ঝিনাইদহে পুলিশের নৃশংস হত্যা এলাকাবাসীর সাহসী প্রতিরোধ : যুবদল নেতা নিহত, পুলিশসহ আহত ২৫
আমার দেশ মার্চ-২২,১৩
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামে গতকাল ভোরে আসামি ধরতে গিয়ে আক্রমণের মুখে পড়েছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ ও গ্রামবাসীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে ইন্তাজুল মণ্ডল (৩২) নামে এক যুবদল নেতা নিহত ও আতিয়ার, শহিদুল, লুতফর, ফাতেমা, সহিদুল এবং পুলিশসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের যশোর জেনারেল হাসপাতাল, মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ইন্তাজুল ইসলাম মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়নের দারিয়াপুর গ্রামের গাজিউর রহমান গাজু মণ্ডলের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি পিস্তল ও ২টি রামদা উদ্ধার করেছে। এ ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ৯ গাড়ি পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী জামায়াত-বিএনপি অধ্যুষিত এলাকায় হরতালে নাশকতা ও পুলিশের কাজে বাধাদান মামলার আসামি ধরতে যায়। গ্রামে অভিযান চালানোর সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে কয়েক গ্রামের মানুষ ডাকাত ডাকাত বলে ডাক দেয়। তারা পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাংচুর করে। এ সময় পুলিশ টিয়ারশেল, শর্টগান ও চাইনিজ রাইফেলের শতাধিক রাউন্ড গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে দারিয়াপুর গ্রামের ইন্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। তুমুল সংঘর্ষে ৮ পুলিশসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়। এর মধ্যে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহতরা হলেন মহেশপুর উপজেলার তুলসিতলা গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে লুত্ফর রহমান, পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামের আক্কাচ আলীর ছেলে আতিয়ার রহমান, আবদুস সাত্তারের ছেলে শহিদুল ইসলাম ও গোলাম রহমানের ছেলে শহিদুর রহমান। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী লাঠিসোটা নিয়ে দারিয়াপুর এলাকা ঘিরে রাখে। তারা সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত লাশ নিয়ে দফায় দফায় মিছিল বের করে বিক্ষোভ করতে থাকে। তবে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করতে পারেনি। বেলা আড়াইটার দিকে এলাকাবাসী নিহতের লাশ নিয়ে মহেশপুর থানায় আসে।
স্থানীয় সাবেক ইউপি মেম্বর ইয়ার আলী জানান, পুলিশ প্রতিটি বাড়ি বাড়ি হানা দিয়ে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা করলে গ্রামবাসী জোটবদ্ধ হয়ে পুলিশকে বাধা দেয় এবং ডাকাত ডাকাত বলে চিত্কার করে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের গাড়ি ভাংচুর চালায় এবং গ্রামবাসী আজিজ, শাহাদত, রওশন আলীর বাড়ি ভাংচুর করে ও শাহাদতের মুদি দোকান ভাংচুর করে লুটপাট করে।। পুলিশ বেগতিক দেখে গ্রামবাসীর ওপর গুলি চালালে পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামের ইন্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ আসামি ধরার নামে নির্যাতন চালায়। পুলিশ পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামের আজিবর বক্স, হায়দার আলী, নজির উদ্দীন, আতিয়ার রহমান, শরিফুল ইসলাম, মাহমুদ, আবদুস সাত্তার, লিয়াকত হোসেন ও শুকুর আলীসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি তছনছ করে। এ ঘটনায় গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং পুলিশকে প্রতিরোধ করে।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে আমরা আসামি ধরতে পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামে গেলে গ্রামবাসী দলবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পুলিশ ভ্যান ভাংচুর করে। এ সময় গ্রামবাসীর ইটপাটকেল নিক্ষেপে পুলিশের ৮ জন সদস্য আহন হন। পুলিশ কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান আরও জানান, পুলিশের জীবন বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হলে তারা আত্মরক্ষার্থে এক পর্যায়ে গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর তারা শুনেছেন।
এদিকে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দীন জানান, নিহত ইন্তাজুল যুবদলের ওয়ার্ড কমিটির প্রচার সম্পাদক। এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় কোনো মামলা হয়নি।
মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী জামায়াত-বিএনপি অধ্যুষিত এলাকায় পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে হতাহতের পর ওই এলাকার মানুষের মাঝে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ লোকজনকে নিয়ে সভা-সমাবেশ করতে হবে—এমনটিই জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ৯ গাড়ি পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী জামায়াত-বিএনপি অধ্যুষিত এলাকায় হরতালে নাশকতা ও পুলিশের কাজে বাধাদান মামলার আসামি ধরতে যায়। গ্রামে অভিযান চালানোর সময় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে কয়েক গ্রামের মানুষ ডাকাত ডাকাত বলে ডাক দেয়। তারা পুলিশের গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাংচুর করে। এ সময় পুলিশ টিয়ারশেল, শর্টগান ও চাইনিজ রাইফেলের শতাধিক রাউন্ড গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে দারিয়াপুর গ্রামের ইন্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। তুমুল সংঘর্ষে ৮ পুলিশসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়। এর মধ্যে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহতরা হলেন মহেশপুর উপজেলার তুলসিতলা গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে লুত্ফর রহমান, পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামের আক্কাচ আলীর ছেলে আতিয়ার রহমান, আবদুস সাত্তারের ছেলে শহিদুল ইসলাম ও গোলাম রহমানের ছেলে শহিদুর রহমান। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী লাঠিসোটা নিয়ে দারিয়াপুর এলাকা ঘিরে রাখে। তারা সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত লাশ নিয়ে দফায় দফায় মিছিল বের করে বিক্ষোভ করতে থাকে। তবে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করতে পারেনি। বেলা আড়াইটার দিকে এলাকাবাসী নিহতের লাশ নিয়ে মহেশপুর থানায় আসে।
স্থানীয় সাবেক ইউপি মেম্বর ইয়ার আলী জানান, পুলিশ প্রতিটি বাড়ি বাড়ি হানা দিয়ে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা করলে গ্রামবাসী জোটবদ্ধ হয়ে পুলিশকে বাধা দেয় এবং ডাকাত ডাকাত বলে চিত্কার করে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের গাড়ি ভাংচুর চালায় এবং গ্রামবাসী আজিজ, শাহাদত, রওশন আলীর বাড়ি ভাংচুর করে ও শাহাদতের মুদি দোকান ভাংচুর করে লুটপাট করে।। পুলিশ বেগতিক দেখে গ্রামবাসীর ওপর গুলি চালালে পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামের ইন্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামবাসী অভিযোগ করেন, এলাকার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ আসামি ধরার নামে নির্যাতন চালায়। পুলিশ পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামের আজিবর বক্স, হায়দার আলী, নজির উদ্দীন, আতিয়ার রহমান, শরিফুল ইসলাম, মাহমুদ, আবদুস সাত্তার, লিয়াকত হোসেন ও শুকুর আলীসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি তছনছ করে। এ ঘটনায় গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং পুলিশকে প্রতিরোধ করে।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে আমরা আসামি ধরতে পূর্ব দারিয়াপুর গ্রামে গেলে গ্রামবাসী দলবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পুলিশ ভ্যান ভাংচুর করে। এ সময় গ্রামবাসীর ইটপাটকেল নিক্ষেপে পুলিশের ৮ জন সদস্য আহন হন। পুলিশ কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান আরও জানান, পুলিশের জীবন বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হলে তারা আত্মরক্ষার্থে এক পর্যায়ে গুলি চালাতে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর তারা শুনেছেন।
এদিকে মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দীন জানান, নিহত ইন্তাজুল যুবদলের ওয়ার্ড কমিটির প্রচার সম্পাদক। এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় কোনো মামলা হয়নি।
মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী জামায়াত-বিএনপি অধ্যুষিত এলাকায় পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে হতাহতের পর ওই এলাকার মানুষের মাঝে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ লোকজনকে নিয়ে সভা-সমাবেশ করতে হবে—এমনটিই জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Comments