ভাইও এমন ভয়ংকর হয়!
- Get link
- X
- Other Apps
নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর | তারিখ: ১০-০৪-২০১৩
হাসপাতালের বিছানায় সাজ্জাদুজ্জামান
এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না সাজ্জাদুজ্জামানের। সন্ত্রাসীরা তার ডান হাতের পাঁচটি আঙুলই কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। বাঁ হাতেরও দুটি আঙুল কেটে ফেলেছে। সাত আঙুল হারিয়ে এখন হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে সাজ্জাদুজ্জামান।
গত সোমবার রাতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মৌভাষা গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সাজ্জাদুজ্জামানের মেজো ভাইয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে তারই সহযোগিতায় সন্ত্রাসীরা এ নৃশংসতা চালিয়েছে। সাজ্জাদুজ্জামান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পার্শ্ববর্তী কাউনিয়া উপজেলার হারাগাথ ডিগ্রি কলেজ থেকে এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিচ্ছিল সাজ্জাদুজ্জামান।
সাজ্জাদুজ্জামানের বাবা মো. এনামুল হক গতকাল মঙ্গলবার হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে তাঁর মেজো ছেলে রাজু আহমেদ কয়েকজন সন্ত্রাসী নিয়ে এ পৈশাচিক ঘটনা ঘটিয়েছে।
এনামুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ১০টার দিকে সাজ্জাদুজ্জামান ঘরে পড়াশোনা করছিল। এ সময় তার মেজো ভাই রাজুর সহযোগিতায় পাঁচ-ছয়জন সন্ত্রাসী ঘরে ঢুকে তাকে ফেলে কুপিয়ে ডান হাতের পাঁচটি ও বাঁ হাতের দুটি আঙুল কেটে ফেলে। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রাজুসহ সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। রাতেই সাজ্জাদুজ্জামানকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাজ্জাদুজ্জামান বলে, ‘আমার আর পরীক্ষা দেওয়া হলো না। আমার ভবিষ্যতের কী হবে? মাঝেমধ্যে ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া লাগত। কিন্তু এভাবে যে সে সন্ত্রাসী নিয়ে আমার আঙুল কেটে নেবে, তা কখনো ভাবতে পারিনি।’
সাজ্জাদের বড় ভাই মনিরুজ্জামান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভাই হয়ে ভাইয়ের সর্বনাশ করতে পারে, এটা ভাবতেই অবাক লাগে।’
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম জানান, সাজ্জাদুজ্জামানের বাঁ হাতের বাকি তিনটি আঙুলের অবস্থাও ভালো নয়। গঙ্গাচড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পৃথ্বীশ কুমার বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। এ ব্যাপারে এখনো কেউ মামলা করতে আসেনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিন ভাইয়ের মধ্যে সাজ্জাদুজ্জামান সবার ছোট। বাবা এনামুল হক হারাগাছের মেনাজবাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী। মেজো ছেলে রাজুও স্বর্ণ ব্যবসায়ী।
গত সোমবার রাতে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্ণেয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মৌভাষা গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, সাজ্জাদুজ্জামানের মেজো ভাইয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জের ধরে তারই সহযোগিতায় সন্ত্রাসীরা এ নৃশংসতা চালিয়েছে। সাজ্জাদুজ্জামান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পার্শ্ববর্তী কাউনিয়া উপজেলার হারাগাথ ডিগ্রি কলেজ থেকে এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিচ্ছিল সাজ্জাদুজ্জামান।
সাজ্জাদুজ্জামানের বাবা মো. এনামুল হক গতকাল মঙ্গলবার হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে তাঁর মেজো ছেলে রাজু আহমেদ কয়েকজন সন্ত্রাসী নিয়ে এ পৈশাচিক ঘটনা ঘটিয়েছে।
এনামুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ১০টার দিকে সাজ্জাদুজ্জামান ঘরে পড়াশোনা করছিল। এ সময় তার মেজো ভাই রাজুর সহযোগিতায় পাঁচ-ছয়জন সন্ত্রাসী ঘরে ঢুকে তাকে ফেলে কুপিয়ে ডান হাতের পাঁচটি ও বাঁ হাতের দুটি আঙুল কেটে ফেলে। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে রাজুসহ সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। রাতেই সাজ্জাদুজ্জামানকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাজ্জাদুজ্জামান বলে, ‘আমার আর পরীক্ষা দেওয়া হলো না। আমার ভবিষ্যতের কী হবে? মাঝেমধ্যে ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া লাগত। কিন্তু এভাবে যে সে সন্ত্রাসী নিয়ে আমার আঙুল কেটে নেবে, তা কখনো ভাবতে পারিনি।’
সাজ্জাদের বড় ভাই মনিরুজ্জামান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভাই হয়ে ভাইয়ের সর্বনাশ করতে পারে, এটা ভাবতেই অবাক লাগে।’
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম জানান, সাজ্জাদুজ্জামানের বাঁ হাতের বাকি তিনটি আঙুলের অবস্থাও ভালো নয়। গঙ্গাচড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পৃথ্বীশ কুমার বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। এ ব্যাপারে এখনো কেউ মামলা করতে আসেনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিন ভাইয়ের মধ্যে সাজ্জাদুজ্জামান সবার ছোট। বাবা এনামুল হক হারাগাছের মেনাজবাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী। মেজো ছেলে রাজুও স্বর্ণ ব্যবসায়ী।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments