তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কটাক্ষের প্রতিবাদ যুক্তরাজ্য বিএনপির : ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা হত্যার দায়ে রক্ষিবাহিনী প্রধান তোফায়েলের বিচার হবে’
লন্ডন প্রতিনিধি
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভিডিও বার্তার পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, স্বাধীনার পর সেনাবাহিনী ধ্বংস করে রক্ষিবাহিনী গঠনের নায়ক তোফায়েল আহমদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না। রক্ষিবাহিনীর প্রধান হিসেবে তোফায়েল আহমদের নেতৃত্বে তখন ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা হত্যা করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক ছিলেন তোফায়েল আহমদ। তার নেতৃত্বেই রক্ষিবাহিনী সব অপারেশন পরিচালনা করেছে তখন। রক্ষিবাহিনীর প্রধান হিসেবে ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা হত্যার দায়ে তোফায়েল আহমদকে একদিন আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
গতকাল লন্ডন সময় বিকাল ৫টায় পূর্বলন্ডনের ব্রিকলেনের একটি রেস্টুরেন্টে বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলা হয়। তারেক রহমানকে নিয়ে তোফায়েল আহমদের বক্তব্যের প্রতিবাদে তাত্ক্ষণিক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আবদুস সালাম। সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক বর্তমানের নাগরিক আন্দোলনের আহ্বায়ক এম এ মালেক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর আহমদসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারেক রহমানের নাম শুনলেই তোফায়েল আহমদদের গায়ে আগুন ধরে যায়। অন্তরে জ্বালা শুরু হয় এবং শরীরে খিঁচুনি ওঠে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংসকারী, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিনাসে ষড়যন্ত্রের নির্বাচন প্রতিহত এবং প্রতিরোধ করার জন্য দেশবাসীর প্রতি ভিডিও বার্তায় আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই আহ্বান প্রচারিত হওয়ার পর তোফায়েল আহমদ তারেক রহমানকে কটাক্ষ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা রুচিহীনতার পরিচায়ক। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তোফায়েল আহমদের বক্তব্যের মাধ্যমে আবারও ফুটে উঠেছে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে বিরোধী দলকে সহ্য করতে চায় না। তারা এক নায়কতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায় বাংলাদেশে। ১৯৭৫ সালেও তোফায়েল আহমদের নেতৃত্বে শেখ মুজিবুর রহমানের এক নায়কতান্ত্রিক শাসন কায়েম হয়েছিল। আবারও মুজিবকন্যা শেখ হাসিনাকে তারা এক নায়কতান্ত্রিক শাসকে নিয়ে গেছেন। শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশে ১৫ আগস্ট বাড়ি আক্রমণের পর তোফায়েল আহমদকে ফোন করা হয়েছিল রক্ষিবাহিনী পাঠানোর জন্য। কিন্তু তোফায়েল আহমদের রক্ষিবাহিনী শেখ মুজিবকে রক্ষায় এগিয়ে যায়নি। শেখ হাসিনাকেও এক নায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় উত্সাহিত করে তোফায়েল আহমদরা শেখ মুজিবের পথে ঠেলে দিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষা স্বার্থে নির্বাচনের নামে তামাশা প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন। দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতি অনুরোধ থাকবে আসুন তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তামাশার নির্বাচন প্রতিরোধের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তোফায়েল আহমদ বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক মামলাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্ত্র আওয়ামী আমলে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী আদালতই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেয়ার মাধ্যমে এরই মধ্যে প্রমাণিত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সবই ছিল ষড়যন্ত্র মূলক মামলা। তামাশার নির্বাচন বর্জন ও প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক জনগণ আওয়ামী ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
উল্লেখ্য তারেক রহমানের ভিডিও বার্তা প্রচারিত হওয়ার পর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তোফায়েল আহমদ বক্তব্য রাখেন। এই বক্তব্যে তারেক রহমানকে কটাক্ষ করা হয় এবং আপত্তিকর সমালোচনা করা হয়।
গতকাল লন্ডন সময় বিকাল ৫টায় পূর্বলন্ডনের ব্রিকলেনের একটি রেস্টুরেন্টে বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলা হয়। তারেক রহমানকে নিয়ে তোফায়েল আহমদের বক্তব্যের প্রতিবাদে তাত্ক্ষণিক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আবদুস সালাম। সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক বর্তমানের নাগরিক আন্দোলনের আহ্বায়ক এম এ মালেক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর আহমদসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারেক রহমানের নাম শুনলেই তোফায়েল আহমদদের গায়ে আগুন ধরে যায়। অন্তরে জ্বালা শুরু হয় এবং শরীরে খিঁচুনি ওঠে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংসকারী, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিনাসে ষড়যন্ত্রের নির্বাচন প্রতিহত এবং প্রতিরোধ করার জন্য দেশবাসীর প্রতি ভিডিও বার্তায় আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই আহ্বান প্রচারিত হওয়ার পর তোফায়েল আহমদ তারেক রহমানকে কটাক্ষ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা রুচিহীনতার পরিচায়ক। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তোফায়েল আহমদের বক্তব্যের মাধ্যমে আবারও ফুটে উঠেছে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে বিরোধী দলকে সহ্য করতে চায় না। তারা এক নায়কতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায় বাংলাদেশে। ১৯৭৫ সালেও তোফায়েল আহমদের নেতৃত্বে শেখ মুজিবুর রহমানের এক নায়কতান্ত্রিক শাসন কায়েম হয়েছিল। আবারও মুজিবকন্যা শেখ হাসিনাকে তারা এক নায়কতান্ত্রিক শাসকে নিয়ে গেছেন। শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশে ১৫ আগস্ট বাড়ি আক্রমণের পর তোফায়েল আহমদকে ফোন করা হয়েছিল রক্ষিবাহিনী পাঠানোর জন্য। কিন্তু তোফায়েল আহমদের রক্ষিবাহিনী শেখ মুজিবকে রক্ষায় এগিয়ে যায়নি। শেখ হাসিনাকেও এক নায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় উত্সাহিত করে তোফায়েল আহমদরা শেখ মুজিবের পথে ঠেলে দিচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারেক রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষা স্বার্থে নির্বাচনের নামে তামাশা প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন। দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতি অনুরোধ থাকবে আসুন তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তামাশার নির্বাচন প্রতিরোধের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তোফায়েল আহমদ বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক মামলাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্ত্র আওয়ামী আমলে দায়ের করা মামলায় আওয়ামী আদালতই তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেয়ার মাধ্যমে এরই মধ্যে প্রমাণিত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সবই ছিল ষড়যন্ত্র মূলক মামলা। তামাশার নির্বাচন বর্জন ও প্রতিরোধের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক জনগণ আওয়ামী ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
উল্লেখ্য তারেক রহমানের ভিডিও বার্তা প্রচারিত হওয়ার পর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তোফায়েল আহমদ বক্তব্য রাখেন। এই বক্তব্যে তারেক রহমানকে কটাক্ষ করা হয় এবং আপত্তিকর সমালোচনা করা হয়।
Comments