মাহমুদুর রহমানকে নয় গোটা বাংলাদেশের মানুষকে ধরা হয়েছে: ফরহাদ মজহার
স্টাফ রিপোর্টার
বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি ফরহাদ মজহার বলেন, “আমরা অত্যন্ত সংকটের মধ্যে আছি। মাহমুদুর রহমানকে ধরে নেয়া হয়নি, গোটা বাংলাদেশের মানুষকে গতকাল ধরে নেয়া হয়েছে। এ লড়াই শুধু নাস্তিক-আস্তিকের লড়াই নয়, এটা ধনী ও গরিবের লড়াই। এ লড়াই জালিমের বিরুদ্ধে। এদেশকে আমরা আফগানিস্তান, ইরাক হতে দেব না।”
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সকাল বেলা চোরের মতো এসে এবার মাহমুদুর রহমানের মাথায় গুলি ঠেকিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পত্রিকার কণ্ঠস্বর বন্ধ করবেন না। টিকতে পারবেন না। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে যে ভুয়া বানোয়াট মামলা দিয়েছেন তা প্রত্যাহার করুন। আপনারা ভাববেন না যে, বিশ্বের কোনো সচেতন মানুষ আপনাদের এসব ভুয়া মামলাকে বিশ্বাস করেন। আপনারা আমাদের ধৈযের্র বাঁধ ভাঙবেন না। এ সরকারের অধীনে কেউ নিরাপদ নয়। আমরা গুম হয়ে যাবো।”
‘মাহমুদুর রহমান সম্পাদক নয়’ বলে যেসব সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে কথা বলেন তাদের উদ্দেশ্যে ফরহাদ মজহার বলেন, “আপনারা সোজা হয়ে যান। আপনারা মনে করেন টিভিতে বানিয়ে মিছা বললেই মানুষ বিশ্বাস করে। আসলে তা নয়। মানুষ তা বিশ্বাস করে না। এমন বিতর্কিত কথা বলে আপনারা দেশবাসীর কাছে নিজেকে নগ্ন করে তুলছেন। নিজেকে হাস্যকর করে তুলবেন না।”
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, “আমার দেশ প্রেস সিলগালা করে দেয়া হয়েছে, এটা কিসের আলামত। আমরা এটা দেখেছি ৭৫ সালে। বর্তমান সরকার এর আগেও ক্ষমতায় এসে একাধিক পত্রিকা বন্ধ করেছে। এবার এসেও কয়েকটি গণমাধ্যম বন্ধ করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে ১৭ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। একটি নিরাপদ ফম্ল্যাটে হত্যার শিকার হওয়া সাগর-রুনির হত্যাকারীদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রেফতার না করতে পারলেও নিজ অফিস থেকে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে বীরত্ব দেখাচ্ছেন।”
টিভি টকশোতে মাহমুদুর রহমানের বিরোধিতাকারীদের লক্ষ্য করে তিনি বলেন, “যিনি লিখতে জানেন তিনি সম্পাদক নন, আর যিনি এক লাইনও লিখতে জানেন না তিনি এদেশে সম্পাদক। হাস্যকার বিষয়। এদেশে জমি, পানির ব্যবসায়ী ও কেনা রাজনীতিবিদ ও দালালরা সম্পাদক। তাই মাহমুদুর রহমানকে তারা সম্পাদক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায় না।”
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শওকত মাহমুদ বলেন, “মাহমুদুর রহমান যদি মুক্তি না পায় দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়বে। যারা উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুড়ে ভাবছেন তারা বেঁচে যাবে, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। একদিন আপনারাও আক্রান্ত হবেন।”
সাংবাদিকদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, “যারা টিভি টকশোতে মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতারের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ মানবতার পক্ষে থাকুন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে থাকুন। আপনাদের যুক্তি শুনে মানুষ হাসছে।”
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস শহিদ বলেন, “আওয়ামী লীগ আর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একসঙ্গে যায় না। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর চ্যানেল ওয়ান বন্ধ হয়েছে, আমার দেশ দুইবার বন্ধ হয়েছে। যমুনা টিভিকে আসতে দেয়নি। অসংখ্য সাংবাদিক হত্যা করা হয়েছে। দেশের মানুষের সামনে যাতে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে না পারে সেজন্য সরকার আমার দেশ বন্ধ করে দিয়েছে।”
ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, “মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের পর গতকাল রাতের টিভি টকশোতে কিছু দালাল সম্পাদক বলেছেন মাহমুদুর রহমান প্রকৃত সম্পাদক নন। আমরা জাতীয় শত্রুদের চিনে রাখছি। এদেশে কালে টাকার মালিক সম্পাদক হতে পারে, দলীয় টিকেটে নির্বাচন করে সম্পাদক হতে পারে অথচ লিখতে পারা মাহমুদুর রহমানকে সম্পাদক নন বলে মত দেয়া হচ্ছে। শুধু একটি দলের পক্ষে লিখলে এ দেশে সাংবাদিক হওয়া যায়, এটা হতে পারে না।”
সমাবেশে বক্তব্য দেন এলাহী নেওয়াজ খান শাজাহান, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের ঢাকা মহানগরীর সভাপতি ডা. এ কে এম অলিউল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তাজমেরি এস ইসলাম, সাংবাদিক বাসির জামাল, কাদের গণি চৌধুরী, প্রকৌশী ইয়ামেনুল ইসলাম রীজু প্রমুখ।
সমাবেশে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মেজর অব. বশির রহমান, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এম এ ফারুক, ড্যাবের সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন, সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাস্তুহারা দলের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান টিটু, ডা. মোহাম্মদ তোহা প্রমুখ সংহতি প্রকাশ করেন।
বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি ফরহাদ মজহার বলেন, “আমরা অত্যন্ত সংকটের মধ্যে আছি। মাহমুদুর রহমানকে ধরে নেয়া হয়নি, গোটা বাংলাদেশের মানুষকে গতকাল ধরে নেয়া হয়েছে। এ লড়াই শুধু নাস্তিক-আস্তিকের লড়াই নয়, এটা ধনী ও গরিবের লড়াই। এ লড়াই জালিমের বিরুদ্ধে। এদেশকে আমরা আফগানিস্তান, ইরাক হতে দেব না।”
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সকাল বেলা চোরের মতো এসে এবার মাহমুদুর রহমানের মাথায় গুলি ঠেকিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পত্রিকার কণ্ঠস্বর বন্ধ করবেন না। টিকতে পারবেন না। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে যে ভুয়া বানোয়াট মামলা দিয়েছেন তা প্রত্যাহার করুন। আপনারা ভাববেন না যে, বিশ্বের কোনো সচেতন মানুষ আপনাদের এসব ভুয়া মামলাকে বিশ্বাস করেন। আপনারা আমাদের ধৈযের্র বাঁধ ভাঙবেন না। এ সরকারের অধীনে কেউ নিরাপদ নয়। আমরা গুম হয়ে যাবো।”
‘মাহমুদুর রহমান সম্পাদক নয়’ বলে যেসব সাংবাদিক তার বিরুদ্ধে কথা বলেন তাদের উদ্দেশ্যে ফরহাদ মজহার বলেন, “আপনারা সোজা হয়ে যান। আপনারা মনে করেন টিভিতে বানিয়ে মিছা বললেই মানুষ বিশ্বাস করে। আসলে তা নয়। মানুষ তা বিশ্বাস করে না। এমন বিতর্কিত কথা বলে আপনারা দেশবাসীর কাছে নিজেকে নগ্ন করে তুলছেন। নিজেকে হাস্যকর করে তুলবেন না।”
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, “আমার দেশ প্রেস সিলগালা করে দেয়া হয়েছে, এটা কিসের আলামত। আমরা এটা দেখেছি ৭৫ সালে। বর্তমান সরকার এর আগেও ক্ষমতায় এসে একাধিক পত্রিকা বন্ধ করেছে। এবার এসেও কয়েকটি গণমাধ্যম বন্ধ করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে ১৭ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। একটি নিরাপদ ফম্ল্যাটে হত্যার শিকার হওয়া সাগর-রুনির হত্যাকারীদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রেফতার না করতে পারলেও নিজ অফিস থেকে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে বীরত্ব দেখাচ্ছেন।”
টিভি টকশোতে মাহমুদুর রহমানের বিরোধিতাকারীদের লক্ষ্য করে তিনি বলেন, “যিনি লিখতে জানেন তিনি সম্পাদক নন, আর যিনি এক লাইনও লিখতে জানেন না তিনি এদেশে সম্পাদক। হাস্যকার বিষয়। এদেশে জমি, পানির ব্যবসায়ী ও কেনা রাজনীতিবিদ ও দালালরা সম্পাদক। তাই মাহমুদুর রহমানকে তারা সম্পাদক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায় না।”
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শওকত মাহমুদ বলেন, “মাহমুদুর রহমান যদি মুক্তি না পায় দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়বে। যারা উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুড়ে ভাবছেন তারা বেঁচে যাবে, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। একদিন আপনারাও আক্রান্ত হবেন।”
সাংবাদিকদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, “যারা টিভি টকশোতে মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতারের পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ মানবতার পক্ষে থাকুন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পক্ষে থাকুন। আপনাদের যুক্তি শুনে মানুষ হাসছে।”
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস শহিদ বলেন, “আওয়ামী লীগ আর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একসঙ্গে যায় না। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর চ্যানেল ওয়ান বন্ধ হয়েছে, আমার দেশ দুইবার বন্ধ হয়েছে। যমুনা টিভিকে আসতে দেয়নি। অসংখ্য সাংবাদিক হত্যা করা হয়েছে। দেশের মানুষের সামনে যাতে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে না পারে সেজন্য সরকার আমার দেশ বন্ধ করে দিয়েছে।”
ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান বলেন, “মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের পর গতকাল রাতের টিভি টকশোতে কিছু দালাল সম্পাদক বলেছেন মাহমুদুর রহমান প্রকৃত সম্পাদক নন। আমরা জাতীয় শত্রুদের চিনে রাখছি। এদেশে কালে টাকার মালিক সম্পাদক হতে পারে, দলীয় টিকেটে নির্বাচন করে সম্পাদক হতে পারে অথচ লিখতে পারা মাহমুদুর রহমানকে সম্পাদক নন বলে মত দেয়া হচ্ছে। শুধু একটি দলের পক্ষে লিখলে এ দেশে সাংবাদিক হওয়া যায়, এটা হতে পারে না।”
সমাবেশে বক্তব্য দেন এলাহী নেওয়াজ খান শাজাহান, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের ঢাকা মহানগরীর সভাপতি ডা. এ কে এম অলিউল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তাজমেরি এস ইসলাম, সাংবাদিক বাসির জামাল, কাদের গণি চৌধুরী, প্রকৌশী ইয়ামেনুল ইসলাম রীজু প্রমুখ।
সমাবেশে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মেজর অব. বশির রহমান, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এম এ ফারুক, ড্যাবের সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন, সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাস্তুহারা দলের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান টিটু, ডা. মোহাম্মদ তোহা প্রমুখ সংহতি প্রকাশ করেন।
Comments