আঁতে ঘা লেগেছে বলেই বিরোধীদলীয় নেতার নিবন্ধন নিয়ে সমালোচনা করছে সরকার : মওদুদ
স্টাফ রিপোর্টার : যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন টাইমসের প্রকাশিত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিবন্ধ রাষ্ট্রেদ্রোহসম-সরকারি দলের এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে বিএনপি। গতকাল সকালে এক বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, সরকারের আঁতে ঘা লেগেছে বলেই বিরোধীদলীয় নেতার প্রকাশিত নিবন্ধ নিয়ে গতকাল সংসদে কুরুচিপূর্ণভাষার সমালোচনা করা হয়েছে। তাদের সমালোচনাই প্রমাণ করে বিরোধীদলীয় নেতা নিবন্ধে সত্য কথা বলেছেন।
সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, ওই নিবন্ধটি রাষ্ট্রদ্রোহসম। আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই, সমালোচনা করলে তা রাষ্ট্রদ্রোহ হয় না। রাষ্ট্রদ্রোহ আইনটি পড়ে এরপর সমালোচনা করুন। ওয়াশিংটন টাইমসের মতামত পাতায় প্রকাশিত বিরোধীদলীয় নেতার লেখা নিয়ে বৃহস্পতিবার সংসদে সমালোচনায় ফেটে পড়েন সরকারি দলের সদস্যরা। তারা ওই নিবন্ধকে রাষ্ট্রদ্রোহসম অপরাধ বলেছেন।
বাংলাদেশ গণতন্ত্রের বদলে একটি পরিবারের শাসনে যাচ্ছে আশঙ্কা প্রকাশ করে বুধবার প্রকাশিত ওই নিবন্ধে বিএনপি চেয়ারপার্সন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়তা প্রত্যাশা করেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এই নিবন্ধের সমালোচনা করেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা। ওই নিবন্ধের বক্তব্যের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতেও খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানান তারা।
নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহানগর দক্ষিণ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুক্তির দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল হয়। ফখরুলের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হাজার হাজার নেতা-কর্মী এই মিছিলে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্যদের বক্তব্য প্রসঙ্গে মওদুদ আহমদ বলেন, বাংলাদেশে আজ গণতন্ত্র নেই। আইনের শাসন ও মানবাধিকার পদে পদে লঙ্ঘিত হচ্ছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- ঘটছে। বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। সরকার আপাদমস্তক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। এসব বিষয়ে বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য খালেদা জিয়া ওয়াশিংটন টাইমসের নিবন্ধন লেখেছেন। গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করার জন্য এই নিবন্ধ লেখা হয়েছে।
১৯৯১-১৯৯৬ সাল এবং ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা বিদেশে গিয়ে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে নেয়া নানা কর্মকা-ের কথা তুলে ধরে মওদুদ বলেন, ওই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, ফ্রান্সসহ বিভিন্œ দেশে গিয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছেন। ফ্রান্সে গিয়ে সেদেশের সংসদ সদস্যদের অনুরোধ জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে একটি বিল পাস করার জন্য। এসব কর্মকা-ের কথা কি আপনারা ভুলে গেছেন? কেবল তাই নয়, ওয়াশিংটনে গিয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে সাহায্য বন্ধ করে দেয়ার অনুরোধ করেছিলেন। ফ্লোরিডায় গিয়ে তিনি বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বলেছেন।
বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা ওই নিবন্ধের মাধ্যমে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ বাংলাদেশের শুভাকাক্সিক্ষ দেশসমূহের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ওই নিবন্ধ বিএনপিকে রক্ষার জন্য লেখা হয়নি। দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য খালেদা জিয়া এই লেখা লেখেছেন।
সাবেক আইনমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি করে সরকার বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে কলঙ্কিত করেছে। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংকের প্রধান বলেদিয়েছেন, শর্ত পূরণ না হলে ওই সেতু প্রকল্পে আর অর্থায়ন করবে না। তিনি বলেন, সরকার দেশকে সংঘাত ও নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তাদের ওইসব অপকর্ম গণমাধ্যমও ইন্টানেটে আজ বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত হচ্ছে।
দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলী রেজা রিপনের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, মহানগর সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সিনিয়র সহসভাপতি মুনীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবিধানিক অধিকার ফোরামের উদ্যোগে ‘রাজনীতি ও আগামী নির্বাচন পদ্ধতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় মওদুদ অভিযোগ করে বলেন, সরকার সংসদকে একদলীয় সংসদে পরিণত করে ফেলেছে। এখানে জনগণের সমস্যা নিয়ে কোনো আলোচনা হয় না। কেবল বিরোধী দলের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তৃতা হয়। সংগঠটির প্রধান উপদেষ্টা সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোরশেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক ছাত্র নেতা সুরঞ্জন ঘোষ, হৃদয় বাংলাদেশের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. হানিফ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, ওই নিবন্ধটি রাষ্ট্রদ্রোহসম। আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই, সমালোচনা করলে তা রাষ্ট্রদ্রোহ হয় না। রাষ্ট্রদ্রোহ আইনটি পড়ে এরপর সমালোচনা করুন। ওয়াশিংটন টাইমসের মতামত পাতায় প্রকাশিত বিরোধীদলীয় নেতার লেখা নিয়ে বৃহস্পতিবার সংসদে সমালোচনায় ফেটে পড়েন সরকারি দলের সদস্যরা। তারা ওই নিবন্ধকে রাষ্ট্রদ্রোহসম অপরাধ বলেছেন।
বাংলাদেশ গণতন্ত্রের বদলে একটি পরিবারের শাসনে যাচ্ছে আশঙ্কা প্রকাশ করে বুধবার প্রকাশিত ওই নিবন্ধে বিএনপি চেয়ারপার্সন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়তা প্রত্যাশা করেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এই নিবন্ধের সমালোচনা করেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা। ওই নিবন্ধের বক্তব্যের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতেও খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানান তারা।
নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহানগর দক্ষিণ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুক্তির দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল হয়। ফখরুলের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হাজার হাজার নেতা-কর্মী এই মিছিলে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সংসদে সরকারি দলের সদস্যদের বক্তব্য প্রসঙ্গে মওদুদ আহমদ বলেন, বাংলাদেশে আজ গণতন্ত্র নেই। আইনের শাসন ও মানবাধিকার পদে পদে লঙ্ঘিত হচ্ছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- ঘটছে। বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। সরকার আপাদমস্তক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। এসব বিষয়ে বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য খালেদা জিয়া ওয়াশিংটন টাইমসের নিবন্ধন লেখেছেন। গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করার জন্য এই নিবন্ধ লেখা হয়েছে।
১৯৯১-১৯৯৬ সাল এবং ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা বিদেশে গিয়ে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে নেয়া নানা কর্মকা-ের কথা তুলে ধরে মওদুদ বলেন, ওই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, ফ্রান্সসহ বিভিন্œ দেশে গিয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছেন। ফ্রান্সে গিয়ে সেদেশের সংসদ সদস্যদের অনুরোধ জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে একটি বিল পাস করার জন্য। এসব কর্মকা-ের কথা কি আপনারা ভুলে গেছেন? কেবল তাই নয়, ওয়াশিংটনে গিয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে সাহায্য বন্ধ করে দেয়ার অনুরোধ করেছিলেন। ফ্লোরিডায় গিয়ে তিনি বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বলেছেন।
বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা ওই নিবন্ধের মাধ্যমে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ বাংলাদেশের শুভাকাক্সিক্ষ দেশসমূহের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ওই নিবন্ধ বিএনপিকে রক্ষার জন্য লেখা হয়নি। দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য খালেদা জিয়া এই লেখা লেখেছেন।
সাবেক আইনমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি করে সরকার বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে কলঙ্কিত করেছে। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংকের প্রধান বলেদিয়েছেন, শর্ত পূরণ না হলে ওই সেতু প্রকল্পে আর অর্থায়ন করবে না। তিনি বলেন, সরকার দেশকে সংঘাত ও নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তাদের ওইসব অপকর্ম গণমাধ্যমও ইন্টানেটে আজ বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত হচ্ছে।
দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলী রেজা রিপনের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, মহানগর সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল, সিনিয়র সহসভাপতি মুনীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবিধানিক অধিকার ফোরামের উদ্যোগে ‘রাজনীতি ও আগামী নির্বাচন পদ্ধতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় মওদুদ অভিযোগ করে বলেন, সরকার সংসদকে একদলীয় সংসদে পরিণত করে ফেলেছে। এখানে জনগণের সমস্যা নিয়ে কোনো আলোচনা হয় না। কেবল বিরোধী দলের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তৃতা হয়। সংগঠটির প্রধান উপদেষ্টা সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোরশেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক ছাত্র নেতা সুরঞ্জন ঘোষ, হৃদয় বাংলাদেশের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. হানিফ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
Comments