পাঠকের উকিল
- Get link
- X
- Other Apps
আপডেট: ০১:০০, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৩ | প্রিন্ট সংস্করণ
খামের ওপর লিখুন: পাঠকের উকিল, নকশা, দৈনিক প্রথম আলো, সিএ ভবন, ১০০ কাজী নজরুলইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
এ ছাড়া naksha@prothom-alo.info এই ঠিকানায়ই-মেইল করেও সমস্যার কথা জানাতে পারেন।
২০০৮ সালে একজন মুসলিম ছেলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়। আমি হিন্দু জেনেও সে আমাকে ভালোবাসতো। ২০১২ সালে সে একদিন জোর করে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এরপর তাকে আমি বিয়ের কথা বলি। সে জানায় ২০১৩ সালের ১ ডিসেম্বরে আমাকে বিয়ে করবে। এ কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যায়। কিন্তু এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। গ্রামে তার মাকে বলেছে মেয়ে দেখতে। আমি ওকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। আমি হিন্দু হয়ে মুসলিম ছেলের বিরুদ্ধে কি আইনি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারব?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
ঢাকা।
বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এই অপরাধের শাস্তি অত্যন্ত কঠোর। সুতরাং, আপনি ছেলেটির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের আওতায় মামলা করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ধর্ম কোনো বাধার সৃষ্টি করবে না।
ঢাকা।
বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এই অপরাধের শাস্তি অত্যন্ত কঠোর। সুতরাং, আপনি ছেলেটির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের আওতায় মামলা করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ধর্ম কোনো বাধার সৃষ্টি করবে না।
আমি স্নাতক (সম্মান) শেষ বর্ষে পড়ি। বয়স ২৩ বছর। আট বছর ধরে একটা ছেলের সঙ্গে আমার সম্পর্ক। আমার চেয়ে ও কয়েক মাসের ছোট। এখন আমরা যদি বিয়ে করতে চাই অর্থাৎ কোর্টে গিয়ে বিয়ে করতে চাইলে বয়সের জন্য কি কোনো রকম অসুবিধা হবে?
খাদিজা
বরিশাল
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন ১৯২৯ অনুযায়ী একজন ২১ বছরের ঊর্ধ্বে ছেলে ও একজন ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে মেয়ে নিজ ইচ্ছায় সজ্ঞানে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন। সুতরাং, আপনাদের বিয়েতে আইনগত কোনো বাধ্য নেই।
খাদিজা
বরিশাল
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন ১৯২৯ অনুযায়ী একজন ২১ বছরের ঊর্ধ্বে ছেলে ও একজন ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে মেয়ে নিজ ইচ্ছায় সজ্ঞানে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন। সুতরাং, আপনাদের বিয়েতে আইনগত কোনো বাধ্য নেই।
আমি হিন্দু পরিবারের লিঙ্গবৈষম্যের শিকার একজন বিবাহিত নারী। পেশায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। আমি চাকরির মাধ্যমে অর্থ সঞ্চয় করে বিয়ের সব খরচ বহন করি। আমার বাবা মারা গেছেন অনেক বছর আগে। বাবা আমার মায়ের নামে জমি ও বাড়ি দানপত্র রেজিস্ট্রি করে গেছেন। আমি বিবাহিত, তাই হিন্দু আইনে কোনো সম্পত্তি পাব না। মা আমাকে বিয়ের খরচ বাবদ কিছু জমি ও বাড়ি দিতে চান। দলিলটি কীভাবে লিখলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। ভাই মামলা করলে আইন কি আমার পক্ষে থাকবে? কীভাবে রেজিস্ট্রি করলে আইনসিদ্ধ হবে? রেজিস্ট্রি করার পদ্ধতি বলবেন।
রূপালী রানী সাহা
প্রধান শিক্ষিকা, প্রাইমারি স্কুল
শেরপুর, বগুড়া।
একজন হিন্দু নারী বৈধ প্রয়োজনে জীবনস্বত্বের সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এ ধরনের হস্তান্তর বৈধ ও আইনানুগ। সুতরাং, সন্তানের ভরণপোষণ বিয়ের খরচ বাবদ সম্পত্তি হস্তান্তরে কোনো বাধা নেই।
রূপালী রানী সাহা
প্রধান শিক্ষিকা, প্রাইমারি স্কুল
শেরপুর, বগুড়া।
একজন হিন্দু নারী বৈধ প্রয়োজনে জীবনস্বত্বের সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এ ধরনের হস্তান্তর বৈধ ও আইনানুগ। সুতরাং, সন্তানের ভরণপোষণ বিয়ের খরচ বাবদ সম্পত্তি হস্তান্তরে কোনো বাধা নেই।
আমি স্নাতক (সম্মান) তৃতীয় বর্ষে পড়ি। আমরা দুই বোন। আমি ছোট। আমার বয়স যখন দুই বছর, তখন আমার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তখন থকে আমরা নানাবাড়িতে থাকি। নানাবাড়ি আর বাবার বাড়ি কাছাকাছি। দ্বিতীয় বউয়ের দুই মেয়ে, দুই ছেলে। আমি যখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ি, তখন আমার বাবা মারা যান। নানার বাড়িতে যে ঘরটাতে আমরা থাকি, সেটা অনেক পুরোনো হওয়ায় ভেঙে যাচ্ছে। আমার দাদা এখন অসুস্থ। দাদা যখন সুস্থ ছিলেন, তখন তিনি আমার চাচাদের বলেন বাবার ভিটা আমাদের মধ্যে ভাগ করে দিতে। এমনকি তিনি জায়গাও নির্দিষ্ট করে দেন। জমি মেপে দিতে বললে চাচারা বলেন, আমরা নাকি জমি পাব না। কিন্তু এখন আমাদের একটা বাড়ি জরুরি হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে জমি পাওয়ার জন্য আমরা কী করতে পারি?
আমার সৎমা যদি দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তবে সে কী আমার বাবার বাড়িতে থাকার অধিকার রাখেন?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
চট্টগ্রাম।
বাবার মৃত্যুর পর পৈতৃক সম্পত্তিতে আপনারা অংশীদার। চাচারা আপনাদের ভাগ দিতে অস্বীকার করলে আদালতে বাঁটোয়ারা ও দখল হস্তান্তরের মামলা করতে পারেন। বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী আবার বিয়ে করলে তিনি তাঁর প্রথম স্বামীর বাড়িতে থাকার অধিকার হারাবেন। তবে, ইসলামি আইন অনুযায়ী তাঁর মৃত স্বামীর সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ তাঁর প্রাপ্য।
আমার সৎমা যদি দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তবে সে কী আমার বাবার বাড়িতে থাকার অধিকার রাখেন?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
চট্টগ্রাম।
বাবার মৃত্যুর পর পৈতৃক সম্পত্তিতে আপনারা অংশীদার। চাচারা আপনাদের ভাগ দিতে অস্বীকার করলে আদালতে বাঁটোয়ারা ও দখল হস্তান্তরের মামলা করতে পারেন। বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী আবার বিয়ে করলে তিনি তাঁর প্রথম স্বামীর বাড়িতে থাকার অধিকার হারাবেন। তবে, ইসলামি আইন অনুযায়ী তাঁর মৃত স্বামীর সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ তাঁর প্রাপ্য।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments