সংবাদ সম্মেলনে আ.লীগ নেতা আবু সাইয়িদ : দশম জাতীয় নির্বাচনে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ ভোট কারচুপি হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
দশম জাতীয় নির্বাচনে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ ভোট কারচুপি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন স্বৈরাচার এরশাদের নীলনকশার নির্বাচনকেও হার মানিয়েছে। দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন অতীতে হয়নি ভবিষ্যতেও হবে না। যারা জনগণের সাংবিধানিক অধিকারকে খর্ব করে ক্ষমতায় আসে তারা বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না।
গতকাল বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ‘সাগর রুনী’ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আবু সাইয়িদের নির্বাচনী এলাকা পাবনার সাঁথিয়ায় কীভাবে ভোট কারচুপি করে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু নির্বাচিত হয়েছেন তার একটি চিত্র প্রর্দশনী ও ভোট বাতিলের দাবিতে তিনি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনের আগে সাংবাদিকদের ভোট কারচুপির একটি ডুকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, বর্তমানে দেশ এক ‘অভিনব’ অবস্থায় আছে। নির্বাচনের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৩ জন সংসদ সংদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই সরকারের মেয়াদ ছিল চলতি মাসের ২৪ জানুয়ারি পযন্ত। কিন্তু ২৪ জানুয়ারি আসতে না আসতেই বর্তমান সরকার আরেকটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে শপথ নিয়ে সরকার গঠন করেছে। অর্থাত্ সরকারের মধ্যে আরেকটি সরকার।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করে এই সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দরকার নেই। ওই সময় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী থাকলেই হলো। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়ায় দেশে প্রায় পৌনে পাঁচ কোটি ভোটার ভোট দিতে পারেনি। অথচ প্রজাতন্ত্রের মালিক হচ্ছে জনগণ।
পাবনার সাথিয়ায় সংসদ নির্বাচনে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তিনি বিজয়ী হতে পারেনি বলে অভিযোগ করে বলেন, ভোটের দিন টুকু জেলার পুলিশ সুপার ও রিটার্নিং অফিসারদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। টুকুর ছেলে ও তার ক্যাডার বাহিনীর প্রতিটি ভোট কেন্দ্রগুলোতে তার এজেন্ট বের দিয়েছে। এমনকি যারা আমার সমর্থক তাদের ওপর অব্যাহতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। তাকেও জীবননাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের দিন প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে টুকুর বহিরাগত ক্যাডাররা জাল ভোট দিয়েছে। এটা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না তবুও কেন তিনি প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন তার অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে তাই এই আশায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।’
আওয়ামী লীগের অনেক নেতা সংস্কারপন্থী হওয়ার পরও মূল ধারায় ফিরে গেছেন—তিনিও ফিরে যাবেন কিনা অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ‘সবকিছুতেই সংস্কার থাকা প্রয়োজন। এমনকি আল্লাহ-নবীও ইসলাম ধর্ম সংস্কার করেছিলেন। সংস্কারপন্থী ছিলাম, সংস্কারপন্থী আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি অবিলম্বে পাবনার সাঁথিয়ার ভোট বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান। নইলে ইতিহাসে সেটি কালোদিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বাতেন, মো. ইউনুস আলী ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সারীর নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল বিকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ‘সাগর রুনী’ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আবু সাইয়িদের নির্বাচনী এলাকা পাবনার সাঁথিয়ায় কীভাবে ভোট কারচুপি করে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু নির্বাচিত হয়েছেন তার একটি চিত্র প্রর্দশনী ও ভোট বাতিলের দাবিতে তিনি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনের আগে সাংবাদিকদের ভোট কারচুপির একটি ডুকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, বর্তমানে দেশ এক ‘অভিনব’ অবস্থায় আছে। নির্বাচনের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৩ জন সংসদ সংদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এই সরকারের মেয়াদ ছিল চলতি মাসের ২৪ জানুয়ারি পযন্ত। কিন্তু ২৪ জানুয়ারি আসতে না আসতেই বর্তমান সরকার আরেকটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন করে শপথ নিয়ে সরকার গঠন করেছে। অর্থাত্ সরকারের মধ্যে আরেকটি সরকার।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করে এই সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দরকার নেই। ওই সময় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী থাকলেই হলো। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়ায় দেশে প্রায় পৌনে পাঁচ কোটি ভোটার ভোট দিতে পারেনি। অথচ প্রজাতন্ত্রের মালিক হচ্ছে জনগণ।
পাবনার সাথিয়ায় সংসদ নির্বাচনে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তিনি বিজয়ী হতে পারেনি বলে অভিযোগ করে বলেন, ভোটের দিন টুকু জেলার পুলিশ সুপার ও রিটার্নিং অফিসারদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। এটা সম্পূর্ণ অবৈধ। টুকুর ছেলে ও তার ক্যাডার বাহিনীর প্রতিটি ভোট কেন্দ্রগুলোতে তার এজেন্ট বের দিয়েছে। এমনকি যারা আমার সমর্থক তাদের ওপর অব্যাহতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। তাকেও জীবননাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। নির্বাচনের দিন প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে টুকুর বহিরাগত ক্যাডাররা জাল ভোট দিয়েছে। এটা দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না তবুও কেন তিনি প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন তার অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে তাই এই আশায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।’
আওয়ামী লীগের অনেক নেতা সংস্কারপন্থী হওয়ার পরও মূল ধারায় ফিরে গেছেন—তিনিও ফিরে যাবেন কিনা অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ‘সবকিছুতেই সংস্কার থাকা প্রয়োজন। এমনকি আল্লাহ-নবীও ইসলাম ধর্ম সংস্কার করেছিলেন। সংস্কারপন্থী ছিলাম, সংস্কারপন্থী আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি অবিলম্বে পাবনার সাঁথিয়ার ভোট বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দেয়ার দাবি জানান। নইলে ইতিহাসে সেটি কালোদিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বাতেন, মো. ইউনুস আলী ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সারীর নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
Comments