সেনবাগে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করল যুবলীগকর্মী



ডেস্ক রিপোর্ট
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»
যশোরে শিশু, সেনবাগে মাদরাসাছাত্রীকে যুবলীগকর্মীর ধর্ষণ, তাহিরপুরে শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গতকাল যশোরে সাড়ে চার বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। নোয়াখালীর সেনবাগে মাদরাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে এলাকার এক যুবলীগকর্মী। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মাদরাসাপড়ুয়া এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগে একজনকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দিনাজপুরের বীরগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূর যৌনাঙ্গসহ শরীরে আগুন দিয়ে ঝলসে দেয়া হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
যশোর : যশোরে সাড়ে চার বছরের এক শিশু ধর্ষিত হয়েছে। শনিবার সদর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। শিশুটির মা জানান, তার মেয়ে বিকালে প্রতিবেশী মৃত শাহেদ আলীর ছেলে রহম আলীর ঘরে টিভি দেখতে যায়। এ সময় রহম আলী তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। তার চিত্কার শুনে আমি গিয়ে তাকে উদ্ধার করি।
গতকাল ধর্ষিতাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে মহিলা পরিষদ কর্মকর্তারা গতকাল বিকালে হাসপাতালে গিয়ে তার খোঁজখবর নেন। এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ধর্ষক রহম পালিয়ে গেছে।
সেনবাগ (নোয়াখালী) : নোয়াখালীতে সেনবাগের ডমুরুয়া ইউনিয়নের কানুচর গ্রামের ও স্থানীয় মোটুবী সিনিয়র মাদরাসার একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে জোর করে ধর্ষণ করেছে এলাকার যুবলীগকর্মী মো. মহিন হাজারি নামে এক যুবক। এ ঘটনায় গতকাল গ্রাম্যসালিশে ধর্ষণের ঘটনা প্রমাণ হওয়ার পরও ধর্ষক বিয়ে করতে রাজি না হয়ে সালিশদারদের হুমকি দিয়ে বৈঠক থেকে চলে যায়।
এলাকাবাসী জানান, গত বৃহস্পতিবার ভিকটিমের বাবা-মা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলে উপজেলার কানুচর গ্রামের মাদরাসাপড়ুয়া মেয়েকে (১৬) একই এলাকার আবদুছ ছাত্তারের বখাটে ছেলে স্থানীয় যুবলীগের কর্মী মো. মহিন হাজারী বিয়ের প্রলোভন দিয়ে হাত-মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের আর্তচিত্কার শুনে পার্শ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে এলে বখাটে যুবলীগকর্মী মহিন হাজারী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা এলাকাবাসীর কাছে সুবিচার প্রার্থনা করেন। পরে গতকাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় কানুচর এলাকার ওয়ার্ড মেম্বার শাহ আলম ভূইয়ার বাড়িতে এক সালিশ বৈঠক হয়। এতে মহিন হাজারি ভিকটিমকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে সে স্বীকার করে। পরে সালিশে ভিকটিমকে বিয়ে করার জন্য রায় দেয়া হলে ধর্ষকের বড় ভাই গিয়াস উদ্দিন এ রায় না মেনে মহিনকে নিয়ে বীরদর্পে বৈঠক ত্যাগ করে।
তাহিরপুর(সুনামগঞ্জ) : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মাদরাসায় পড়ুয়া এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি চেষ্টার অভিযোগে বারকি শ্রমিক নুরুজ্জামানকে (২৫) এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এক সন্তানের বাবা নুরুজ্জামান উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের মেঘালয় সীমান্তের লামাশ্রম গ্রামের মিরাজ আলীর ছেলে। গতকাল দুপুরে নিজ কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এ রায় দেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার বাসিন্দা দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে মাদরাসায় যাতায়াতে কয়েক দিন ধরেই উত্ত্যক্ত করে আসছিল নুরুজ্জামান। গতকাল তাকে মাদরাসায় আসার পথে লামাশ্রম ঈদগাহ মাঠের পাশে একা পেয়ে সে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় তার চিত্কারে এলাকাবাসী জড়ো হয়ে নুরুজ্জামানকে আটক করে স্থানীয় বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়। বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সাইদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জনতার হাতে আটক নুরুজ্জামানকে আমরা তাহিরপুর থানায় নিয়ে আসি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত করা হলে নুরুজ্জামান সব দোষ স্বীকার করে বলে, ‘আমারে শয়তানে ধরছিল। এহন আমার উঁশ (হুঁশ) অইছে। আমার তিন মাসের বাচ্চার কতা ভাইব্বা (ভেবে) মাফ কইরা দেইন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় এবং আসামি দোষ স্বীকার করায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) : দিনাজপুরের বীরগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূর যৌনাঙ্গসহ শরীর আগুনে ঝলসে দেয়া হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় শাশুড়িসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।
এক লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে এক পাষণ্ড শাশুড়ি তার পুত্রবধূ রানী আখতারকে (২৫) অমানবিকভাবে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করে। গত ১২ মার্চ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বড়হাট বৈরাগীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মারাত্মক আহত অবস্থায় এক সন্তানের জননী ওই গৃহবধূকে দিনাজপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর জেলা সদরের বাসিন্দা মো. আবদুল গনির মেয়ে মোছা. রানী আখতারের সঙ্গে বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বড়হাট বৈরাগীপাড়া গ্রামের মো. পশির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান হাবলুর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় এক লাখ টাকা যৌতুক, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য জিনিসপত্র দেয়া হয়। এরপর থেকে যৌতুকলোভী স্বামী হাবিবুর রহমান হাবলু বাবার বাড়ি থেকে আরও এক লাখ টাকা নিয়ে আসার জন্য তার স্ত্রীকে চাপ দেয়। এ টাকা গৃহবধূ রানীর বাবা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি হাওয়া বিবি তাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে। পরে তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় রানীর বাবা বাদী হয়ে শাশুড়িসহ তিনজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।
এ ব্যাপারে ওসি নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. লুত্ফর রহমান জানান, তদন্ত চলছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
বাগেরহাট : বাগেরহাটের ফকিরহাট সাকিনা আজাহার টেকনিক্যাল কলেজের নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া আল আমিন (১৫) ও রনি (১৫) নামের দুই ছাত্রের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়েছে। তাদের সহপাঠী এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে তার বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ শিহান নামের এক ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে।
জানা যায়, উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের রাজপাট গ্রামের আজাহার কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্রী (১৫) সে। একই ক্লাসে পড়ুয়া তার দুই সহপাঠী মূলঘর গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে আল আমিনও বারুইপাড়া গ্রামের অজ্ঞাত ব্যক্তির ছেলে রনি মোবাইলফোনে ছাত্রীর আপত্তিকর ছবি ধারণ করে এবং তাকে বিভিন্ন ধরনের কু প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হলে ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এ অভিযোগে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ওই দুই ছাত্রের নামে ফকিরহাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
অন্যদিকে ছাত্রীর অভিভাবক পাশের বাগেরহাট সদরের বারুইপাড়া গ্রামের মফিদুল ইসলামের ছেলে শিহানকে (১৪) অভিনব কায়দায় বাড়িতে ডেকে এনে আটক করে পুলিশে খবর দিয়ে রনি নামে চালিয়ে দেয়।
সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরায় এক কলেজছাত্রীকে জোর করে অপহরণ করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শনিবার বাড়ি থেকে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে যাওয়ার পথে তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
অপহৃত কলেজছাত্রী শহরের উত্তর কাটিয়া এলাকার সুবোল দত্তের মেয়ে ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সরকারি কলেজে যাওয়া-আসার পথে শহরের ইটাগাছা এলাকার রুহুল আমিন নান্টুর ছেলে খায়রুল আমিন ওরফে মোহন (২৪) প্রায়ই ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করত। বেশ কয়েক দিন আগে তাকে রাস্তায় একা পেয়ে মোহন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মোহন তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি অপহরণের হুমকি দেয়। গত শনিবার বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার পথে তিনি রাজারবাগান সরকারি কলেজের সামনে পৌঁছালে মোহনসহ অজ্ঞাত আর চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় অপহৃত কলেজছাত্রীর বাবা সুবোল দত্ত বাদী হয়ে মোহন, তার বাবা রুহুল আমিন নান্টু ও মা মুর্শিদা খাতুনসহ অজ্ঞাত আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমানুল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ অপহৃত কলেজছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের গ্রেফতারে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
মান্দা (নওগাঁ) : নওগাঁর মান্দা উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে সালিশে নির্যাতনের ঘটনায় ছয় মাতবরকে আটকের পর থানা থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল আটক করে পুলিশের পিকআপ ভ্যানে থানায় নিয়ে আসা হলেও দিনভর নাটকীয়তার পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। বিকেল ৫টায় এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ ও তার স্বামীকে থানায় বসিয়ে রাখা হলেও কোনো মামলা রেকর্ড করা হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে।
এদিকে গতকাল বিভিন্ন দৈনিকে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে সালিশ বৈঠকে নির্যাতন সংবাদ প্রকাশ হলে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। পুলিশ সংবাদপত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জিডি করে ঘটনাস্থল তদন্ত করে। এ সময় ভিকটিম ও তার স্বামীসহ ছয় মাতবরকে আটক করে থানায় নিয়ে আনা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন ইউপির সদস্য আকবর আলী মহুরি, জয়েন উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, ইউপির সাবেক সদস্য মোসলেম উদ্দিন, সালিশের সভাপতি ইউপির সাবেক সদস্য জায়েদুর রহমান ও মাতবর মোয়াজ্জেম হোসেন।
বাউফল (পটুয়াখালী) : পটুয়াখালীর বাউফলে স্বামীর বিরুদ্ধে করা যৌতুকের মামলা তুলে না নেয়ায় মমতাজ বেগম (২৬) নামের এক গৃহবধূকে পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়েছে। ওই গৃহবধূ তাদের ভয়ে হাসপাতাল ছেড়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
জানা গেছে, উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আবদুর রশিদ মৃধার মেয়ে মমতাজ বেগমের সঙ্গে আট বছর আগে একই ইউনিয়নের কবিরকাঠি গ্রামের মৃত আমজেদ সিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে ঝন্টু সিকদারে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সে যৌতুকের জন্য মমতাজ বেগমকে একাধিকবার মারধর করে। এক লাখ টাকা না দেয়ায় মমতাজ বেগমকে সব সময় মারধর করত। পরে গত বছরের ১০ অক্টোবর ওই গৃহবধূ পটুয়াখালী আদালতে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা করেন। পরে জাহাঙ্গীর ওই মামলায় আদালতে হাজির হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠান। ওই মামলায় পাঁচ মাস জেলহাজতে থাকার পর জাহাঙ্গীর ১৮ মার্চ জামিন পায়। একই দিন মমতাজ বেগম ওই মামলায় আদালতে হাজির হয়ে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে বাড়ি আসার পথে জয়গোড়া বাজারের কাছে, জাহাঙ্গীরের নিদের্েশ তার ভাই সানু সিকদার, তার ছেলে সোহেল সিকদার, মন্টু সিকদার ভগ্নিপতি জহিরুল ভূইয়া ও তার ছেলে সাইলু ভূইয়া মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাকে রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিত্সাধীন অবস্থায় নির্যাতকরা হাসপাতালে এসে মমতাজ বেগমকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখালে গতকাল থেকে তিনি হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়