‘তিন আসামির ফাঁসি হলে তা হবে সাংবিধানিক ভুল’
- Get link
- X
- Other Apps
রাজীব গান্ধী হত্যা
‘তিন আসামির ফাঁসি হলে তা হবে সাংবিধানিক ভুল’
| তারিখ: ২৫-০২-২০১৩
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে এখন ফাঁসিতে ঝোলানো হলে সেটা ‘সাংবিধানিক ভুল’ হবে। ওই মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বিচারপতি কে টি থমাস টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।
সাক্ষাৎকারে বিচারপতি কে টি থমাস বলেন, ‘আমার দুর্ভাগ্য যে আমি ওই বেঞ্চের প্রধান ছিলাম।’
১৩ বছর আগে বিচারপতি থমাসের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় নলিনী শ্রীহরণ, মুরুগান, সানথান ও পেরারিভালানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। সরকারিভাবে সোনিয়া গান্ধীর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তামিলনাড়ু সরকার ২০০০ সালে নলিনীর দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন সাজা দেন।
ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী টাডা আইনে আদালত রাজীব গান্ধীর হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে সুপ্রিম কোর্ট চারজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।
সুপ্রিম কোর্টের ওই বেঞ্চের প্রধান থমাস সাক্ষাৎকারে বলেন, ওই বিচারের রায়ে ‘ভুল’ রয়েছে। কারণ, চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের অতীতের কর্মকাণ্ড, স্বভাব ও চরিত্র বিবেচনা করা হয়নি। তাই এখন নলিনী ছাড়া বাকি তিনজনের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত হবে ‘সাংবিধানিক ভুল’, যা হবে সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মুরুগান, সানথান ও পেরারিভালানের অতীতের কর্মকাণ্ড, স্বভাব ও চরিত্র বিবেচনা করে মামলাটি পর্যালোচনার দাবি রাখে।
বিচারপতি থমাস বলেন, ‘আমাদের ওই রায়ের অনেক বছর পর বিচারপতি এস বি সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ মত দেন, আসামিদের স্বভাব-চরিত্র বিবেচনায় না নিয়ে কখনোই কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত নয়। এই রায় সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়গুলোর ভুল ধরিয়ে দিয়েছে এবং তা রাজীব গান্ধী হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’
বিচারপতি থমাস বলেন, ‘ওই তিন আসামি ২২ বছর ধরে কারাগারে আছেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার মামলাটি পর্যালোচনা করার অধিকার রয়েছে। এতে ওই আসামির দণ্ড কমতেও পারে, আবার নাও পারে।’
বিচারপতি থমাস বলেন, ‘রাজীব হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি দীর্ঘ সময় ধরে কারাভোগ করছেন। যাবজ্জীবন দণ্ডের কোনো সুবিধাও তাঁরা পাচ্ছেন না। অর্থাৎ তাঁরা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডের বাইরে তৃতীয় কোনো দণ্ড ভোগ করছেন। এটা রায়ের বাইরে এবং সাংবিধানিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ। আজ বা কাল যদি তাঁদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়, তাহলে তাঁরা একটি অপরাধের জন্য দুটি দণ্ড ভোগ করবেন।’
১৯৯১ সালের ২১ মে এক নির্বাচনী প্রচারণার সময় হামলায় রাজীব গান্ধী নিহত হন। এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির ২০১১ সালে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়া।
সাক্ষাৎকারে বিচারপতি কে টি থমাস বলেন, ‘আমার দুর্ভাগ্য যে আমি ওই বেঞ্চের প্রধান ছিলাম।’
১৩ বছর আগে বিচারপতি থমাসের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় নলিনী শ্রীহরণ, মুরুগান, সানথান ও পেরারিভালানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। সরকারিভাবে সোনিয়া গান্ধীর করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তামিলনাড়ু সরকার ২০০০ সালে নলিনীর দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন সাজা দেন।
ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী টাডা আইনে আদালত রাজীব গান্ধীর হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে সুপ্রিম কোর্ট চারজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।
সুপ্রিম কোর্টের ওই বেঞ্চের প্রধান থমাস সাক্ষাৎকারে বলেন, ওই বিচারের রায়ে ‘ভুল’ রয়েছে। কারণ, চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের অতীতের কর্মকাণ্ড, স্বভাব ও চরিত্র বিবেচনা করা হয়নি। তাই এখন নলিনী ছাড়া বাকি তিনজনের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত হবে ‘সাংবিধানিক ভুল’, যা হবে সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। তিনি আরও বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মুরুগান, সানথান ও পেরারিভালানের অতীতের কর্মকাণ্ড, স্বভাব ও চরিত্র বিবেচনা করে মামলাটি পর্যালোচনার দাবি রাখে।
বিচারপতি থমাস বলেন, ‘আমাদের ওই রায়ের অনেক বছর পর বিচারপতি এস বি সিনহার নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ মত দেন, আসামিদের স্বভাব-চরিত্র বিবেচনায় না নিয়ে কখনোই কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত নয়। এই রায় সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়গুলোর ভুল ধরিয়ে দিয়েছে এবং তা রাজীব গান্ধী হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’
বিচারপতি থমাস বলেন, ‘ওই তিন আসামি ২২ বছর ধরে কারাগারে আছেন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামির কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার মামলাটি পর্যালোচনা করার অধিকার রয়েছে। এতে ওই আসামির দণ্ড কমতেও পারে, আবার নাও পারে।’
বিচারপতি থমাস বলেন, ‘রাজীব হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি দীর্ঘ সময় ধরে কারাভোগ করছেন। যাবজ্জীবন দণ্ডের কোনো সুবিধাও তাঁরা পাচ্ছেন না। অর্থাৎ তাঁরা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন দণ্ডের বাইরে তৃতীয় কোনো দণ্ড ভোগ করছেন। এটা রায়ের বাইরে এবং সাংবিধানিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ। আজ বা কাল যদি তাঁদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়, তাহলে তাঁরা একটি অপরাধের জন্য দুটি দণ্ড ভোগ করবেন।’
১৯৯১ সালের ২১ মে এক নির্বাচনী প্রচারণার সময় হামলায় রাজীব গান্ধী নিহত হন। এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির ২০১১ সালে ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়া।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments