বোমা হামলায় বিএনপির সমাবেশ পণ্ড : ১২ গাড়িতে আগুন, ভাংচুর ৪ এপ্রিল সারাদেশে বিক্ষোভ
স্টাফ রিপোর্টার
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয় লক্ষ্য করে গুলির প্রতিবাদে গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশেও বোমা হামলা হয়েছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের বক্তৃতার সময় পরপর চারটি বোমার বিস্ফোরণে সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি এবং তিনটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এটিএন নিউজের গাড়িতে ভাংচুর ও আগুন দেয়া হয়। সিনিয়র নেতারা নয়াপল্টন কার্যালয়ে ঢুকে মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেয়। আর নেতাকর্মীরা আশপাশে আরও ৯টি গাড়ি ভাংচুর শেষে অলিগলি থেকে দ্রুত চলে যায়। সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে পুলিশ। সভাপতির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগের জন্ম সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে। তারা সারা জীবনই সন্ত্রাস করছে।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে গুলি এবং সমাবেশে বোমা হামলার প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ করবে দলটি।
গতকাল বেলা পৌনে ১২টার দিকে নয়াপল্টনে সমাবেশ শুরু হয়। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের পর সমাবেশের সভাপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তৃতা শুরু করেন। এ সময় হঠাত্ পরপর চারটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। বিএনপি অভিযোগ করেছে, চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে গুলি ও সমাবেশে বোমা হামলা একই সূত্রে গাঁথা। সরকারের লোকেরা পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালাচ্ছে।
বোমা বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা তিনটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও কমপক্ষে নয়টি গাড়ি ভাংচুর করে। জলকামান নিয়ে এগিয়ে আসে পুলিশ। পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে তারা। তবে এই প্রথম নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশকে কোনো অ্যাকশনে না যেতে দেখা গেল।
সমাবেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে গুলি করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা গণতন্ত্র ও জনগণের বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর আক্রমণ। এজন্য প্রতিবাদ নয়, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
খালেদা জিয়াকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি সন্ত্রাস করে না। আওয়ামী লীগের জন্মই সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে। তারা সারা জীবনই সন্ত্রাস করছে।
‘সম্প্রতি পুলিশ ১৮০ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে’ অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই। তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে, যার সঙ্গে সরকারের মন্ত্রীরা সরাসরি জড়িত। এসব ব্যর্থতা ঢাকতে সারাদেশে অরাজক, সন্ত্রাস ও ত্রাস সৃষ্টি করছে তারা।
রোববার রাতের গুলির ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এ ঘটনাই প্রমাণ করে দেশে আইনের শাসন নেই। দেশে জঙ্গি শাসন চলছে। তিনি অবিলম্বে গুলির ঘটনায় দায়ীদের গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানান।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয় লক্ষ্য করে গুলি ও সমাবেশে বোমা হামলার প্রতিবাদে ৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দেন মির্জা ফখরুল। আজ সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সফল করার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই দেশ স্বাধীন করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশের সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। ভারতের তাঁবেদারির জন্য এদেশ স্বাধীন হয়নি। সরকারের অপকর্ম ঢাকার জন্য দেশে গণহত্যা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্যে গুলি ও বোমা হামলা চালিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে সরকার। পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা একাকার হয়ে গেছে অভিযোগ এনে তিনি বলেন, পুলিশে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের নিয়োগের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে সরকার। এজন্য জাতিকে চরম মূল্য দিতে হবে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে গুলি করার পেছনে সরকারের হাত রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, মহিলা দলের সভাপতি নূরী আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবীব প্রমুখ।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে গুলি এবং সমাবেশে বোমা হামলার প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ করবে দলটি।
গতকাল বেলা পৌনে ১২টার দিকে নয়াপল্টনে সমাবেশ শুরু হয়। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানের পর সমাবেশের সভাপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তৃতা শুরু করেন। এ সময় হঠাত্ পরপর চারটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। বিএনপি অভিযোগ করেছে, চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে গুলি ও সমাবেশে বোমা হামলা একই সূত্রে গাঁথা। সরকারের লোকেরা পরিকল্পিতভাবে এসব হামলা চালাচ্ছে।
বোমা বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা তিনটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও কমপক্ষে নয়টি গাড়ি ভাংচুর করে। জলকামান নিয়ে এগিয়ে আসে পুলিশ। পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে তারা। তবে এই প্রথম নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশকে কোনো অ্যাকশনে না যেতে দেখা গেল।
সমাবেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে গুলি করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা গণতন্ত্র ও জনগণের বেঁচে থাকার অধিকারের ওপর আক্রমণ। এজন্য প্রতিবাদ নয়, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
খালেদা জিয়াকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি সন্ত্রাস করে না। আওয়ামী লীগের জন্মই সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে। তারা সারা জীবনই সন্ত্রাস করছে।
‘সম্প্রতি পুলিশ ১৮০ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে’ অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই। তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে, যার সঙ্গে সরকারের মন্ত্রীরা সরাসরি জড়িত। এসব ব্যর্থতা ঢাকতে সারাদেশে অরাজক, সন্ত্রাস ও ত্রাস সৃষ্টি করছে তারা।
রোববার রাতের গুলির ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এ ঘটনাই প্রমাণ করে দেশে আইনের শাসন নেই। দেশে জঙ্গি শাসন চলছে। তিনি অবিলম্বে গুলির ঘটনায় দায়ীদের গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানান।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয় লক্ষ্য করে গুলি ও সমাবেশে বোমা হামলার প্রতিবাদে ৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সারাদেশের জেলা ও উপজেলায় প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দেন মির্জা ফখরুল। আজ সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সফল করার আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই দেশ স্বাধীন করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশের সাধারণ মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। ভারতের তাঁবেদারির জন্য এদেশ স্বাধীন হয়নি। সরকারের অপকর্ম ঢাকার জন্য দেশে গণহত্যা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্যে গুলি ও বোমা হামলা চালিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে সরকার। পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা একাকার হয়ে গেছে অভিযোগ এনে তিনি বলেন, পুলিশে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের নিয়োগের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে সরকার। এজন্য জাতিকে চরম মূল্য দিতে হবে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে গুলি করার পেছনে সরকারের হাত রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেল, মহিলা দলের সভাপতি নূরী আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবীব প্রমুখ।
Comments