Posts

Showing posts with the label স্বাস্থ্য ও পুষ্টি

গাজরের পুষ্টি গুণ

স্বাস্থ্য রক্ষায় গাজরের গুরুত্ব অনেক। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন। শিশু থেকে বৃদ্ধ- সবার চোখের পুষ্টি জোগায় গাজর, চোখের স্নায়ুকে করে শক্তিশালী। গাজরের রস দেহে চর্বির মাত্রা কমায়। এটি রক্তের প্রধান উপাদান আরবিসিকে দীর্ঘজীবী করে। এতে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বেড়ে যায়। আবার শরীরে যেসব কোলেস্টরল রক্তের মধ্যে মিশে রক্তে জমাট বেঁধে যায়, হৃৎপিন্ড থেকে রক্ত সারা শরীরে পৌঁছাতে বাধা তৈরি করে, গাজর সেসব কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে। যেকোনো বড় অস্ত্রোপচারের পর রক্তের ঘাটতি হলে তা পূরণে সহায়তা করে গাজর। আবার এটি মানুষের মেধাশক্তি বাড়ানোর কাজেও ব্যবহৃত হয়। মস্তিস্কের ¯স্নায়ুগুলোকে করে দ্বিগুণ কর্মক্ষম। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ জাতীয় উপাদান। এই উপাদান কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে। তাই গাজর হোক সবার নিত্যদিনের খাবার। জাহেদুর রহমান ইকবাল তাহেরপুর পৌরসভা বাগমারা, রাজশাহী।

খাবার দিয়ে ওজন কমানো

Image
সিদ্ধার্থ মজুমদার |  তারিখ: ২৭-০৩-২০১৩ ০ মন্তব্য প্রিন্ট ShareThis « আগের সংবাদ পরের সংবাদ» চাই সুষম খাবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মেজাজটা বিগড়ে গেল। একরাশ বিরক্তি নিয়ে নিজের দিকে তাকালেন। নাহ, এই পোশাকেও ভালো দেখাচ্ছে না। কারণ, সেই ওজন বেড়ে যাওয়া। শুধু নিজেকে সুন্দর দেখাতে নয়, সুস্থ থাকার জন্যও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা দরকার। এই বাড়তি মেদ ঝরাতে তাই কত না খাটাখাটুনি। শেষ ভরসা হিসেবে ভর্তি হলেন ব্যায়ামাগারে। তবুও ওজন কমে না। সত্যিকথা বলতে কি, শুধু ব্যায়াম করলে তো হবে না। খাওয়াদাওয়ায় আনতে হবে দেদার পরিবর্তন। নিয়ন্ত্রিত খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে নিয়ম করে যদি ব্যায়াম করেন, তবেই না মেদ ঝড়বে। এই বিষয়ে কথা বলা হয় বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি ও পথ্যবিদ শামছুন্নাহার নাহিদের সঙ্গে। মেদ ঝড়াতে খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন মানতেই হয়। তাঁর কাছ থেকেই জানা যাক-  বেশি তেলে ভাজা খাবার বর্জন করতে হবে।  চর্বিযুক্ত খাবার একদমই খাওয়া যাবে না।  মিষ্টিজাতীয় খাবারে ক্যালোরি বেশি থাকে, তাই খাওয়ার সময় সচেতন হোন।  প্রয়োজনের অতির...

পালং শাকে আছে ভিটামিন ‘সি’ ও ‘এ’

ইনকিলাব ডেস্ক : ভিটামিন-‘সি’ আমাদের প্রতিদিন খাওয়া উচিত। এই ভিটামিন মানুষের দেহে জমা থাকে না বা তৈরিও হয় না। আবার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয়ে গেলে মূত্রের মাধ্যমে তা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন ফলমূল ও শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-‘সি’ পাওয়া যায়। এমনি একটা শাক হলো পালংশাক। এটি এখন আর শুধু শীতকালীন শাক নয়। শীত ছাড়িযেও এটি এখন আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-‘সি’। এছাড়া ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে এই শাকে। এই ভিটামিন-‘এ’ চোখের ভেতর ও বাইরের অংশগুলোতে পুষ্টি জোগায়। এটি অকাল অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করে চোখকে। মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। গর্ভবতী মায়েদের জন্য পালংশাক ভীষণ উপকারী। এতে নেই কোনো চিনির পরিমাণ। তাই মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস বা ওজন খুব বেশি এমন ব্যক্তিদের জন্য এই শাক নিরাপদ। কচি পালংশাকের স্যুপ দেহে জোগায় অফুরন্ত শক্তি। শরীরের শিরা-উপশিরায় এই শাকের উপাদানগুলো মিশে ত্বকে পুষ্টি জোগায়। চুল পড়া রোধ করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। গর্ভস্থ শিশুর মেধা বিকাশে এই শাকের গুরুত্ব অপরিসীম। পালংশাকের ডাঁটায় রয়েছে ডায...

পালং শাকে আছে ভিটামিন ‘সি’ ও ‘এ’

ইনকিলাব ডেস্ক : ভিটামিন-‘সি’ আমাদের প্রতিদিন খাওয়া উচিত। এই ভিটামিন মানুষের দেহে জমা থাকে না বা তৈরিও হয় না। আবার প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয়ে গেলে মূত্রের মাধ্যমে তা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। প্রাকৃতিকভাবে বিভিন্ন ফলমূল ও শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-‘সি’ পাওয়া যায়। এমনি একটা শাক হলো পালংশাক। এটি এখন আর শুধু শীতকালীন শাক নয়। শীত ছাড়িযেও এটি এখন আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-‘সি’। এছাড়া ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে এই শাকে। এই ভিটামিন-‘এ’ চোখের ভেতর ও বাইরের অংশগুলোতে পুষ্টি জোগায়। এটি অকাল অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করে চোখকে। মাত্রাতিরিক্ত ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। গর্ভবতী মায়েদের জন্য পালংশাক ভীষণ উপকারী। এতে নেই কোনো চিনির পরিমাণ। তাই মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস বা ওজন খুব বেশি এমন ব্যক্তিদের জন্য এই শাক নিরাপদ। কচি পালংশাকের স্যুপ দেহে জোগায় অফুরন্ত শক্তি। শরীরের শিরা-উপশিরায় এই শাকের উপাদানগুলো মিশে ত্বকে পুষ্টি জোগায়। চুল পড়া রোধ করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। গর্ভস্থ শিশুর মেধা বিকাশে এই শাকের গুরুত্ব অপরিসীম। পালংশাকের ডাঁটায় রয়েছে ...

কমলালেবুর পুষ্টি

কমলালেবুর পুষ্টি কমলালেবুর রয়েছে অনেক গুণ। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’। এটি শীতকালীন ঠান্ডাজনিত রোগব্যাধি ও দুর্বলতার সমস্যাগুলো দূর করে। শীতের বেশি রোদে থাকা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি বা আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে। কমলালেবু ত্বককে শক্তিশালী অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচায়। কমলালেবু দাঁত, চুল, ত্বক ও নখের পুষ্টি যোগায়। এই ফল রক্তে চর্বির পরিমাণ কমায়। ভিটামিন সি আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই ভিটামিন সি আমাদের দেহে জমা থাকে না।  সম্ভব হলে নিয়মিত এই ফল খাওয়া দরকার। ঠোঁটে ফাটা, পায়ের তলা ফেটে যাওয়া রোধ করে কমলালেবু। ত্বকের মসৃণভাব করার জন্য দরকার ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’। যা রয়েছে কমলালেবুতে। বৃদ্ধ ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, মাতৃদুগ্ধদানকারী মহিলাদের জন্য এই ফল অপরিহার্য। সর্বোপরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কমলালেবুর ভূমিকা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।  জাহেদুর রহমান ইকবাল গ্রাম ও ডাকঘর-তাহেরপুর পৌরসভা, উপজেলা-বাগমারা, জেলা-রাজশাহী।

কমলালেবুর পুষ্টি

কমলালেবুর পুষ্টি কমলালেবুর রয়েছে অনেক গুণ। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’। এটি শীতকালীন ঠান্ডাজনিত রোগব্যাধি ও দুর্বলতার সমস্যাগুলো দূর করে। শীতের বেশি রোদে থাকা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি বা আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে। কমলালেবু ত্বককে শক্তিশালী অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচায়। কমলালেবু দাঁত, চুল, ত্বক ও নখের পুষ্টি যোগায়। এই ফল রক্তে চর্বির পরিমাণ কমায়। ভিটামিন সি আমাদের প্রতিদিন প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই ভিটামিন সি আমাদের দেহে জমা থাকে না।  সম্ভব হলে নিয়মিত এই ফল খাওয়া দরকার। ঠোঁটে ফাটা, পায়ের তলা ফেটে যাওয়া রোধ করে কমলালেবু। ত্বকের মসৃণভাব করার জন্য দরকার ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’। যা রয়েছে কমলালেবুতে। বৃদ্ধ ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, মাতৃদুগ্ধদানকারী মহিলাদের জন্য এই ফল অপরিহার্য। সর্বোপরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কমলালেবুর ভূমিকা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।  জাহেদুর রহমান ইকবাল গ্রাম ও ডাকঘর-তাহেরপুর পৌরসভা, উপজেলা-বাগমারা, জেলা-রাজশাহী।