৬ এ্রপ্রিল হেফাজতে ইসলামের লংমার্চ ঢাকা সরাসরি প্রচারে মিডিয়ার কৃপণতা
শিশির আব্দুল্লাহ
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
হেফাজতে ইসলামের গতকালের রাজধানী অভিমুখী লংমার্চ এবং পরে মতিঝিলের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশের ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলোর দৃষ্টিকটু বিমাতাসুলভ আচরণে হতবাক হয়েছেন আলেম-ওলামাসহ সাধারণ মানুষ। দেশের অধিকাংশ স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও রেডিও লংমার্চ এবং মহাসমাবেশ সরাসরি সম্প্রচারে কৃপণতা দেখিয়েছে। সমাবেশে আসা অনেকে অভিযোগ করে বলেছেন, এর আগে জামায়াত-শিবিরসহ বিরোধী দলগুলোর বিভিন্ন কর্মসূচিতে এ ধরনের আচরণ দেখে তারা অভ্যস্ত থাকলেও মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)-কে অবমাননার প্রতিবাদে ডাকা কর্মসূচিকে ঘিরে এমনটি আশা করেননি।
লংমার্চে অংশ নেয়া একাধিক মুসল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, যেসব টিভি চ্যানেল শাহবাগে থাকা হাতেগোনা কয়েকশ’ নাস্তিক ও তাদের সমর্থকদের সমাবেশ, বক্তৃতা থেকে শুরু করে নাচ-গান খাওয়া-দাওয়া-ফুর্তি এমনকি ঘুমানোর দৃশ্যও দিনের পর দিন ‘লাইভ’ সম্প্রচার করেছে, আজ (গতকাল শনিবার) তাদের ক্যামেরা কোথায়? তারা প্রশ্ন রেখে বলেছেন, লাইভ না হয় না-ই করল; কিন্তু আমাদের ব্যাপারে মিথ্যা ও বিদ্বেষমূলক সংবাদ প্রচার করছে কেন?
মুসল্লিদের এমন অভিযোগের পর বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও অনলাইন পত্রিকা (কিছু দৈনিকের অনলাইন ভারসনও) ঘাঁটতে গিয়ে জঘন্যভাবে ফুটে ওঠে এর সত্যতা।
প্রথমেই দেখা যাক টিভি চ্যানেলগুলোর বৈষম্যমূলক আচরণ। অতি নগণ্য ঘটনাকে লাইভ সম্প্রচার করে ‘ঘটনার গুরুত্ব বাড়ানো’য় পটু এদেশের বেশিরভাগ টিভি চ্যানেল গতকালের লংমার্চ ও পরে বাংলাদেশের ইতিহাসে বৃহত্তম সমাবেশকে লাইভ সম্প্রচার করেনি। অথচ আন্তর্জাতিক টিভি স্টেশন আলজাজিরা বাংলাভিশনের সৌজন্যে সমাবেশের চিত্র বেশ কিছুক্ষণ ‘লাইভ’ দেখিয়েছে!
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, যে লংমার্চকে ঘিরে সরকার দিশেহারা, পক্ষ-বিপক্ষ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষ উত্কণ্ঠিত, যেটিকে উপলক্ষ করে ইতিহাস সৃষ্টিকারী হরতাল দেখেছে বিশ্ববাসী, যাতে অংশগ্রহণ করেছে ২ মিলিয়নের বেশি মানুষ সেটিকে উপেক্ষা করে অনেক চ্যানেল তখন শাহবাগের চার-পাঁচশ’ লোকের জমায়েতকে লাইভ সম্প্রচারে ব্যস্ত ছিল! বিকাল ৪টায় সমাবেশ শুরুর আগে ছিল সেই সমাবেশের ঘণ্টাব্যাপী ‘প্রস্তুতি’র লাইভ!
আর যাদের কাছে লংমার্চের পাশাপাশি শাহবাগের জনসভা নামক ‘গণআড্ডাকে’ও লাইভ করার মতো প্রোগ্রাম মনে হয়নি, তারা একটা চরম উত্কণ্ঠার মধ্যে থাকা দেশবাসীকে গানবাজনা, পুরনো দিনের বাংলা ছায়াছবি ইত্যাদি দেখিয়ে ‘টেনশনমুক্ত’ রাখার চেষ্টা করেছেন!
সরকারের এক প্রতিমন্ত্রীর মালিকানাধীন ‘সময় টিভি’ বর্তমানে ‘সবচেয়ে অ্যাকটিভ সংবাদ চ্যানেল’ হিসেবে নাম কুড়িয়েছে। ছোটখাটো অনেক ঘটনাকেই লাইভ সম্প্রচার করার ক্ষেত্রে তাদের জুড়ি নেই; কিন্তু গতকাল রহস্যজনক কারণে তাদের এই ‘লাইভ জ্বর’ হঠাত্ করে প্রশমিত হয়ে যায়।
একই অবস্থা ছিল ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি, এটিএন নিউজ, আরটিভি, বিটিভি, চ্যানেল নাইন, বৈশাখী টিভি, এশিয়ান টিভি, জিটিভি, দেশ টিভি ও মাই টিভির ক্ষেত্রেও। তারা কেউ লাইভ করেনি।
তবে প্রথমে না করলেও সমাবেশের মাঝামাঝি থেকে লাইভ সম্প্রচার করেছে একুশে টিভি, এনটিভি, চ্যানেল টোয়েন্টি ফোর, বাংলাভিশন, এসএ টিভি। দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টিভি করেছে প্রথম থেকেই।
সমাবেশ বাদ দিয়ে এটিএন বাংলা বেলা ৩টা থেকে ‘বাবার কসম’, চ্যানেল আই বেলা দেড়টা থেকে ‘আয়না’, দেশ টিভি ‘মহামিলন’, আরটিভি ১২টা ৩৫ মিনিট থেকে ‘বিশ্ব বাটপার’, বাংলাভিশন ১টা ৫ মিনিট থেকে ‘স্ত্রীর মর্যাদা’ নামক পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি দেখায়। বৈশাখী টিভি, মাছরাঙা টিভি দুপুর আড়াইটা থেকে ‘শত্রু শত্রু খেলা’, চ্যানেল নাইন সকাল ৯টা থেকে ‘খেয়াঘাটের মাঝি’, জিটিভি বেলা ১টা থেকে দেখায় ‘রঙিলা’ সিনেমাটি।
অপরদিকে অনলাইন পত্রিকাগুলোর কাছেও লংমার্চের চেয়ে গতকালের বিকাল ৪টার শাহবাগি জনসভা নামক ‘গণআড্ডা’র প্রস্তুতির খবরই বেশি গুরুত্ববহ ছিল। সকাল ৯টায় মতিঝিল এলাকা জনসমুদ্র হয়ে গেলেও সেটিকে প্রতিনিধিত্ব করার মতো একটি ছবি দুপুর ২টা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি দৈনিক মানবজমিন ছাড়া আর কোনো অনলাইনে। তবে ২টার পর দিগন্ত টিভি ছাড়াও কয়েকটি টিভি চ্যানেল লাইভ সম্প্রচারে গেলে বাংলানিউজ২৪ডটকম, জাস্ট নিউজ ইত্যাদিতে দু-একটি বড় ছবি দেখা গেছে। কিন্তু একই সময় (এমনকি রাত পর্যন্ত) সমাবেশ সংক্রান্ত বেশিরভাগ সংবাদের সঙ্গে সমাবেশে আসা বিচ্ছিন্ন মিছিলের ছবি জুড়ে দেয়া ছিল।
মহাখালীতে ছাত্রলীগের বাধার প্রেক্ষিতে হেফাজতের কিছু ক্ষুব্ধ কর্মী সেখানকার সভামঞ্চে ভাংচুর করলে এসব পত্রিকায় তার ঘনঘন পক্ষপাতদুষ্ট ‘আপডেট’ ছিল লক্ষণীয়। উল্টোদিকে নারায়ণগঞ্জে ছাত্রলীগের কর্মীরা একাধিক মুসল্লির মাথা ফাটানোর ছবি সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে অফিস পর্যন্ত এলেও পত্রিকাগুলোর ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ হয়নি। অথচ একই সময়ে লংমার্চের আপডেট দেয়া বিভিন্ন ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত এমন ছবিতে ভার্চুয়াল জগতে তখন তোলপাড়। আরও অনেক স্থানে এ ধরনের সরকারি বাহিনীর হামলার খবরও ‘ব্ল্যাক আউট’ করে সব পত্রিকাই।
আর দেশের প্রায় সব জেলা-উপজেলায় সরকারি ক্যাডার আর পুলিশ মিলে শান্তিপ্রিয় মুসল্লিদের বাধা দিয়ে আটকে দেয়ার কোনো খবর প্রথম আলো, বিডিনিউজ, বাংলানিউজসহ কোনো উল্লেখযোগ্য মিডিয়ায় ছিল না! অথচ এমন শত শত ছবি তখন (জায়গার বিস্তারিত বিবরণসহ) ইন্টারনেটে ছিল, যেগুলোতে দেখা গেছে পাশে গাড়ি রেখে হাজারো মুসল্লি রাস্তায়, রাস্তার পাশে নামাজ পড়ছেন, জিকির করছেন অথবা বসে-শুয়ে আছেন। একটু সদিচ্ছা থাকলেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় থাকা নিজেদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ঘটনা যাচাই-বাছাই করে সংবাদ-ছবি প্রকাশ করতে পারত পত্রিকাগুলো। কিন্তু তারা সেটা করেনি। তবে মাসদুয়েক আগে কোনো গণজাগরণ মঞ্চে যেতে এমন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে তার খবর কয়েকদিন ধরে ওইসব পত্রিকায় প্রচারিত হতে দেখা গেছে।
লংমার্চে অংশ নেয়া একাধিক মুসল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, যেসব টিভি চ্যানেল শাহবাগে থাকা হাতেগোনা কয়েকশ’ নাস্তিক ও তাদের সমর্থকদের সমাবেশ, বক্তৃতা থেকে শুরু করে নাচ-গান খাওয়া-দাওয়া-ফুর্তি এমনকি ঘুমানোর দৃশ্যও দিনের পর দিন ‘লাইভ’ সম্প্রচার করেছে, আজ (গতকাল শনিবার) তাদের ক্যামেরা কোথায়? তারা প্রশ্ন রেখে বলেছেন, লাইভ না হয় না-ই করল; কিন্তু আমাদের ব্যাপারে মিথ্যা ও বিদ্বেষমূলক সংবাদ প্রচার করছে কেন?
মুসল্লিদের এমন অভিযোগের পর বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও অনলাইন পত্রিকা (কিছু দৈনিকের অনলাইন ভারসনও) ঘাঁটতে গিয়ে জঘন্যভাবে ফুটে ওঠে এর সত্যতা।
প্রথমেই দেখা যাক টিভি চ্যানেলগুলোর বৈষম্যমূলক আচরণ। অতি নগণ্য ঘটনাকে লাইভ সম্প্রচার করে ‘ঘটনার গুরুত্ব বাড়ানো’য় পটু এদেশের বেশিরভাগ টিভি চ্যানেল গতকালের লংমার্চ ও পরে বাংলাদেশের ইতিহাসে বৃহত্তম সমাবেশকে লাইভ সম্প্রচার করেনি। অথচ আন্তর্জাতিক টিভি স্টেশন আলজাজিরা বাংলাভিশনের সৌজন্যে সমাবেশের চিত্র বেশ কিছুক্ষণ ‘লাইভ’ দেখিয়েছে!
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, যে লংমার্চকে ঘিরে সরকার দিশেহারা, পক্ষ-বিপক্ষ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষ উত্কণ্ঠিত, যেটিকে উপলক্ষ করে ইতিহাস সৃষ্টিকারী হরতাল দেখেছে বিশ্ববাসী, যাতে অংশগ্রহণ করেছে ২ মিলিয়নের বেশি মানুষ সেটিকে উপেক্ষা করে অনেক চ্যানেল তখন শাহবাগের চার-পাঁচশ’ লোকের জমায়েতকে লাইভ সম্প্রচারে ব্যস্ত ছিল! বিকাল ৪টায় সমাবেশ শুরুর আগে ছিল সেই সমাবেশের ঘণ্টাব্যাপী ‘প্রস্তুতি’র লাইভ!
আর যাদের কাছে লংমার্চের পাশাপাশি শাহবাগের জনসভা নামক ‘গণআড্ডাকে’ও লাইভ করার মতো প্রোগ্রাম মনে হয়নি, তারা একটা চরম উত্কণ্ঠার মধ্যে থাকা দেশবাসীকে গানবাজনা, পুরনো দিনের বাংলা ছায়াছবি ইত্যাদি দেখিয়ে ‘টেনশনমুক্ত’ রাখার চেষ্টা করেছেন!
সরকারের এক প্রতিমন্ত্রীর মালিকানাধীন ‘সময় টিভি’ বর্তমানে ‘সবচেয়ে অ্যাকটিভ সংবাদ চ্যানেল’ হিসেবে নাম কুড়িয়েছে। ছোটখাটো অনেক ঘটনাকেই লাইভ সম্প্রচার করার ক্ষেত্রে তাদের জুড়ি নেই; কিন্তু গতকাল রহস্যজনক কারণে তাদের এই ‘লাইভ জ্বর’ হঠাত্ করে প্রশমিত হয়ে যায়।
একই অবস্থা ছিল ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি, এটিএন নিউজ, আরটিভি, বিটিভি, চ্যানেল নাইন, বৈশাখী টিভি, এশিয়ান টিভি, জিটিভি, দেশ টিভি ও মাই টিভির ক্ষেত্রেও। তারা কেউ লাইভ করেনি।
তবে প্রথমে না করলেও সমাবেশের মাঝামাঝি থেকে লাইভ সম্প্রচার করেছে একুশে টিভি, এনটিভি, চ্যানেল টোয়েন্টি ফোর, বাংলাভিশন, এসএ টিভি। দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টিভি করেছে প্রথম থেকেই।
সমাবেশ বাদ দিয়ে এটিএন বাংলা বেলা ৩টা থেকে ‘বাবার কসম’, চ্যানেল আই বেলা দেড়টা থেকে ‘আয়না’, দেশ টিভি ‘মহামিলন’, আরটিভি ১২টা ৩৫ মিনিট থেকে ‘বিশ্ব বাটপার’, বাংলাভিশন ১টা ৫ মিনিট থেকে ‘স্ত্রীর মর্যাদা’ নামক পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি দেখায়। বৈশাখী টিভি, মাছরাঙা টিভি দুপুর আড়াইটা থেকে ‘শত্রু শত্রু খেলা’, চ্যানেল নাইন সকাল ৯টা থেকে ‘খেয়াঘাটের মাঝি’, জিটিভি বেলা ১টা থেকে দেখায় ‘রঙিলা’ সিনেমাটি।
অপরদিকে অনলাইন পত্রিকাগুলোর কাছেও লংমার্চের চেয়ে গতকালের বিকাল ৪টার শাহবাগি জনসভা নামক ‘গণআড্ডা’র প্রস্তুতির খবরই বেশি গুরুত্ববহ ছিল। সকাল ৯টায় মতিঝিল এলাকা জনসমুদ্র হয়ে গেলেও সেটিকে প্রতিনিধিত্ব করার মতো একটি ছবি দুপুর ২টা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি দৈনিক মানবজমিন ছাড়া আর কোনো অনলাইনে। তবে ২টার পর দিগন্ত টিভি ছাড়াও কয়েকটি টিভি চ্যানেল লাইভ সম্প্রচারে গেলে বাংলানিউজ২৪ডটকম, জাস্ট নিউজ ইত্যাদিতে দু-একটি বড় ছবি দেখা গেছে। কিন্তু একই সময় (এমনকি রাত পর্যন্ত) সমাবেশ সংক্রান্ত বেশিরভাগ সংবাদের সঙ্গে সমাবেশে আসা বিচ্ছিন্ন মিছিলের ছবি জুড়ে দেয়া ছিল।
মহাখালীতে ছাত্রলীগের বাধার প্রেক্ষিতে হেফাজতের কিছু ক্ষুব্ধ কর্মী সেখানকার সভামঞ্চে ভাংচুর করলে এসব পত্রিকায় তার ঘনঘন পক্ষপাতদুষ্ট ‘আপডেট’ ছিল লক্ষণীয়। উল্টোদিকে নারায়ণগঞ্জে ছাত্রলীগের কর্মীরা একাধিক মুসল্লির মাথা ফাটানোর ছবি সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে অফিস পর্যন্ত এলেও পত্রিকাগুলোর ওয়েবসাইটে তা প্রকাশ হয়নি। অথচ একই সময়ে লংমার্চের আপডেট দেয়া বিভিন্ন ফেসবুক পেজ থেকে প্রকাশিত এমন ছবিতে ভার্চুয়াল জগতে তখন তোলপাড়। আরও অনেক স্থানে এ ধরনের সরকারি বাহিনীর হামলার খবরও ‘ব্ল্যাক আউট’ করে সব পত্রিকাই।
আর দেশের প্রায় সব জেলা-উপজেলায় সরকারি ক্যাডার আর পুলিশ মিলে শান্তিপ্রিয় মুসল্লিদের বাধা দিয়ে আটকে দেয়ার কোনো খবর প্রথম আলো, বিডিনিউজ, বাংলানিউজসহ কোনো উল্লেখযোগ্য মিডিয়ায় ছিল না! অথচ এমন শত শত ছবি তখন (জায়গার বিস্তারিত বিবরণসহ) ইন্টারনেটে ছিল, যেগুলোতে দেখা গেছে পাশে গাড়ি রেখে হাজারো মুসল্লি রাস্তায়, রাস্তার পাশে নামাজ পড়ছেন, জিকির করছেন অথবা বসে-শুয়ে আছেন। একটু সদিচ্ছা থাকলেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় থাকা নিজেদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ঘটনা যাচাই-বাছাই করে সংবাদ-ছবি প্রকাশ করতে পারত পত্রিকাগুলো। কিন্তু তারা সেটা করেনি। তবে মাসদুয়েক আগে কোনো গণজাগরণ মঞ্চে যেতে এমন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে তার খবর কয়েকদিন ধরে ওইসব পত্রিকায় প্রচারিত হতে দেখা গেছে।
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
ফটোফিচার
Comments