আমাদের সেই সপী
- Get link
- X
- Other Apps
আমাদের বাড়িতে একটা অসহায় কাজের মেয়ে থাকে।নাম-স্বপ্না।যদিও গরীবের ঘরে জন্ম, ভাল পোশাক-আশাক পড়লে, মনে হয়
যেন কোন এক অভিজাত ঘরের সন্তান।আমার মা তাকে সপী বলে ডাকেন।
সপীর মা মরে যাওয়ার পর তার বাবা আর এক বিয়ে করাতে অভাবের সতমার সংসারে সপী'টা নাখেয়ে খেয়ে শুকিয়ে
হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছিল। তার এক খালা তাকে আমাদের এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের মাধ্যমে আমাদের বাড়িতে কাজ পায়িয়ে দেন।
এক ঈদের কথা দিয়ে শুরু করি। ঈদের বেশ কিছুদিন আগ থেকেই আমাদের মত ছট্ট মনিদের মন ঈদ করার আনন্দের জোয়ারে ভাসতে থাকে।নুতন নুতন জা্মা, জুতু পড়ে প্রতিবেশী ছুট্ট বন্ধুদের সাথে হই-চই করে ঘুরে বেড়ানো ইত্যাদি ইত্যাদি।
সবার জন্যই ঈদের পোষাক আনাহয়েছে। সপী'র জন্যই আনা হয়নি। আর মাও তা পছন্দ করেন না। অন্য দিকে মা'কে খুব ভয়ে ভয়ে আমার বাবা। বাবার ইচ্ছে থাকলেও তিনি খুবসম্ভবত মা'য়ের ভয়েই সপী'র জন্য ঈদের পোষাক আন্তে পারেন নি। ঈদের দিন সবার মুখে হাসি-খুসি, সবাই ঈদের সেমাই, হালোয়া,সুসাধু খাবার খাচ্ছে,নতুন নতুন জামা-জুতু পড়ে হৈ-চৈ করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেবল আমার মনেই জমাট বাঁধা এক কালো মেঘ ঘনিভূত হয়ে আছে। ঈদের জামা পড়তেও ইচ্ছে করছে না আমার । বড় আপা আমাকে অন্যবারের মতো ঈদের দিন সকালে সাজিয়ে দেন। কেন যে আমার এ ঈ্দে আনন্দ করতে ভাল লাগছে না।এর মূল কারণ আসলে সপী'র জামা। তার জন্য যদি নতুন জামা আনা হতো, আমার মন আর এতো খারাপ হতো না। মন মরা হয়ে
রয়েছি, এজন্যে মা আমাকে বকা-ঝকাও করেছেন। বড় আপার মন খারাপ হবে সেই ভয়ে মা আজ আর আমার সাথে কড়া ব্যাবহার করেন নি। যাহোক শেষ-মেশে ঈদের নামাজ শেষে বড়রা সবাই বাড়ি ফিরলো। আমি এক কান্ড করে বসলাম। আমি আর সপী চোপী চোপী অন্য এক ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করেদিলাম। আমার ঈদের লাল জামাটি সপী'কে পড়িয়ে দিলাম। সপী খুব খুশী হল। আনন্দের অশ্রু সপী'র সুন্দর দুটি চোখের কোনে চিক চিক করতে লাগলো।
আমাকে ফিন ফিস করে বল্ল, "তুলসি আপা, তুমি এত ভাল কেন? তোমাকে ছেড়ে আমি জীবনে কোথ্যাও যাব না।" ঠিক ওই মুহুর্তে আমার মনে হল, আমি যেন আমাদের ঈদের আনন্দটুকু আমার এক অসহায় বন্ধুর সাথে ভাগ করে উপভোগ করলাম এবংপরিবারের ঘার থেকে অপরাধের জগদ্দল পাথরটি এক মুহুর্তের জন্য হলেও সরাতে পারলাম।
প্রতিদিন মা আমাদের জন্যে দুটি করে ডিম সিদ্ধ করে সকালে পড়ার আগে খেতে দেন। আমি ওই ডিম থেকে আধা ভেংগে
সপী'কে দেই। কিভাবে যেন মা একদিন দেখে ফেলেন। এজন্য আমাকে ও সপী'কে ঝাজালো কথা শুনিয়ে দেন মা। এর পর থেকে মার
সামনেই খেতে হতো। সপী'কে আর দিতে পারতাম না বলে মনে খুব কষ্ট হতো।
আমি যখন পড়তাম, সপী তখন আগ্রহ ভরে আমার দিকে চেয়ে থাকত।মনে হত সে মনে মনে ভাবছে,
"আহ যদি আমিও তুলসির মতো বই পত্র নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে পড়তে যেতে পারতাম।" তার চোখ দেখে মনের মাঝে জমাট বাঁধা দুঃখ
গুলো বুঝতে পারতাম। মনে মনে ভাবতাম, "আমার সাথে সপীও যদি রোজ রোজ স্কুলে যেতে পারত তাহলে সেও একদিন তার প্রতিভার স্বক্ষর রাখতে পারতো।"
যখনই একটু সময় পেতাম সপিকে শিক্ষার ব্যাপারে সাহায্য করতাম। এক অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, যে সময়ে আমি একটা ছড়া
বা কবিতা শিখতে পারতাম সপী তার চাইতে অনেক অল্প সময়ে মুখস্ত করে নিতে পারত। তার শেখার প্রতিভা দেখে চুপি চুপি
তাকে আমি সাহায্য করতাম।
আমার মা খুব সৌখিন। তার মেয়েদের সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার জন্য বার মাসে তের জোড়া কাপর বাবাকে দিয়ে কিনাতেন।
আমার ভাল জামাটি সপী কে দেবার জন্য আমি ইচ্ছে করেই হাতের বগলে বা অন্য কোথাও ছিড়ে ফেলে মাকে বলতাম,
"মা' এ জামাটি আর পড়বো না।"
মা চোখ বড় বড় লাল করে একটু তাকিয়ে থেকে বলতেন, "কি হয়েছে এজামাটির!"
"দেখোনা মা এখানে ছিড়ে গেছে।"
মা বললেন,"রেখেদে।"
আমি বললাম, "রেখে দিয়ে লাভ হবে কি মা! সপী'কে দিয়ে দিই?"
মা একটু ভেবে বলতেন, "দে, দিয়ে দে।" মা'কে যে কত ভালো লাগতো তখন!
মা'কে এই অজুহাত দেখিয়ে সপী'কে আমার কাপড় দিয়ে দিতে পারলে আমার এ ছোট্ট মনে কত যে আনন্দ পেতাম।
বন্ধুরা!আজ একটা সংবাদ আপনাদের দিতে আমার মনে খুব কষ্ট হচ্ছে। তবো না বলে পারছি না।
সপী'র দারিদ্র্যতার আশ্রয় নিয়ে আমাদেরি এক আত্মীয় মাঝে মধ্যে আমাদের বাসায় আসত। সপী'কে বিয়ে করার মিথ্যে প্রলোভন
দেখিয়ে তার সাথে এক অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে।যা আমিও জানি না, আমার মা বাবা কেউ জানেন না।একদিন সে কনসিভড হয়ে পড়ে।
আমাদের ঐ আত্মীয় কে সে বিয়ে করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে এ ঘটনা মা'কে বলে দেবার হুমকি প্রয়োগ করলে ঐ আত্মীয়
একদিন তাকে বলে- "চল সপী আমরা দুজন আজ কাজী আফিসে গিয়ে বিয়ে করব।"
অবলা সপী তার কথায় বিশ্বাস করে আমাদের কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। ঐ আত্মীয়ের কয়েক বন্ধু মিলে তাকে আর এ দুনিয়াতে বাচতে দেয়নি।
আমার একটি পোরানো খাতার পাতায় তার একটি লেখা চোখে পড়লো,
"তুলসি তুলসি শোনরে বোন
যেতে নাহি চায় মন
কোন একদিন হাড়িয়ে যাব
ছিড়ে তোর এ মায়া-বাঁধন।"
সপী'র এ লিখাটি যখন আমার চোখে পড়ল আমার কঠিন মনের মা'কে নিয়ে দেখালাম। মা লেখাটি পড়ে চট করে সাড়ীর আঁচল
দিয়ে তার মুখ ঢেকে ফেল্লেন। আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না, মা কেন তাঁর চোখ আঁচল দিয়ে ঢেকে নিলেন।
আমার চোখে আর পানি আসে নি। কারন আমি অতি দুঃখে পাথর হয়ে গিয়েছিলাম।
(বিঃ দ্রঃ "সপী ও তুলসি" চরিত্রদুটো সম্পুর্ন কাল্পনিক। লেখায় কোন ত্রুটি হলে ক্ষমার চোখে দেখার অনুরোধ রইলো।)
যেন কোন এক অভিজাত ঘরের সন্তান।আমার মা তাকে সপী বলে ডাকেন।
সপীর মা মরে যাওয়ার পর তার বাবা আর এক বিয়ে করাতে অভাবের সতমার সংসারে সপী'টা নাখেয়ে খেয়ে শুকিয়ে
হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছিল। তার এক খালা তাকে আমাদের এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের মাধ্যমে আমাদের বাড়িতে কাজ পায়িয়ে দেন।
এক ঈদের কথা দিয়ে শুরু করি। ঈদের বেশ কিছুদিন আগ থেকেই আমাদের মত ছট্ট মনিদের মন ঈদ করার আনন্দের জোয়ারে ভাসতে থাকে।নুতন নুতন জা্মা, জুতু পড়ে প্রতিবেশী ছুট্ট বন্ধুদের সাথে হই-চই করে ঘুরে বেড়ানো ইত্যাদি ইত্যাদি।
সবার জন্যই ঈদের পোষাক আনাহয়েছে। সপী'র জন্যই আনা হয়নি। আর মাও তা পছন্দ করেন না। অন্য দিকে মা'কে খুব ভয়ে ভয়ে আমার বাবা। বাবার ইচ্ছে থাকলেও তিনি খুবসম্ভবত মা'য়ের ভয়েই সপী'র জন্য ঈদের পোষাক আন্তে পারেন নি। ঈদের দিন সবার মুখে হাসি-খুসি, সবাই ঈদের সেমাই, হালোয়া,সুসাধু খাবার খাচ্ছে,নতুন নতুন জামা-জুতু পড়ে হৈ-চৈ করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেবল আমার মনেই জমাট বাঁধা এক কালো মেঘ ঘনিভূত হয়ে আছে। ঈদের জামা পড়তেও ইচ্ছে করছে না আমার । বড় আপা আমাকে অন্যবারের মতো ঈদের দিন সকালে সাজিয়ে দেন। কেন যে আমার এ ঈ্দে আনন্দ করতে ভাল লাগছে না।এর মূল কারণ আসলে সপী'র জামা। তার জন্য যদি নতুন জামা আনা হতো, আমার মন আর এতো খারাপ হতো না। মন মরা হয়ে
রয়েছি, এজন্যে মা আমাকে বকা-ঝকাও করেছেন। বড় আপার মন খারাপ হবে সেই ভয়ে মা আজ আর আমার সাথে কড়া ব্যাবহার করেন নি। যাহোক শেষ-মেশে ঈদের নামাজ শেষে বড়রা সবাই বাড়ি ফিরলো। আমি এক কান্ড করে বসলাম। আমি আর সপী চোপী চোপী অন্য এক ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করেদিলাম। আমার ঈদের লাল জামাটি সপী'কে পড়িয়ে দিলাম। সপী খুব খুশী হল। আনন্দের অশ্রু সপী'র সুন্দর দুটি চোখের কোনে চিক চিক করতে লাগলো।
আমাকে ফিন ফিস করে বল্ল, "তুলসি আপা, তুমি এত ভাল কেন? তোমাকে ছেড়ে আমি জীবনে কোথ্যাও যাব না।" ঠিক ওই মুহুর্তে আমার মনে হল, আমি যেন আমাদের ঈদের আনন্দটুকু আমার এক অসহায় বন্ধুর সাথে ভাগ করে উপভোগ করলাম এবংপরিবারের ঘার থেকে অপরাধের জগদ্দল পাথরটি এক মুহুর্তের জন্য হলেও সরাতে পারলাম।
প্রতিদিন মা আমাদের জন্যে দুটি করে ডিম সিদ্ধ করে সকালে পড়ার আগে খেতে দেন। আমি ওই ডিম থেকে আধা ভেংগে
সপী'কে দেই। কিভাবে যেন মা একদিন দেখে ফেলেন। এজন্য আমাকে ও সপী'কে ঝাজালো কথা শুনিয়ে দেন মা। এর পর থেকে মার
সামনেই খেতে হতো। সপী'কে আর দিতে পারতাম না বলে মনে খুব কষ্ট হতো।
আমি যখন পড়তাম, সপী তখন আগ্রহ ভরে আমার দিকে চেয়ে থাকত।মনে হত সে মনে মনে ভাবছে,
"আহ যদি আমিও তুলসির মতো বই পত্র নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে পড়তে যেতে পারতাম।" তার চোখ দেখে মনের মাঝে জমাট বাঁধা দুঃখ
গুলো বুঝতে পারতাম। মনে মনে ভাবতাম, "আমার সাথে সপীও যদি রোজ রোজ স্কুলে যেতে পারত তাহলে সেও একদিন তার প্রতিভার স্বক্ষর রাখতে পারতো।"
যখনই একটু সময় পেতাম সপিকে শিক্ষার ব্যাপারে সাহায্য করতাম। এক অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, যে সময়ে আমি একটা ছড়া
বা কবিতা শিখতে পারতাম সপী তার চাইতে অনেক অল্প সময়ে মুখস্ত করে নিতে পারত। তার শেখার প্রতিভা দেখে চুপি চুপি
তাকে আমি সাহায্য করতাম।
আমার মা খুব সৌখিন। তার মেয়েদের সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার জন্য বার মাসে তের জোড়া কাপর বাবাকে দিয়ে কিনাতেন।
আমার ভাল জামাটি সপী কে দেবার জন্য আমি ইচ্ছে করেই হাতের বগলে বা অন্য কোথাও ছিড়ে ফেলে মাকে বলতাম,
"মা' এ জামাটি আর পড়বো না।"
মা চোখ বড় বড় লাল করে একটু তাকিয়ে থেকে বলতেন, "কি হয়েছে এজামাটির!"
"দেখোনা মা এখানে ছিড়ে গেছে।"
মা বললেন,"রেখেদে।"
আমি বললাম, "রেখে দিয়ে লাভ হবে কি মা! সপী'কে দিয়ে দিই?"
মা একটু ভেবে বলতেন, "দে, দিয়ে দে।" মা'কে যে কত ভালো লাগতো তখন!
মা'কে এই অজুহাত দেখিয়ে সপী'কে আমার কাপড় দিয়ে দিতে পারলে আমার এ ছোট্ট মনে কত যে আনন্দ পেতাম।
বন্ধুরা!আজ একটা সংবাদ আপনাদের দিতে আমার মনে খুব কষ্ট হচ্ছে। তবো না বলে পারছি না।
সপী'র দারিদ্র্যতার আশ্রয় নিয়ে আমাদেরি এক আত্মীয় মাঝে মধ্যে আমাদের বাসায় আসত। সপী'কে বিয়ে করার মিথ্যে প্রলোভন
দেখিয়ে তার সাথে এক অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে।যা আমিও জানি না, আমার মা বাবা কেউ জানেন না।একদিন সে কনসিভড হয়ে পড়ে।
আমাদের ঐ আত্মীয় কে সে বিয়ে করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে এ ঘটনা মা'কে বলে দেবার হুমকি প্রয়োগ করলে ঐ আত্মীয়
একদিন তাকে বলে- "চল সপী আমরা দুজন আজ কাজী আফিসে গিয়ে বিয়ে করব।"
অবলা সপী তার কথায় বিশ্বাস করে আমাদের কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। ঐ আত্মীয়ের কয়েক বন্ধু মিলে তাকে আর এ দুনিয়াতে বাচতে দেয়নি।
আমার একটি পোরানো খাতার পাতায় তার একটি লেখা চোখে পড়লো,
"তুলসি তুলসি শোনরে বোন
যেতে নাহি চায় মন
কোন একদিন হাড়িয়ে যাব
ছিড়ে তোর এ মায়া-বাঁধন।"
সপী'র এ লিখাটি যখন আমার চোখে পড়ল আমার কঠিন মনের মা'কে নিয়ে দেখালাম। মা লেখাটি পড়ে চট করে সাড়ীর আঁচল
দিয়ে তার মুখ ঢেকে ফেল্লেন। আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না, মা কেন তাঁর চোখ আঁচল দিয়ে ঢেকে নিলেন।
আমার চোখে আর পানি আসে নি। কারন আমি অতি দুঃখে পাথর হয়ে গিয়েছিলাম।
(বিঃ দ্রঃ "সপী ও তুলসি" চরিত্রদুটো সম্পুর্ন কাল্পনিক। লেখায় কোন ত্রুটি হলে ক্ষমার চোখে দেখার অনুরোধ রইলো।)
লেখকএইচ এম শরীফ উল্লাহ
- এইচ এম শরীফ উল্লাহ -এর ব্লগ
- ২ টি মন্তব্য
- ২০ ডিসেম্বর ২০১১, ২২:৪০
- সমাজ
প্রিন্ট করুন
- ২ টি মন্তব্য
আশরাফুল কবীর২০ ডিসেম্বর ২০১১, ২৩:৫৫
"তুলসি তুলসি শোনরে বোন
যেতে নাহি চায় মন
কোন একদিন হাড়িয়ে যাব
ছিড়ে তোর এ মায়া-বাঁধন।" এ্ই যা! মন খারাপ করে দিলেন।
"সপী ও তুলসি" চরিত্রদুটো সম্পুর্ন কাল্পনিক। লেখায় কোন ত্রুটি হলে ক্ষমার চোখে দেখার অনুরোধ রইলো।
# হ্যাঁ, ঠিক তাই, আমি না দেখার ভান করে করে পুরোটা পড়েছি। ভাল লিখেছেন, তবে মনে রাখতে হবে আমাদের যে অনেক ভাল ভাল পাঠক আপনার লেখা যখন পড়বে তখন হয়তো বানান ভুলের জন্য....তাই পরবর্তীতে এডিট করে দিতে হবে।
# সপীর জন্য ভালবাসা, সাথে আপনাকে শুভকামনা...
- Get link
- X
- Other Apps
Comments