ইরানে অপহৃত যুবকের বর্ণনা : বাংলাদেশী দালাল চক্রের নির্যাতন : ১১ বার বিক্রি ফিরে আসা পুনর্জন্ম
ইকবাল হোসেন স্বপন, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) « আগের সংবাদ 32 পরের সংবাদ» ইরানে বাংলাদেশী অপহরণকারী চক্রের শিকার যুবক মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের দ্বিতীয়ারদেহী গ্রামের সামছুল হকের ছেলে এমরান হোসেন তুহিন। তুহিন ইরান-তুরস্কের মধ্যস্থলে গোপন আস্তানায় আটকের পর ১১ বার বিক্রি হয়েও অলৌকিকভাবে মুক্ত হন। অপহৃত তুহিন জানান, মনে হয় এখন আমি পুনরায় জন্ম নিয়েছি। এখনও নিজেকে বিশ্বাস করতে পারি না মুক্ত হিসেবে। এখনও ভয় হয়। অপহরণ হওয়া-পরবর্তী নির্যাতন কাহিনী এখনও চোখের সামনে ভাসে। ওরা আমাদের ১১ বার বিক্রি করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে হুমকি দিয়ে বলতো, দেশ থেকে টাকা না দিলে, কিডনি বিক্রি করা হবে। তিনি বলেন, চোখের সামনে অনেককে মরতে দেখেছি। এদিকে গ্রেফতার হওয়ার পর জেলহাজত থেকে পুলিশের মাধ্যমে ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশী দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা সহযোগিতার বদলে গালাগাল করেছে। তুহিনের সঙ্গে মুক্ত হয়ে এসেছে ঢাকার মাছুম ও রিয়াদ, ভাটেরগাঁও মাইজগ্রামের সুমন, বড়লেখার কলারতলীপারের মনু মিয়া ও সুজাউল গ্রামের এনাম, রাজশাহীর এমদাদ, খুলনা বাগেরহাটের ফ...