সরকারি ক্যাডার হলে নাম্বার প্লেট লাগে না
স্টাফ রিপোর্টার
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
বুধবার দুপুর একটায় কাকরাইলে রাজমনি সিনেমা হলের সামনে যুবলীগের আয়োজনে হরতালের প্রতিবাদে সমাবেশ চলছিল। ওই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ এক ডজনের বেশি মন্ত্রী ও সিনিয়র নেতা। যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশ মঞ্চের পাশেই ঝকঝকে নতুন কয়েকটি মোটরসাইকেল দেখা যায। সেগুলোর নম্বর প্লেটের প্রতি সবার দৃষ্টি পড়ে। দিন বদলের হাওয়ায় ওইসব মোটর সাইকেলে বিআরটিএর নম্বর প্লেট উধাও হয়ে গেছে। রেজিস্ট্রেশনবিহীন ওইসব গাড়ির নম্বর প্লেটের স্থলে লেখা ছিল ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।’ সরকারি দল আশ্রিত মাস্তান ও ক্যাডারদের হাতে এখন এ রকম বিপুল সংখ্যক নম্বর প্লেটহীন মোটরসাইকেল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে।
যুবলীগের সাধারণ কর্মীরা বলেন, হরতালবিরোধী যেসব মোটরসাইকেল মহড়া হয়, ওইসব মহড়ার অধিকাংশ গাড়িই থাকে নম্বর প্লেটবিহীন ও কিংবা ভুয়া নম্বরধারী। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া শুধু ‘ছাত্রলীগ’ কিংবা ‘যুবলীগ’ বা ‘আওয়ামী লীগ’ লেখা গাড়িও দেখা যায় প্রচুর।
জানা গেছে, রেজিস্ট্রেশনবিহীন অধিকাংশ মোটরসাইকেলই মূলত চোরাই। এরা কখনও কখনও ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে। কখনও বিভিন্ন পেশার নাম বা অনটেস্ট লেখা স্লেট ব্যবহার করে। রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়িগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হয়। মালিক অজ্ঞাত থাকায় সেগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হওয়ার পরও সন্ত্রাসীরা পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি অনিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যাও বাড়ছে। অনেকেই নতুন-পুরাতন মোটরসাইকেল কিনে অনটেস্ট, এএফআর, ভুয়া নম্বর প্লেট, সংবাদপত্র, আইনজীবী ইত্যাদি লিখে কোনোরকম নিবন্ধন ছাড়া ব্যবহার করছে।
বিআরটিএর কর্মকর্তারা জানান, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া যে কোনো ধরনের মোটরসাইকেল আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিআরটিএ তিন ক্যাটাগরিতে মোটরসাইকেলের লাইসেন্স দিয়ে থাকে। ১২৫ সিসির ওপরে মোটরসাইকেলের জন্য ‘ল’, ৫১ থেকে ১২৫ সিসি পর্যন্ত ‘হ’ এবং ৫০ সিসি পর্যন্ত ‘এ’ কাটাগরিতে মোটরসাইকেলের লাইসেন্স দেয়া হয়। বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাজ নিবন্ধন দেয়া। কিন্তু রাস্তায় অবৈধ মোটরসাইকেল ধরা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পুলিশের। পুলিশ কাজটি সঠিকভাবে না করায় রাস্তায় ভুয়া মোটরসাইকেলের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে।
ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশ সাউথ জোনের উপ-কমিশনার আমার দেশকে বলেন, অনেকেই বিভিন্ন পেশার নাম লিখে মোটরসাইকেল চালান। তাদের অধিকাংশই—রেজিস্ট্রেশন নিয়ে ওই গাড়িতে তার পেশা কিংবা সংবাদপত্র ইত্যাদি লিখে রাখেন। অনেক পুলিশ সদস্যও মোটরসাইকেলে পুলিশ লিখে রাখেন। সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশ থেকে পুলিশের মোটরসাইকেলে ‘পুলিশ’ লেখার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, একজনের লেখা দেখে আরেকজন উত্সাহী হয়। এসবের বিরুদ্ধে একটি সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করার পরিকল্পনা পুলিশের রয়েছে। শিগগিরই এ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
ট্রাফিক পুলিশের অপর একজন উপ-কমিশনার বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বা যুবলীগের নামে কখনোই মোটরসাইকেল রাস্তায় চলতে পারে না। রাজনৈতিক দলের নামে রাস্তায় গাড়ি নামা শুরু হলে আরও নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে বলে জানান তিনি। তাছাড়া রেজিস্ট্রেশনবিহীন এসব মোটরসাইকেল ডাকাতি, ছিনতাই বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হলেও চিহ্নিত করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
যুবলীগের সাধারণ কর্মীরা বলেন, হরতালবিরোধী যেসব মোটরসাইকেল মহড়া হয়, ওইসব মহড়ার অধিকাংশ গাড়িই থাকে নম্বর প্লেটবিহীন ও কিংবা ভুয়া নম্বরধারী। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া শুধু ‘ছাত্রলীগ’ কিংবা ‘যুবলীগ’ বা ‘আওয়ামী লীগ’ লেখা গাড়িও দেখা যায় প্রচুর।
জানা গেছে, রেজিস্ট্রেশনবিহীন অধিকাংশ মোটরসাইকেলই মূলত চোরাই। এরা কখনও কখনও ভুয়া নম্বর প্লেট ব্যবহার করে। কখনও বিভিন্ন পেশার নাম বা অনটেস্ট লেখা স্লেট ব্যবহার করে। রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়িগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হয়। মালিক অজ্ঞাত থাকায় সেগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হওয়ার পরও সন্ত্রাসীরা পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি অনিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যাও বাড়ছে। অনেকেই নতুন-পুরাতন মোটরসাইকেল কিনে অনটেস্ট, এএফআর, ভুয়া নম্বর প্লেট, সংবাদপত্র, আইনজীবী ইত্যাদি লিখে কোনোরকম নিবন্ধন ছাড়া ব্যবহার করছে।
বিআরটিএর কর্মকর্তারা জানান, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া যে কোনো ধরনের মোটরসাইকেল আইনত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিআরটিএ তিন ক্যাটাগরিতে মোটরসাইকেলের লাইসেন্স দিয়ে থাকে। ১২৫ সিসির ওপরে মোটরসাইকেলের জন্য ‘ল’, ৫১ থেকে ১২৫ সিসি পর্যন্ত ‘হ’ এবং ৫০ সিসি পর্যন্ত ‘এ’ কাটাগরিতে মোটরসাইকেলের লাইসেন্স দেয়া হয়। বিআরটিএ কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাজ নিবন্ধন দেয়া। কিন্তু রাস্তায় অবৈধ মোটরসাইকেল ধরা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পুলিশের। পুলিশ কাজটি সঠিকভাবে না করায় রাস্তায় ভুয়া মোটরসাইকেলের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে।
ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশ সাউথ জোনের উপ-কমিশনার আমার দেশকে বলেন, অনেকেই বিভিন্ন পেশার নাম লিখে মোটরসাইকেল চালান। তাদের অধিকাংশই—রেজিস্ট্রেশন নিয়ে ওই গাড়িতে তার পেশা কিংবা সংবাদপত্র ইত্যাদি লিখে রাখেন। অনেক পুলিশ সদস্যও মোটরসাইকেলে পুলিশ লিখে রাখেন। সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশ থেকে পুলিশের মোটরসাইকেলে ‘পুলিশ’ লেখার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, একজনের লেখা দেখে আরেকজন উত্সাহী হয়। এসবের বিরুদ্ধে একটি সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করার পরিকল্পনা পুলিশের রয়েছে। শিগগিরই এ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
ট্রাফিক পুলিশের অপর একজন উপ-কমিশনার বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বা যুবলীগের নামে কখনোই মোটরসাইকেল রাস্তায় চলতে পারে না। রাজনৈতিক দলের নামে রাস্তায় গাড়ি নামা শুরু হলে আরও নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে বলে জানান তিনি। তাছাড়া রেজিস্ট্রেশনবিহীন এসব মোটরসাইকেল ডাকাতি, ছিনতাই বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হলেও চিহ্নিত করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
Comments