ঢাবিতে তিন ছাত্রকে বেধড়ক পিটিয়েছে ছাত্রলীগ
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার
| পরের সংবাদ» |
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সন্দেহভাজন তিন ছাত্রকে বেধড়ক পিটিয়েছে ছাত্রলীগ। এদের মধ্যে পলাশকে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহত অন্য দুই ছাত্র হলো সাইফ ও মামুন। তারা সূর্যসেন হলের ছাত্র। বেধড়ক পিটুনি শেষে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। গতকাল দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বিভিন্ন বিভাগ থেকে ৮টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। ভবনের ভেতর থেকে ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ক্যাম্পাসে আরও ৫টি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) গেটের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এসময় আইবিএর গেট বন্ধ করে সন্দেহমূলক পলাশকে ধরে মারধর শুরু করে ছাত্রলীগ। বেধড়ক পিটিয়ে তার সঙ্গে থাকা অন্যদের নাম জানতে চাওয়া হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী পিটুনি শেষে তার দেয়া ভাষ্যমতে সাইফ ও মামুন নামে আরও দুই ছাত্রকে আটক করে ছাত্রলীগ। পরে তাদের আইবিএর ভেতর থেকে মারতে মারতে মধুর ক্যান্টিনের সামনে পুলিশ প্রটেকশনে প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিমের গাড়িতে ওঠানো হয়। পুলিশের হাত থেকে তাদের ছিনিয়ে নিয়ে ফের পেটানো শুরু হয়। এক পর্যায়ে ইট দিয়ে পলাশের মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়। পরে পুলিশ নিথর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বাংলা বিভাগ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের টয়লেট থেকে চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোমা নিষ্ক্র্রিয়কারী টিমের সদস্যরা তল্লাশি চালিয়ে কলাভবনের তিনতলার ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের পাশ থেকে আরও দুটি বোমা উদ্ধার করে। দুপুর ১২টার দিকে টিএসসির জনতা ব্যাংকের সামনে থেকে আরও দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ডিবির বোমা নিষ্ক্রিয় টিমের ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এগুলোকে বোমা হিসেবেই মনে করছি। তবে এগুলো ককটেলও হতে পারে।
এরপর বিকাল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এফ রহমান হলের সামনে দুটি ও পলাশীতে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
কলাভবন থেকে ককটেল উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। থমথমে পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আমজাদ আলী বলেন, ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য যারা হরতাল ডেকেছে, তারাই ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। কিন্তু কলাভবনের মতো স্থানে ককটেল রাখা অত্যন্ত নৈতিকতা বিবর্জিত। এটা কোনোভাবেই মানা যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে আজ থেকে কলাভবনসহ সব ভবনের গেটে পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বাংলা বিভাগ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের টয়লেট থেকে চারটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোমা নিষ্ক্র্রিয়কারী টিমের সদস্যরা তল্লাশি চালিয়ে কলাভবনের তিনতলার ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের পাশ থেকে আরও দুটি বোমা উদ্ধার করে। দুপুর ১২টার দিকে টিএসসির জনতা ব্যাংকের সামনে থেকে আরও দুটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ডিবির বোমা নিষ্ক্রিয় টিমের ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা এগুলোকে বোমা হিসেবেই মনে করছি। তবে এগুলো ককটেলও হতে পারে।
এরপর বিকাল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এফ রহমান হলের সামনে দুটি ও পলাশীতে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
কলাভবন থেকে ককটেল উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। থমথমে পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আমজাদ আলী বলেন, ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য যারা হরতাল ডেকেছে, তারাই ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। কিন্তু কলাভবনের মতো স্থানে ককটেল রাখা অত্যন্ত নৈতিকতা বিবর্জিত। এটা কোনোভাবেই মানা যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে আজ থেকে কলাভবনসহ সব ভবনের গেটে পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে জানান তিনি।
Comments