হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফী : তৌহিদি জনতা ইসলামের ওপর আঘাত মেনে নেবে না
চট্টগ্রাম ব্যুরো
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ হরতাল কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগের গুলিবর্ষণ, সন্ত্রাসী হামলা, মামলা দায়ের ও পুলিশের গ্রেফতার অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। তিনি অবিলম্বে হামলা-মামলা ও গ্রেফতার বন্ধ করে দায়ী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণের জোর দাবি জানিয়েছেন। এদিকে গতকাল দিনভর হরতাল চলাকালে দেশব্যাপী পুলিশ ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তাণ্ডবের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে হাটহাজারী মাদরাসায় জরুরি বৈঠকে বসেছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতারা। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।
গতকাল এক বিবৃতিতে দেশব্যাপী হেফাজতে ইসলামের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে পালন করায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ওলামায়ে কেরাম, মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, নেতাকর্মী, তৌহিদি জনতা ও দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান। তবে দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে হরতালে বাধাদান ও হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, আজ সকাল থেকেই আমার কাছে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে খবর আসছিল, রাস্তায় শান্তিপূর্ণভাবে জায়নামাজ বিছিয়ে জিকিরের সঙ্গে অবস্থানকারী হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী, ওলামায়ে কেরাম ও মাদরাসা ছাত্রদের ওপর ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের ক্যাডার বাহিনী গুলি বর্ষণ, দা-ছুরি ও লাঠি নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আমাদের শত শত নিরীহ নেতাকর্মীকে আহত করেছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আসছে, সরকারের পুলিশ বাহিনী অনেক আলেম ও মাদরাসার ছাত্রকে হয়রানিমূলক গ্রেফতার করে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। বরিশাল ও কুষ্টিয়ায় হেফাজতের জেলা সভাপতিসহ অসংখ্য আলেমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন মিডিয়ায় সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও ইসলামবিদ্বেষীরা হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের বিপরীতে সরকারের এহেন আগ্রাসী আচরণ কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে না।
আল্লামা শফী বলেন, লংমার্চ করে ঢাকায় এ যাবতকালের নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ বৃহত্ মহাসমাবেশের মাধ্যমে এদেশের তৌহিদি জনতা ও ওলামায়ে কেরাম সরকারের প্রতি ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করেছে। সরকারপ্রধানসহ বিভিন্ন মন্ত্রী আমাদের ন্যায্য দাবির ব্যাপারে একাত্মতাও প্রকাশ করেছিল। কিন্তু একান্তই ধর্ম ও নৈতিকতা সংশ্লিষ্ট আমাদের দাবিগুলো মেনে নেয়ার সরল পথে না গিয়ে মনে হচ্ছে সরকার উল্টো ওলামা-মাশায়েখ ও তৌহিদি জনতাকে দমন-পীড়নে নেমেছে। কার্যত, সরকার ৯০ ভাগ মুসলমানের পক্ষে না গিয়ে গুটিকয়েক নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তৌহিদি জনতার সঙ্গে সরকারের চরম এই প্রতারণাপূর্ণ আচরণ এদেশের মুসলমান কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, হেফাজতে ইসলাম শুরু থেকেই অরাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সর্বশেষ ৬ এপ্রিল লংমার্চ ও ঢাকায় এ যাবতকালের বৃহত্ মহাসমাবেশের মাধ্যমে আমাদের শান্তিপূর্ণ অরাজনৈতিক অবস্থান জাতির কাছে পরিষ্কার করেছি। আল্লাহ, রাসুল ও ইসলামের বিরুদ্ধে জঘন্য অবমাননাসহ ইসলামবিরোধী বিভিন্ন তত্পরতা বন্ধের দাবিতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিসহ সরকারের কাছে আমরা ১৩ দফা দাবি পেশ করেছি। কিন্তু সরকার আমাদের দাবি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখন সম্পূর্ণ উল্টো অবস্থান নিয়েছে। গতকাল আমাদের হরতালে দেশব্যাপী মাদরাসার নিরীহ ছাত্র-শিক্ষক ও তৌহিদি জনতার ওপর ছাত্রলীগের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে নগ্ন হামলা চালিয়েছে। শত শত আলেমকে আহত করেছে। আমরা এ অন্যায়-জুলুম-অত্যাচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এসব বন্ধ, দায়ীদের কঠোর শাস্তি, আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে কোটি কোটি মুসলমানের প্রাণের দাবি ১৩ দফা বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করছি। সরকার আমাদের এই ন্যায্য দাবি না মেনে উল্টো অবস্থান নিলে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতির দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। লংমার্চ কর্মসূচি থেকেই সরকারের বুঝা উচিত, এদেশের তৌহিদি জনতা যে কোনো দমন-পীড়নে কখনও মাথানত করে ইসলামের ওপর আঘাত ও অন্যায় মেনে নেবে না।
এদিকে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে প্রকাশিত মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার সম্পাদক মুনীর আহমদ জানান, গতকাল সারাদেশে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের তাণ্ডবের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে গতরাতে হাটহাজারী মাদরাসায় জরুরি বৈঠকে বসেছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতারা। হেফাজতে ইসলামের আমির হজরত আল্লামা শাহ আহমদ শফী এবং মহাসচিব আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী দিনভর হরতালের খোঁজখবর নেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও শত শত নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের জন্য তারা জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি জসীম উদ্দীন, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা শফিউল আলম ও স্থানীয় অন্যান্য নেতারা।
অন্যদিকে সকাল ১১টায় হাটহাজারী সার্কেল এএসপি আফম নিজাম উদ্দীন এবং হাটহাজারী থানা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম লিয়াকত আলী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে দেখা করতে এলে বরিশাল ও কুষ্টিয়ার হেফাজতে ইসলামের জেলা সভাপতিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্যায়ভাবে ওলামায়ে কেরাম ও হেফাজত কর্মীদের গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত সব আলেম ও মাদরাসা ছাত্রদের মুক্তি দিয়ে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও দমন-পীড়ন বন্ধের দাবি জানান হেফাজত আমির। তাদের সঙ্গে আলোচনার সময় দেশের কয়েক স্থানে ওলামায়ে কেরামের ওপর সন্ত্রাসী হামলার খবর এলে আল্লামা শাহ আহমদ শফী তাদের জানান, ওলামায়ে কেরামের শান্তিপূর্ণ অবস্থানকে সহিংসতার দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বারবার উসকানি দেয়া হচ্ছে। লংমার্চে হরতাল, বিভিন্ন স্থানে লংমার্চ কাফেলায় আক্রমণ এবং আজকের শান্তিপূর্ণ হরতালে নিরীহ আলেম ও নেতাকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় সরকারি ও বামপন্থী রাজনৈতিক দলের নেতা ও শাহবাগিদের উসকানি ছিল। তাছাড়া সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী হেফাজতে ইসলাম ও তাদের ঈমানি দাবি নিয়ে মিডিয়ায় পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও অপপ্রচার শুরু করেছে। সরকার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ও ওলামায়ে কেরামের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত রাখলে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।
গতকাল এক বিবৃতিতে দেশব্যাপী হেফাজতে ইসলামের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে পালন করায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ওলামায়ে কেরাম, মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, নেতাকর্মী, তৌহিদি জনতা ও দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান। তবে দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে হরতালে বাধাদান ও হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে হেফাজতে ইসলামের আমির বলেন, আজ সকাল থেকেই আমার কাছে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে খবর আসছিল, রাস্তায় শান্তিপূর্ণভাবে জায়নামাজ বিছিয়ে জিকিরের সঙ্গে অবস্থানকারী হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী, ওলামায়ে কেরাম ও মাদরাসা ছাত্রদের ওপর ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের ক্যাডার বাহিনী গুলি বর্ষণ, দা-ছুরি ও লাঠি নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আমাদের শত শত নিরীহ নেতাকর্মীকে আহত করেছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আসছে, সরকারের পুলিশ বাহিনী অনেক আলেম ও মাদরাসার ছাত্রকে হয়রানিমূলক গ্রেফতার করে তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। বরিশাল ও কুষ্টিয়ায় হেফাজতের জেলা সভাপতিসহ অসংখ্য আলেমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন মিডিয়ায় সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও ইসলামবিদ্বেষীরা হেফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের বিপরীতে সরকারের এহেন আগ্রাসী আচরণ কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে না।
আল্লামা শফী বলেন, লংমার্চ করে ঢাকায় এ যাবতকালের নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ বৃহত্ মহাসমাবেশের মাধ্যমে এদেশের তৌহিদি জনতা ও ওলামায়ে কেরাম সরকারের প্রতি ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করেছে। সরকারপ্রধানসহ বিভিন্ন মন্ত্রী আমাদের ন্যায্য দাবির ব্যাপারে একাত্মতাও প্রকাশ করেছিল। কিন্তু একান্তই ধর্ম ও নৈতিকতা সংশ্লিষ্ট আমাদের দাবিগুলো মেনে নেয়ার সরল পথে না গিয়ে মনে হচ্ছে সরকার উল্টো ওলামা-মাশায়েখ ও তৌহিদি জনতাকে দমন-পীড়নে নেমেছে। কার্যত, সরকার ৯০ ভাগ মুসলমানের পক্ষে না গিয়ে গুটিকয়েক নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তৌহিদি জনতার সঙ্গে সরকারের চরম এই প্রতারণাপূর্ণ আচরণ এদেশের মুসলমান কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, হেফাজতে ইসলাম শুরু থেকেই অরাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সর্বশেষ ৬ এপ্রিল লংমার্চ ও ঢাকায় এ যাবতকালের বৃহত্ মহাসমাবেশের মাধ্যমে আমাদের শান্তিপূর্ণ অরাজনৈতিক অবস্থান জাতির কাছে পরিষ্কার করেছি। আল্লাহ, রাসুল ও ইসলামের বিরুদ্ধে জঘন্য অবমাননাসহ ইসলামবিরোধী বিভিন্ন তত্পরতা বন্ধের দাবিতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিসহ সরকারের কাছে আমরা ১৩ দফা দাবি পেশ করেছি। কিন্তু সরকার আমাদের দাবি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখন সম্পূর্ণ উল্টো অবস্থান নিয়েছে। গতকাল আমাদের হরতালে দেশব্যাপী মাদরাসার নিরীহ ছাত্র-শিক্ষক ও তৌহিদি জনতার ওপর ছাত্রলীগের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে নগ্ন হামলা চালিয়েছে। শত শত আলেমকে আহত করেছে। আমরা এ অন্যায়-জুলুম-অত্যাচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এসব বন্ধ, দায়ীদের কঠোর শাস্তি, আহত-নিহতদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে কোটি কোটি মুসলমানের প্রাণের দাবি ১৩ দফা বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করছি। সরকার আমাদের এই ন্যায্য দাবি না মেনে উল্টো অবস্থান নিলে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতির দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। লংমার্চ কর্মসূচি থেকেই সরকারের বুঝা উচিত, এদেশের তৌহিদি জনতা যে কোনো দমন-পীড়নে কখনও মাথানত করে ইসলামের ওপর আঘাত ও অন্যায় মেনে নেবে না।
এদিকে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে প্রকাশিত মাসিক মঈনুল ইসলাম পত্রিকার সম্পাদক মুনীর আহমদ জানান, গতকাল সারাদেশে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের তাণ্ডবের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে গতরাতে হাটহাজারী মাদরাসায় জরুরি বৈঠকে বসেছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতারা। হেফাজতে ইসলামের আমির হজরত আল্লামা শাহ আহমদ শফী এবং মহাসচিব আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী দিনভর হরতালের খোঁজখবর নেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও শত শত নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের জন্য তারা জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি জসীম উদ্দীন, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা শফিউল আলম ও স্থানীয় অন্যান্য নেতারা।
অন্যদিকে সকাল ১১টায় হাটহাজারী সার্কেল এএসপি আফম নিজাম উদ্দীন এবং হাটহাজারী থানা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম লিয়াকত আলী আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে দেখা করতে এলে বরিশাল ও কুষ্টিয়ার হেফাজতে ইসলামের জেলা সভাপতিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্যায়ভাবে ওলামায়ে কেরাম ও হেফাজত কর্মীদের গ্রেফতার ও মিথ্যা মামলা দায়েরের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত সব আলেম ও মাদরাসা ছাত্রদের মুক্তি দিয়ে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও দমন-পীড়ন বন্ধের দাবি জানান হেফাজত আমির। তাদের সঙ্গে আলোচনার সময় দেশের কয়েক স্থানে ওলামায়ে কেরামের ওপর সন্ত্রাসী হামলার খবর এলে আল্লামা শাহ আহমদ শফী তাদের জানান, ওলামায়ে কেরামের শান্তিপূর্ণ অবস্থানকে সহিংসতার দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বারবার উসকানি দেয়া হচ্ছে। লংমার্চে হরতাল, বিভিন্ন স্থানে লংমার্চ কাফেলায় আক্রমণ এবং আজকের শান্তিপূর্ণ হরতালে নিরীহ আলেম ও নেতাকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় সরকারি ও বামপন্থী রাজনৈতিক দলের নেতা ও শাহবাগিদের উসকানি ছিল। তাছাড়া সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী হেফাজতে ইসলাম ও তাদের ঈমানি দাবি নিয়ে মিডিয়ায় পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও অপপ্রচার শুরু করেছে। সরকার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ও ওলামায়ে কেরামের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত রাখলে উদ্ভূত যে কোনো পরিস্থিতির দায় সরকারকেই বহন করতে হবে।
Comments