আদালত অবমাননা আইনের আটটি ধারার ব্যাপারে রুল



নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ০৩-০৪-২০১৩
আদালত অবমাননা আইন-২০১৩-এর আটটি ধারা কেন সংবিধানপরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ বি এম আলতাফ হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেন।
রাষ্ট্রপতির সচিব, প্রধানমন্ত্রীর সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সংসদ-বিষয়ক সচিবালয়ের সচিবকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আদালত অবমাননা আইনে নতুন কয়েকটি ধারা সংযোজন করা হয়। আইনটি ৪, ৫, ৬, ৭, ৯, ১০, ১১ ও ১৩ (২) ধারা সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের ক্ষমতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ২৫ মার্চ হাইকোর্টে রিটটি করেন।
আদালতে আজ রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করনে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত্ রায়।
পরে মনজিল মোরসেদ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, এ আটটি ধারা কেন সংবিধানপরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে ১০ দিনের রুল জারি করেছেন আদালত।
রিট আবেদন থেকে জানা যায়, আইনটির ৪ ধারায় নির্দোষ প্রকাশনা বা বিতরণ অবমাননা নয়; ৫ ধারায় পক্ষপাতহীন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ আদালত অবমাননা নয়; ৬ ধারায় অধস্তন আদালতের সভাপতিত্ব করা বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালত অবমাননা নয়; ৭ ধারায় কতিপয় ক্ষেত্র ব্যতীত খাস কামরায় বা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রক্রিয়া-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ আদালত অবমাননা নয়—এসব বিষয়ে বলা আছে।
মনজিল মোরসেদ জানান, সংশ্লিষ্ট অন্য ধারাগুলোতে সরকারি কর্মকর্তারা অবসর গ্রহণ করলে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারাধীন আদালত অবমাননার অভিযোগ থাকবে না; নতুন যিনি আসবেন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যাবে না; প্রথমেই আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া যাবে না—এসব বিষয়ে বলা আছে।

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়