বুদ্ধিজীবীর বুদ্ধি বনাম আন্না হাজারে-আল্লামা শফী
স্টালিন সরকার : প্রবাদে আছে ‘মাছের পচন ধরে মাথায়’ আর ‘জাতির পচন ধরে বুদ্ধিজীবীদের মাধ্যমে’। দেশের বুদ্ধিজীবী সমাজে পচন ধরার খেসারত সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা আর হালুয়া-রুটি খেয়ে দেশের বুদ্ধিজীবীদের বিড়াট একটা অংশ সরকারের ঘরে ‘বিবেকবন্ধক’ রেখেছেন। সরকারের শত অন্যায়, অবিচার, অনিয়ম, জুলুম-নির্যাতনেও তাদের বিবেককে তাড়িত করে না। সরকার তোষণে এতোই ব্যস্ত থাকেন যে নীতি নৈতিকতার বিষয়গুলো তাদের মগজে কাজ করে না। ক্ষমতাসীনদের সব কাজই তাদের দৃষ্টিতে সুন্দর, সুচারু এবং আ্ইনী মনে হয়। পার্শ¦বর্তী দেশ ভারতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা সে দেশের বৃদ্ধিজীবীদের কাবু করতে পারেনা; সে জন্য আন্না হাজারে হন সম্মানিত। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। এদেশের বুদ্ধিজীবীদের বিবেক কিনে নিয়ে সিন্দুকে তালা মেরে রাখায় সরকার যা ইচ্ছে তাই করেও সমালোচনার মুখে পড়ে না। ওরা দুইজন। একজন ভারতের ৭৫ বছর বয়স্ক সমাজকর্মী আন্না হাজারে। অপরজন বাংলাদেশের ৯৪ বছর বয়সের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা শাহ আহমদ শফী। প্রবীণ এবং অরাজনৈতিক এই দুই ব্যক্তিত্ব নিজ নিজ কর্মে সাফল্য...