনিধির নাম প্রকাশ করা হয়নি। খবরে এক নারী সাংবাদিকের বক্তব্য প্রচার করে আল জাজিরা জানায়, তার নিরাপত্তার কারণে নাম প্রকাশ করা হয়নি। ঢাকার অজ্ঞাত স্থান থেকে তিনি মহাসমাবেশ ও ঢাকার সার্বিক পরিস্থিতি বর্ণনা করেন। উল্লেখ্য, আল জাজিরার বিরুদ্ধে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনিসহ আওয়ামী লীগ সমর্থক অনেকেই বিভিন্ন সময় বিষোদগার করেছেন। গতকাল আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শত-সহস্র লোক ঢাকায় সমবেত হয়ে নাস্তিক ব্লগারদের ফাঁসির দাবি জানায়। প্রতিবে...

পথে পথে আপ্যায়িত নবীপ্রেমীরা

Image
স্টাফ রিপোর্টার : মতিঝিলে জীবন বীমা ভবনের সামনে ভ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে ছোট ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে হেফাজতের মহাসমাবেশে আসা মুসলমানদের মধ্যে কমলা দিচ্ছেন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমি একজন ফল ব্যবসায়ী। ব্যবসার জন্য যে কমলা দোকানে ছিল তা এই মহাসমাবেশে সবার মাঝে বিলিয়ে দিয়েছি। দূর-দূরান্ত থেকে যে সকল মুসলমান ইসলাম ও ঈমান রক্ষার জন্য এই মহাসমাবেশে অংশ নিয়েছেন, তাদের জন্য এটুকু করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি বলে জানান ফল বিক্রেতা রফিকুল।  দনিয়া কলেজের সামনে ছোট মেয়েকে দিয়ে আলেমদের হাতে পানির বোতল তুলে দিচ্ছিলেন এক মহিলা। তিনি বলেন, আমি একজন মুসলমান। আমার বাসার সামনে দিয়ে সারারাত মানুষ হেঁটে যাচ্ছে, এটা দেখে আমি বাসায় বসে থাকতে পারিনি। তাই আমি, আমার স্বামী ও বাচ্চারা মিলে আলেমদের জন্য সামান্য পানি ও কলা-রুটির ব্যবস্থা করেছি।  এদৃশ্য কেবল জীবন বীমা ভবন কিংবা দনিয়া কলেজের সামনে নয়, মতিঝিলের শাপলা চত্বরকে ঘিরে গোটা মহাসমাবেশ এবং এই মহাসমাবেশের প্রতিটি প্রবেশ পথেই ছিল এরকম দৃশ্য। রাজধানী ও এর আশপাশের অধিবাসীদের আন্তরিক আতিথেয়তা পেয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মহাসমাবেশে ...

কারবালায় পারিনি, মতিঝিলে এসেছি

স্টাফ রিপোর্টার : কারবালায় ইসলাম রক্ষায় ইমাম হোসেনের (রা:) আন্দোলনে পানি পায়নি মুসলমানরা। কিন্তু এবার আর ঘরে বসে থাকতে পারিনি। ইসলাম রক্ষায়, রাসূলের সম্মান রক্ষায় মুসলমানদের পানি দিতে পেরে নিজের কাছে ভালো লাগছে। গতকাল শাপলা চত্বরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে পানি বিতরণকারী মো. আনোয়ার হোসেন এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কোনো সাওয়াবের বা রাজনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে না, নিজের বিবেকের দায়ে এখানে এসেছি। কেয়ামতের দিন যদি আল¬াহ জিজ্ঞেস করেন, তোমার সামনে ইসলাম রক্ষার আন্দোলন হয়েছে তুমি কি করেছো। তখন বলতে পারবো, হে আল্লাহ আমার সামর্থ্য অনুযায়ী যা পেরেছি তাই করেছি। আনোয়ার হোসেনের মতো আশরাফুল ইসলাম শরিফও ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিতরণ করছে স্যালাইন পানি ও শুকনা খাবার। মো. সাইদুল ইসলাম নামের অপর এক ব্যক্তিকে দেখা যায়, রিকশায় করে কলা ও রুটি নিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে। তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি একজন ছোট ব্যবসায়ী। আমার নিজের অর্থে এই খাবার নিয়ে এসেছি। নিজের কাছে ভালো লাগেছে যে, মুসলমানদের খাবার দিতে পারছি। এছাড়া সমাবেশের আশপাশে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ব্যক্তিই খাবার ও পানি বিতরণ করেছেন।  তুমি...

তৌহিদী জনতার দখলে ঢাকা

Image
ইনকিলাব সংবিধানে আল্লাহর উপর আস্থা তুলে ফেরাউনী-নমরুদী শাসন চলছে : শাহ আহমদ শফী : পুলিশের মারমুখী আচরণ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা কাফেলা ঠেকাতে পারেনি : রাজধানীর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন সারাদেশ : তৌহিদী জনতাকে সর্বস্তরের মানুষের খাবার বিতরণ : স্বাধীনতার পর এতো বড় সমাবেশ ঘটেনি ঢাকায় বিশেষ সংবাদদাতা  : যানবাহন বন্ধ, পথে পথে বাধা, দাঁড়ি-টুপি দেখলেই ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা, পুলিশি জুলুম-নির্যাতনের পরও তৌহিদী জনতার দখলে রাজধানী ঢাকা। ব্লগারদের অবরোধ আর ঘাদানিকের হরতাল গতকাল রাজধানীর মতিঝিলমুখী মানুষের শ্রোত ঠেকাতে পারেনি। ঢাকার প্রবেশ পথে লংমার্চে কাফেলা প্রতিহত করতে পুলিশের মারমুখী আচরণ, ছাত্রলীগ-যুবলীগের বাধা এবং হরতাল অবরোধকারীদের যৌথ প্রতিহতের চেষ্টা তৌহিদী জনতার ‘প্রতিরোধে’ তারা পিছু হয়ে যায়। এ এক অভাবনীয় দৃশ্য, অভূতপূর্ব মহাজাগরণ। পিঁপড়ার সারির মতো হেঁটে শ্লোগান দিতে দিতে লাখ লাখ মানুষ ঢাকায় প্রবেশ করে। মুখে আল্লাহু আকবর শ্লোগান, হাতে জায়নামাজ ও তাসবিহ নিয়েই লংমার্চে আসেন লাখ লাখ সাধারণ মানুষ। রাসূল (সাঃ)-কে নিয়ে কটাক্ষকারীদের বিচারের দাবিতে তৌহিদী জনতার কাতারে পথে পথে শামিল...

৬ এ্রপ্রিল হেফাজতে ইসলামের লংমার্চ ঢাকা সরাসরি প্রচারে মিডিয়ার কৃপণতা

Image
শিশির আব্দুল্লাহ « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» হেফাজতে ইসলামের গতকালের রাজধানী অভিমুখী লংমার্চ এবং পরে মতিঝিলের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশের ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলোর দৃষ্টিকটু বিমাতাসুলভ আচরণে হতবাক হয়েছেন আলেম-ওলামাসহ সাধারণ মানুষ। দেশের অধিকাংশ স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও রেডিও লংমার্চ এবং মহাসমাবেশ সরাসরি সম্প্রচারে কৃপণতা দেখিয়েছে। সমাবেশে আসা অনেকে অভিযোগ করে বলেছেন, এর আগে জামায়াত-শিবিরসহ বিরোধী দলগুলোর বিভিন্ন কর্মসূচিতে এ ধরনের আচরণ দেখে তারা অভ্যস্ত থাকলেও মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননার প্রতিবাদে ডাকা কর্মসূচিকে ঘিরে এমনটি আশা করেননি। লংমার্চে অংশ নেয়া একাধিক মুসল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, যেসব টিভি চ্যানেল শাহবাগে থাকা হাতেগোনা কয়েকশ’ নাস্তিক ও তাদের সমর্থকদের সমাবেশ, বক্তৃতা থেকে শুরু করে নাচ-গান খাওয়া-দাওয়া-ফুর্তি এমনকি ঘুমানোর দৃশ্যও দিনের পর দিন ‘লাইভ’ সম্প্রচার করেছে, আজ (গতকাল শনিবার) তাদের ক্যামেরা কোথায়? তারা প্রশ্ন রেখে বলেছেন, লাইভ না হয় না-ই করল; কিন্তু আমাদের ব্যাপারে মিথ্যা ও বিদ্বেষমূলক সংবাদ প্রচার করছে কেন? মুসল্লিদের এমন অভিযোগের পর ...

মুসাফিরদের প্রতি এত আবেগ এত ভালোবাসা ও লংমার্চের খণ্ডদিত্র

Image
বশীর আহমেদ « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» এমন দৃশ্য কেউ কখনও দেখেনি। চোখে না দেখলে এ দৃশ্য কাউকে বলে বোঝানো যাবে না। আল্লাহ ও তার রাসুলের অবমাননার প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের ডাকে ঢাকায় আগত লংমার্চ কাফেলাকে খাদ্য, পানীয় এবং চিকিত্সাসেবা দেওয়ার এক অভাবনীয় দৃশ্য। রিকশাচালক, ঠেলাগাড়িচালক, কাঠমিস্ত্রি আড়তদার থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদ সবাই এবং সাধারণ মানুষ যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী পানি, বিস্কুট, চিড়া, মুড়ি, কলা, পাউরুটি, শসা, গাজর থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফল এবং পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিরিয়ানি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন আল্লাহর মেহমানদের সেবায়। মোড়ে মোড়ে খাবারের স্তূপ জমেছে। লংমার্চে আসা মেহমানদের একটু স্বস্তি দিতে এ যেন এক প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা। চোখে পানি এসে যায়। আল্লাহ, তার প্রিয় রাসুল এবং মহান আদর্শ ইসলামের প্রতি এদেশের মানুষের এত আবেগ, এত ভালোবাসা! অবাক বিস্ময়ে দেখেছে সবাই। গতকালের লংমার্চ পরবর্তী মহাসমাবেশের শুরু আর শেষ কোথায় ছিল তা কেউ জানে না। তবে সমাবেশস্থল এবং এর চারপাশে যেখানে যান না কেন চোখে পড়েছে কেউ না কেউ দাঁড়িয়ে আছে পানি ও খাবার নিয়ে। কেউবা দ...

এ এক জনমহাসমুদ্র লংমার্চ কাফেলার কত লোক?

Image
কাজী জেবেল « আগের সংবাদ 12 পরের সংবাদ» শাপলা চত্বরের লংমার্চ কাফেলায় অংশ নিয়েছে কত লোক? এ প্রশ্নের জবাব কারও পক্ষে সহজে দেয়া সম্ভব নয়। তবে একটি কথা সবার মুখে মুখে—এত লোক রাজধানী ঢাকায় এর আগে কেউ দেখেনি। যেদিকে চোখ যায় শুধু মানুষ আর মানুষ। ঢাকা যেন মানুষের এক নগরী। যেন জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার। শাপলা চত্বর থেকে বিভিন্ন দিকে চলে গেছে বিভিন্ন সড়ক। একটি সড়ক মতিঝিল, দৈনিক বাংলা, পল্টন, তোপখানা হয়ে গেছে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত। পুরো সড়কে মানুষের বন্যা। একটি সড়ক গেছে শাপলা চত্বর থেকে নটর ডেম কলেজ হয়ে আরামবাগ, ফকিরের পুল, নয়াপল্টন-কাকরাইলে। এ সড়কটিতেও মানুষ আর মানুষ। দৈনিক বাংলা-ফকিরের পুল-বঙ্গভবন সড়কটিতেও মানুষের সমুদ্র। শাপলা চত্বর থেকে সড়ক গেছে ইত্তেফাকের দিকে। সেটিও কানায় কানায় পূর্ণ। এছাড়াও অলিগলি চত্বরে কোথাও মানুষের তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। ঢাকায় রাজনৈতিক দলগুলোর সমাবেশ হয়েছে, মহাসমাবেশ হয়েছে। বিশাল বিশাল সমাবেশ হয়েছে। কিন্তু গতকালের লংমার্চের মহাসমাবেশের সঙ্গে আগের কোনো সমাবেশ, মহাসমাবেশ কিংবা জনসমুদ্রের তুলনা চলে না। ঢাকার ইতিহাসে কোনো মহাসমা...