সমাবেশে আইনজীবী নেতারা : ওই পত্রিকার চোখে ১৭৮ লাশের চেয়ে একটি গাড়ির মূল্য বেশি! : পুলিশ কেন এত মানুষ খুন করেছে জানতে চাই : বিতর্কিত বিচারপতিকে আপিল বিভাগে দেখতে চাই না
স্টাফ রিপোর্টার
| পরের সংবাদ» |
আলোচিত ও বিতর্কিত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে ইঙ্গিত করে আইনজীবীরা বলেছেন, একজন বিচারপতি এমন কোনো বিষয় নেই যে, স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেননি। সাম্প্রতিককালে নিয়মের ধার না ধেরে তিনি বহু রুল দিয়েছেন। কিন্তু এক মাসের ব্যবধানে দেশে শত শত মানুষ পুলিশের নির্বিচার গুলিতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেও তিনি কোনো রুল দেননি। তাকে বলছি, কারণে-অকারণে এত রুল আপনি দিয়েছেন; তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দেশে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে, এ বিষয়ে কেন রুল দিচ্ছেন না। পুলিশ কেন এত মানুষ খুন করছে, তা জানতে চান তারা। এ বিচারপতিকে সুপারসিট করে আপিল বিভাগে আনার চেষ্টা করা হলে আইনজীবীরা তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে সুপ্রিমকোর্ট অচল করে দেয়ার হুমকি দেন।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা দু’দিনব্যাপী হরতালের শেষ দিনে এর সমর্থনে আয়োজিত এক সমাবেশে যোগ দিয়ে আইনজীবীরা এসব কথা বলেন। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে আইনজীবীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশে ভাড়াটে সাংবাদিকদের দুর্বৃত্তায়ন চলছে। আজ (গতকাল) একটি ইংরেজি দৈনিক সংবাদ প্রকাশ করেছে, মার্চ মাসজুড়ে ১৩৪টি গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। অথচ এ মার্চ মাসে ১৭৮ জন মানুষকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। তাদের কাছে ১৭৮ লাশের চেয়ে একটি গাড়ির মূল্য অনেক বেশি। এসব অপশক্তির ব্যাপারে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানসিক ভারসাম্যহীন আখ্যা দিয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেছেন—আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মাথা নষ্ট। পাগলের এদেশে থাকার কোনো অধিকার নেই। শুনেছি, ভারতে অনেক আধুনিক মানসিক হাসপাতাল হয়েছে। আনেকেইে সেখানে চিকিত্সার জন্য যায়। আপনিও দয়া করে সেখানে চলে যান।
অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি ও সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, সুপ্রিমকোর্ট বারের নবনির্বাচিত সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান, সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. সাঈদুর রহমান, মো. মহসিন মিয়া, বারের সহ-সভাপতি এ বি এম ওয়ালিউর রহমান খান, রুহুল কুদ্দুস কাজল, গোলাম মো. চৌধুরী আলাল, কামরুল ইসলাম সজল, এ বি এম রফিকুল হক, তালুকদার রাজা, সাইফুর রহমান, ড. আরিফা জেসমিন নাহিন, রাগিব রউফ চৌধুরী, আনোয়ারা শিখা প্রমুখ। সমাবেশ শেষে উপস্থিত শতাধিক আইনজীবী বার সমিতি ভবন চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ ১/১১-র সামরিক সরকারকে শুধু স্বাগতই জানায়নি, তাদের নেত্রী মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। এরশাদের সামরিক সরকারকেও স্বাগত জানিয়েছিলেন হাসিনা। তিনি আসলে গণতন্ত্রকে ভয় পান। তাই ১৯৯৬ সালে সেনাশাসনকে ক্ষমতা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিলেন। খালেদা জিয়া শক্ত হাতে সে ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিলেন বলেই দেশে এখন গণতন্ত্র আছে। আজ আবার শেখ হাসিনা সে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। তাই আমাদের বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হচ্ছে।
দেশের বর্তমান সঙ্কটের জন্য হাসিনা ও তার ডান হাত সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে দায়ী করে তিনি বলেন, খায়রুল হক সাহেবের জাজমেন্ট সুপ্রিমকোর্টের জন্য কলঙ্ক। তিনি বিচারকের শপথ নিয়ে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন। এজন্য একদিন তাকে জবাবদিহি করতে হবে।
ব্যারিস্টার রফিক বলেন, বগুড়ায় খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা ‘মিস কোড’ করেছে মিডিয়া। তিনি যা বলতে চেয়েছেন, মিডিয়া লিখেছে তার উল্টোটা। মিডিয়ার এমন ভূমিকা দুঃখজনক। তিনি প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ করে বলেন, অনেক হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টকে আর বিতর্কিত করার চেষ্টা করবেন না। যদি করেন, তবে আইনজীবীদের তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা মেনে নিয়ে হরতালের আর কোনো প্রয়োজন থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা দু’দিনব্যাপী হরতালের শেষ দিনে এর সমর্থনে আয়োজিত এক সমাবেশে যোগ দিয়ে আইনজীবীরা এসব কথা বলেন। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে আইনজীবীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশে ভাড়াটে সাংবাদিকদের দুর্বৃত্তায়ন চলছে। আজ (গতকাল) একটি ইংরেজি দৈনিক সংবাদ প্রকাশ করেছে, মার্চ মাসজুড়ে ১৩৪টি গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। অথচ এ মার্চ মাসে ১৭৮ জন মানুষকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। তাদের কাছে ১৭৮ লাশের চেয়ে একটি গাড়ির মূল্য অনেক বেশি। এসব অপশক্তির ব্যাপারে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানসিক ভারসাম্যহীন আখ্যা দিয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি বলেছেন—আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মাথা নষ্ট। পাগলের এদেশে থাকার কোনো অধিকার নেই। শুনেছি, ভারতে অনেক আধুনিক মানসিক হাসপাতাল হয়েছে। আনেকেইে সেখানে চিকিত্সার জন্য যায়। আপনিও দয়া করে সেখানে চলে যান।
অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি ও সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, সুপ্রিমকোর্ট বারের নবনির্বাচিত সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান, সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. সাঈদুর রহমান, মো. মহসিন মিয়া, বারের সহ-সভাপতি এ বি এম ওয়ালিউর রহমান খান, রুহুল কুদ্দুস কাজল, গোলাম মো. চৌধুরী আলাল, কামরুল ইসলাম সজল, এ বি এম রফিকুল হক, তালুকদার রাজা, সাইফুর রহমান, ড. আরিফা জেসমিন নাহিন, রাগিব রউফ চৌধুরী, আনোয়ারা শিখা প্রমুখ। সমাবেশ শেষে উপস্থিত শতাধিক আইনজীবী বার সমিতি ভবন চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ ১/১১-র সামরিক সরকারকে শুধু স্বাগতই জানায়নি, তাদের নেত্রী মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। এরশাদের সামরিক সরকারকেও স্বাগত জানিয়েছিলেন হাসিনা। তিনি আসলে গণতন্ত্রকে ভয় পান। তাই ১৯৯৬ সালে সেনাশাসনকে ক্ষমতা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিলেন। খালেদা জিয়া শক্ত হাতে সে ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিলেন বলেই দেশে এখন গণতন্ত্র আছে। আজ আবার শেখ হাসিনা সে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। তাই আমাদের বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হচ্ছে।
দেশের বর্তমান সঙ্কটের জন্য হাসিনা ও তার ডান হাত সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে দায়ী করে তিনি বলেন, খায়রুল হক সাহেবের জাজমেন্ট সুপ্রিমকোর্টের জন্য কলঙ্ক। তিনি বিচারকের শপথ নিয়ে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন। এজন্য একদিন তাকে জবাবদিহি করতে হবে।
ব্যারিস্টার রফিক বলেন, বগুড়ায় খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা ‘মিস কোড’ করেছে মিডিয়া। তিনি যা বলতে চেয়েছেন, মিডিয়া লিখেছে তার উল্টোটা। মিডিয়ার এমন ভূমিকা দুঃখজনক। তিনি প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ করে বলেন, অনেক হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টকে আর বিতর্কিত করার চেষ্টা করবেন না। যদি করেন, তবে আইনজীবীদের তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা মেনে নিয়ে হরতালের আর কোনো প্রয়োজন থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
Comments