ভিন্ন খবর : মোবাইল নিয়ন্ত্রিত তালা আবিষ্কার
রফিকুল ইসলাম রফিক, রংপুর
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল পঞ্চম পর্বের ছাত্র মুরাদুল ইসলাম মনু একটি মোবাইল নিয়ন্ত্রিত তালা উদ্ভাবন করেছেন। এই তালা ঘরবাড়ি, অফিস-আদালত, ব্যাংক সব জায়গাতেই ব্যবহার করা সম্ভব বলে তিনি জানিয়েছেন।
মুরাদ জানান, তার উদ্ভাবিত তালাটি বিশেষ ধরনের। এই তালা খুলতে কিংবা লাগাতে কোনো চাবির দরকার হয় না। এ তালাটির কার্য সম্পাদন হয় দুই ধাপে। প্রথমে তালাটিতে স্থাপিত মোবাইল ফোনে একটি নির্দিষ্ট মোবাইল ফোন থেকে মিসকল দিতে হয়। মিসকল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তালাটির প্রথম পর্যায়ের লক খুলে যায়। এরপর নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড প্রদান করলেই প্রধান লকটি খুলে যায়। তিনি জানান, ঘরবাড়ি ও অফিস-আদালতের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় এই তালাটির জুড়ি নেই। শুধু নির্দিষ্ট মোবাইল থেকে মিসকল দিলে এবং নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড প্রদান করলেই তালাটি খোলা ও লাগানো সম্ভব। ফলে অন্য কেউ তালাটি খুলে ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না।
রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা বলেন, এটি একটি যুগান্তকারী উদ্ভাবন। এ তালাটি বাজারজাত করলে আমাদের দেশে ঘরবাড়ি, অফিস-আদালতসহ সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারবে। শুধু তাই নয়, এটি নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রচলিত খরচও অনেক কমিয়ে দেবে।
রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তড়িত্ কৌশল বিভাগের ওয়ারিং শপের ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, মুরাদ আমাদের গর্ব। তার এই উদ্ভাবন দেশের প্রযুক্তিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
মুরাদ কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার জতিনেরহাট গ্রামের হোমিও চিকিত্সক শাহাজাহান সরকারের ছেলে। তার বাবা জানান, মুরাদের ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাতির প্রতি খুব আগ্রহ। ছেলের আগ্রহ দেখে তিনি তাকে রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি করিয়ে দেন। তার এ উদ্ভাবন সম্পর্কে তিনি অনেক আগে থেকেই জানতেন। কিন্তু অর্থাভাবের কারণে তাকে সহযোগিতা করতে পারেননি। তিনি বলেন, সমাজের অনেক বিত্তবান ব্যক্তি আছেন। কেউ এগিয়ে এলেই মুরাদের মেধার আরও বিকাশ ঘটবে
মুরাদ জানান, তার উদ্ভাবিত তালাটি বিশেষ ধরনের। এই তালা খুলতে কিংবা লাগাতে কোনো চাবির দরকার হয় না। এ তালাটির কার্য সম্পাদন হয় দুই ধাপে। প্রথমে তালাটিতে স্থাপিত মোবাইল ফোনে একটি নির্দিষ্ট মোবাইল ফোন থেকে মিসকল দিতে হয়। মিসকল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তালাটির প্রথম পর্যায়ের লক খুলে যায়। এরপর নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড প্রদান করলেই প্রধান লকটি খুলে যায়। তিনি জানান, ঘরবাড়ি ও অফিস-আদালতের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় এই তালাটির জুড়ি নেই। শুধু নির্দিষ্ট মোবাইল থেকে মিসকল দিলে এবং নির্দিষ্ট পাসওয়ার্ড প্রদান করলেই তালাটি খোলা ও লাগানো সম্ভব। ফলে অন্য কেউ তালাটি খুলে ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না।
রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা বলেন, এটি একটি যুগান্তকারী উদ্ভাবন। এ তালাটি বাজারজাত করলে আমাদের দেশে ঘরবাড়ি, অফিস-আদালতসহ সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারবে। শুধু তাই নয়, এটি নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রচলিত খরচও অনেক কমিয়ে দেবে।
রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তড়িত্ কৌশল বিভাগের ওয়ারিং শপের ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, মুরাদ আমাদের গর্ব। তার এই উদ্ভাবন দেশের প্রযুক্তিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
মুরাদ কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার জতিনেরহাট গ্রামের হোমিও চিকিত্সক শাহাজাহান সরকারের ছেলে। তার বাবা জানান, মুরাদের ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাতির প্রতি খুব আগ্রহ। ছেলের আগ্রহ দেখে তিনি তাকে রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি করিয়ে দেন। তার এ উদ্ভাবন সম্পর্কে তিনি অনেক আগে থেকেই জানতেন। কিন্তু অর্থাভাবের কারণে তাকে সহযোগিতা করতে পারেননি। তিনি বলেন, সমাজের অনেক বিত্তবান ব্যক্তি আছেন। কেউ এগিয়ে এলেই মুরাদের মেধার আরও বিকাশ ঘটবে
Comments