Posts

Showing posts with the label খাদ্য ও পুষ্টি

মিষ্টিকুমড়ার মিষ্টতা

Image
অধুনা প্রতিবেদক  |  আপডেট:  ০১:৩৭, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৫  |  প্রিন্ট সংস্করণ ০ Like       অক্টোবরের শেষে হ্যালোউইন উৎসবের সময় পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে মিষ্টিকুমড়ার চাহিদা বেশ বেড়ে যায়। পাকা মিষ্টিকুমড়া খোদাই করে বিশেষ ধরনের বাতি জ্বালানোর রীতি আছে তাদের। আমাদের দেশে তেমন কোনো রীতি না থাকলেও বারোমাসি সবজি হিসেবে এটি বেশ সমাদৃত। হাতের নাগালে পাওয়া যায়, খেতেও সুস্বাদু। পুষ্টিগুণও বেশ। ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন , শর্করা বেশি থাকায় এটি শরীরে শক্তি বাড়ায়। পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস ও কপারের মতো দরকারি খনিজ উপাদানের উপস্থিতি মিষ্টিকুমড়াকে অনন্য সবজিতে পরিণত করেছে। ভিটামিনের মধ্যে এ, বি-কমপ্লেক্স, সি এবং ই পাওয়া যায় এই জাতের কুমড়ায়। এ ছাড়া মিষ্টিকুমড়ার বেটা-ক্যারোটিন ক্যানসার প্রতিরোধক কোষ গঠনে সাহায্য করে। মিষ্টিকুমড়ার ক্যারোটিনয়েড চোখের ছানি পড়া রোধের পাশাপাশি রেটিনা কোষ রক্ষা করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মিষ্টিকুমড়া তাই আপনার চোখের সুস্বাস্থ্য ...

ক্লান্তি দূর করে যেসব খাবার

Image
আপডেট:  ০১:১৬, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৪  |  প্রিন্ট সংস্করণ ১ Like       আলসেমির রয়েছে নানা কারণ। নারী-পুরুষনির্বিশেষে সবাই কমবেশি ক্লান্তিজনিত আলস্যের শিকার হয়ে থাকেন। কিন্তু এ ধরনের অলসতা, ক্লান্তি বা অবসাদের জন্য খাদ্যাভাসকেই দায়ী করেছেন একদল মার্কিন গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের পুষ্টি গবেষক সিন্ডি মুরের মতে, ‘খাবার আসলে আমাদের শরীরে জ্বালানির ভূমিকা পালন করে। এই জ্বালানি হিসেবে যা আমরা বাছাই করি, তা-ই আমাদের শরীরের কর্মদক্ষতার ওপর প্রভাব ফেলে। শরীরের ক্লান্তি নিয়ন্ত্রণের উপযোগী কিছু খাবার এবং সঠিক সময়ে সেগুলো গ্রহণের ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন— সকালে নাশতা আবশ্যিক:  দিনের শুরুতে বেশির ভাগ মানুষই তাড়াতাড়ি কাজে চলে যান। এ সময় তাঁরা শরীরের প্রয়োজনীয় খাদ্যের কথাও ভাবার অবকাশ পান না। এটি শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে এবং আলসেমি তৈরি করে। যুক্তরাষ্ট্রের মেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্যবিজ্ঞান এবং পুষ্টি বিভাগের অধ্যাপক মেরি ইলেন ক্যামিরি বলেন, নাশতা না করলে সকাল পেরোলেই মানুষের শরীরে ক্লান্তি ...

মধুতে আছে ১৮১ উপকারী ভেষজ

প্রথম আলো ডেস্ক  |  আপডেট: ০৩:২৫, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৪  |  প্রিন্ট সংস্করণ ১             সেই প্রাচীনকাল থেকে ঠান্ডা-কাশি সারাতে কবিরাজ-বদ্যিরা মধু ব্যবহার করে আসছেন। আমাদের দেশে শিশুদের ঠান্ডা লাগলে মধু, তুলসীর রস, আদার রস ইত্যাদির মিশ্রণ একটি উপকারী ওষুধ হিসেবে ব্যবহূত হয় । কিন্তু আসলেই মধু কাশি কমাতে সহায়ক কি না তা নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা কখনো করা হয়নি। ২০১২ সালে এ নিয়ে একটি বৃহৎ গবেষণার পর সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আমেরিকান পেডিয়াট্রিক সোসাইটি শিশুদের কাশি প্রশমনে মধু ব্যবহার করার পক্ষে মত দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন , মধুতে অন্তত ১৮১ রকমের উপকারী ভেষজ উপাদান রয়েছে। এর অনেকগুলোই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও জীবাণুরোধী বলে সংক্রমণ ঠেকাতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে । মধু গেলার পর পরই গলা ও শ্বাসতন্ত্রের ঝিল্লির ওপর একটি জীবাণুরোধী আবরণ তৈরি করে। এতে জীবাণুর আক্রমণ থেকে ঝিল্লি বাঁচে। তাছাড়া গলার অনুভূতিবাহক স্নায়ুর কাজকর্মের ওপরও প্রভাব বিস্তার করে, ফলে খুসখুসে কাশি ও অস্বস্তিভাব থেকে রেহাই দ...

দুধে অবহেলা নয়

মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী  |  আপডেট: ০০:০৪, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৪  |  প্রিন্ট সংস্করণ ২             পৃথিবীর সব খাদ্যের সেরা খাদ্য দুধ। সর্বোচ্চ পুষ্টিমানের জন্যই দুধের শ্রেষ্ঠত্ব। দুধের অপরিহার্য উপাদান ল্যাকটোজ, যা দৈহিক গঠন, বিকাশ ও মেধা বৃদ্ধিতে সহায়ক। মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার মূল উপাদান দুধ। বাংলাদেশের জনগণের একটি বৃহৎ অংশ তরল দুধ পান থেকে বঞ্চিত। দুধকে আমরা বিলাস খাদ্যের তালিকায় বন্দী রেখেছি। গরুর দুধে আছে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ পদার্থ যেমন ক্রোমিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন, কোবাল্ট, কপার, জিংক, আয়োডিন ও সেলিনিয়াম। গরুর দুধের কম্পজিশনে পানি ৮৬ দশমিক ৫ শতাংশ, ল্যাকটোজ ৪ দশমিক ৮ শতাংশ, ফ্যাট ৪ দশমিক ৫ শতাংশ, প্রোটিন ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। গরুর দুধ সব পুষ্টির আধার ও শক্তির উৎস। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ক্যানসার ও হূদেরাগ প্রতিরোধে দুধের শক্তিশালী ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রচলিত খাদ্য-সংস্কৃতি আমাদের মেধা ও স্বাস্থ্য রক্ষার পথে পর্বতপ্রমাণ বা...