আটকের ৫ দিনেও শিবির নেতা মাসুমকে আদালতে হাজির করেনি র্যাব
রাজশাহী অফিস
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
আটকের পাঁচ দিন পরও রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমকে আদালতে হাজির করেনি র্যাব। র্যাব-৫ ও রাজশাহী মহানগর পুলিশের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও মাসুমের সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগ-উত্কণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবারের সদস্যরা। এ পর্যায়ে তারা মাসুমের জীবননাশ তথা গুমের আশঙ্কাও করছেন। সংবাদ সম্মেলন করে পরিবারের সদস্যরা অবিলম্বে মাসুমকে আদালতে হাজির করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, ৪ এপ্রিল রাত আড়াইটার দিকে মাসুমকে আটক করতে নগরীর নতুন বিলশিমলা বন্ধ গেট এলাকায় তার মামার ১৭৫নং বাড়িতে র্যাব-৫ এর সদস্যরা অভিযান চালায়। অভিযানে অংশ নেয় র্যাব সদস্য বুলবুল, নাহিদসহ ৩০-৪০ জন। এ সময় তারা বাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় মহানগর শিবিরের অফিস সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমকে আটক করে। এ অভিযানে পরিবারের অন্য সদস্যদের একটি কক্ষে আটকে রেখে অন্য কক্ষে নিয়ে মাসুমের ওপর নির্যাতন চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ঘণ্টাব্যাপী নির্যাতনের পর তার ব্যবহৃত ল্যাপটপ, বাসায় থাকা ডেক্সটপ, ৫-৬টি মোবাইল ও দুইটি পিস্তল তার সামনে দিয়ে ছবি উঠিয়ে নেয় র্যাব সদস্যরা। এরপর রাত চারটার দিকে মাসুমকে নিয়ে তারা মহানগরীর শাহাজিপাড়া এলাকার বিভিন্ন ছাত্রাবাসে শিবিরকর্মীদের আটকে অভিযান চালায়। পরে ওই এলাকার একটি ছাত্রাবাসে মাসুমকে নিয়ে গিয়ে সেখানকার শিক্ষার্থী মোমিন, তুহিন, খায়রুল, ডালিম, জাহিদ, মোনায়েমসহ আরও অনেকের কাছে তারা মাসুমকে চেনে কি না জানতে চায়। এ সময় গ্রেফতারের ভয়ে শিক্ষার্থীরা মাসুমকে না চেনার কথা জানায়। এরপর সেখান থেকে মাসুমকে নিয়ে যায় বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা।
এদিকে আটকের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও র্যাব সদস্যরা তাকে আদালতে সোপর্দ না করায় পরিবারের সদস্যরা র্যাব-৫ এর সদর দফতরে এবং রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পে যোযাযোগ করেন। এ সময় র্যাবের পক্ষ থেকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।
পরে মহানগর পুলিশের ডিবি অফিসসহ নগরীর থানাগুলোতে যোগাযোগ করার পরও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মাসুমের সন্ধান দিতে এবং আদালতে হাজিরের দাবি জানিয়ে গত শনিবার পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
অপর একটি সূত্র জানায়, আটকের পর মাসুমকে ওই দিন র্যাবের রেলওয়ে কালোনি ক্যাম্পে অন্য আটককৃতদের সঙ্গে রাখা হয়। এ সময় মাসুমকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে হাতকরা পরিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে আটকরা একসঙ্গে আছর, মাগরিব এবং এশার নামাজ আদায় করেন। একসঙ্গে রাতের খাবারও খান। পরে রাত সাড়ে বারোটার দিকে র্যাব সদস্যরা তাকে সেখান থেকে নিয়ে যায় বলে জানান র্যাবের হাতে আটকের পর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত একজন। এরপর থেকে আর মাসুমের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
মাসুমের মা নূরজাহান বেগম, বোন মাহমুদা পারভীন এবং ভাবি স্বপ্না জানান, গত শনিবার মাসুমের সন্ধান পেতে র্যাবের রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পে গেলে ওই নামে কাউকে আটক করে হয়নি বলে জানানো হয়। পরে তারা র্যাব-৫ এর সদর দফতরে গেলে সেখানেও মাসুমকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়। এ সময় র্যাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে ভেতরে প্রবেশের জন্য র্যাব-৫ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে রিসিপশনে নাম এন্ট্রি করা হলেও পরে আর ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে গতকাল দুপুরে র্যাব-৫ রাজশাহীর অধিনায়ক লে. কর্নেল আনোয়ার লতিফ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আনোয়ারুল ইসলাম মাসুম নামের কাউকে আটক করা হয়নি। সদ্য মুক্তি পাওয়া এক ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে র্যাব-৫ অফিস মাসুমকে দেখার বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, একজন বানিয়ে গল্প বললেন আর আপনি বিশ্বাস করে নিলেন?
পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, ৪ এপ্রিল রাত আড়াইটার দিকে মাসুমকে আটক করতে নগরীর নতুন বিলশিমলা বন্ধ গেট এলাকায় তার মামার ১৭৫নং বাড়িতে র্যাব-৫ এর সদস্যরা অভিযান চালায়। অভিযানে অংশ নেয় র্যাব সদস্য বুলবুল, নাহিদসহ ৩০-৪০ জন। এ সময় তারা বাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় মহানগর শিবিরের অফিস সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম মাসুমকে আটক করে। এ অভিযানে পরিবারের অন্য সদস্যদের একটি কক্ষে আটকে রেখে অন্য কক্ষে নিয়ে মাসুমের ওপর নির্যাতন চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ঘণ্টাব্যাপী নির্যাতনের পর তার ব্যবহৃত ল্যাপটপ, বাসায় থাকা ডেক্সটপ, ৫-৬টি মোবাইল ও দুইটি পিস্তল তার সামনে দিয়ে ছবি উঠিয়ে নেয় র্যাব সদস্যরা। এরপর রাত চারটার দিকে মাসুমকে নিয়ে তারা মহানগরীর শাহাজিপাড়া এলাকার বিভিন্ন ছাত্রাবাসে শিবিরকর্মীদের আটকে অভিযান চালায়। পরে ওই এলাকার একটি ছাত্রাবাসে মাসুমকে নিয়ে গিয়ে সেখানকার শিক্ষার্থী মোমিন, তুহিন, খায়রুল, ডালিম, জাহিদ, মোনায়েমসহ আরও অনেকের কাছে তারা মাসুমকে চেনে কি না জানতে চায়। এ সময় গ্রেফতারের ভয়ে শিক্ষার্থীরা মাসুমকে না চেনার কথা জানায়। এরপর সেখান থেকে মাসুমকে নিয়ে যায় বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা।
এদিকে আটকের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও র্যাব সদস্যরা তাকে আদালতে সোপর্দ না করায় পরিবারের সদস্যরা র্যাব-৫ এর সদর দফতরে এবং রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পে যোযাযোগ করেন। এ সময় র্যাবের পক্ষ থেকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়।
পরে মহানগর পুলিশের ডিবি অফিসসহ নগরীর থানাগুলোতে যোগাযোগ করার পরও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মাসুমের সন্ধান দিতে এবং আদালতে হাজিরের দাবি জানিয়ে গত শনিবার পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
অপর একটি সূত্র জানায়, আটকের পর মাসুমকে ওই দিন র্যাবের রেলওয়ে কালোনি ক্যাম্পে অন্য আটককৃতদের সঙ্গে রাখা হয়। এ সময় মাসুমকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে হাতকরা পরিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে আটকরা একসঙ্গে আছর, মাগরিব এবং এশার নামাজ আদায় করেন। একসঙ্গে রাতের খাবারও খান। পরে রাত সাড়ে বারোটার দিকে র্যাব সদস্যরা তাকে সেখান থেকে নিয়ে যায় বলে জানান র্যাবের হাতে আটকের পর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত একজন। এরপর থেকে আর মাসুমের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
মাসুমের মা নূরজাহান বেগম, বোন মাহমুদা পারভীন এবং ভাবি স্বপ্না জানান, গত শনিবার মাসুমের সন্ধান পেতে র্যাবের রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পে গেলে ওই নামে কাউকে আটক করে হয়নি বলে জানানো হয়। পরে তারা র্যাব-৫ এর সদর দফতরে গেলে সেখানেও মাসুমকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়। এ সময় র্যাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে ভেতরে প্রবেশের জন্য র্যাব-৫ কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে রিসিপশনে নাম এন্ট্রি করা হলেও পরে আর ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে গতকাল দুপুরে র্যাব-৫ রাজশাহীর অধিনায়ক লে. কর্নেল আনোয়ার লতিফ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আনোয়ারুল ইসলাম মাসুম নামের কাউকে আটক করা হয়নি। সদ্য মুক্তি পাওয়া এক ব্যক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে র্যাব-৫ অফিস মাসুমকে দেখার বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, একজন বানিয়ে গল্প বললেন আর আপনি বিশ্বাস করে নিলেন?
Comments