মায়ের খোঁজে বাংলাদেশে
- Get link
- X
- Other Apps
মায়ের খোঁজে বাংলাদেশে
মাহফুজ রহমান | তারিখ: ১৬-০২-২০১৩
মাকে খুঁজে না পেলেও কোহিনূর পেয়েছেন বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা
কোহিনূর, সঙ্গে মেয়ে শাদিয়া
কোহিনূর, সঙ্গে মেয়ে শাদিয়া
1 2 3২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে এসেছিলেন কোহিনূর নোর্ডবার্গ। তখন ছুটির দিনের মূল রচনা হয়েছিল ‘বাংলাদেশি কোহিনূর’ শিরোনামে। কোহিনূরের জন্ম বাংলাদেশে, যুদ্ধশিশু তিনি। বেড়ে উঠেছেন নরওয়েতে। সংগীতশিল্পী হিসেবে পেয়েছেন প্রতিষ্ঠা। ২০১১ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন গান গাইতে। আর কদিন আগে এই শিল্পী বাংলাদেশে এসেছিলেন মাকে খুঁজতে।
শাদিয়ার বয়স তিন বছর পেরিয়েছে। বাংলাদেশে আসার পর পেটের সমস্যায় পড়েছে সে। মা কোহিনূর নোর্ডবার্গের চিন্তার শেষ নেই। পরিষ্কার পানি তো খাওয়াচ্ছেনই, গেলাসটাও যেন জীবাণুমুক্ত হয়, সে ব্যাপারে তাঁর কড়া নজরদারি। কিছুক্ষণ পর পর মেয়েটাকে খাইয়ে দিচ্ছেন ওরালস্যালাইন মেশানো পানি। আরামসে অ্যাংরি বার্ডস গেম খেলছে শাদিয়া। মেয়ের দিকে পরম মমতায় তাকিয়ে আছেন কোহিনূর। নিজের মায়ের কথা কি তখন মনে পড়ে তাঁর? ম্লান হেসে কোহিনূর বললেন, ‘মনে পড়ে এবং অভাববোধ করি বলেই তো আবার বাংলাদেশে এলাম। গতবার এসেছিলাম গান গাইতে। এরপর নরওয়েতে ফিরে যাওয়ার পর সারাক্ষণ মনটা কেমন কেমন করত! বিষয়টা শেয়ারও করতাম না কারও কাছে। ভেতরে ভেতরে বোধ করতাম, বাংলাদেশে আমার আসতেই হবে। একসময় বন্ধুদেরও বললাম। তারা বলল, মন যা বলে সেটাই করো।’
কোহিনূরের সঙ্গে আমাদের দেখা হলো জানুয়ারির ২১ তারিখে। দেখা হওয়ার পর জানিয়ে দিলেন, এবার একটা মিশন নিয়ে এসেছি! আস্তে আস্তে ব্যাখ্যা করলেন মিশনটা কী নিয়ে। সব শুনে কোহির কাছে প্রশ্ন, কী করে খুঁজবেন আপনার পরিবারকে? কোহির জবাব, ‘জানি না! তবে প্রচারমাধ্যমগুলো যদি সহযোগিতা করে, তাহলে হয়ত পেয়েও যেতে পারি!’
পুরোনো সে দিনের কথা
সহজেই অনুমেয়, নিজের জন্ম তারিখ কিংবা সালটা জানা নেই কোহিনূরের। স্মৃতিতে নেই মায়ের মুখ। কেবল মনে করতে পারেন তাঁর মামা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। একদিন রাজাকাররা গুলি করে মারে তাঁকে। তারপরই কোহিনূরের জীবনে নেমে আসে ঘোর বিপদ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন পরিবার থেকে। জানতেও পারেন না কোথায় হারিয়ে যান তাঁর মা, পরিবারের বাকি সদস্যরা। তারপর? ঝাঁপসা হয়ে যাওয়া পুরোনো স্মৃতি মেলে ধরেন কোহি, ‘যতদূর মনে পড়ে ড. জ্যাক নামের একজন আমাকে খুঁজে পান। তিনি আমাকে রেখে আসেন মাদার তেরেসা অরফানেজে। সেখানেই আস্তে আস্তে বেড়ে ওঠা। আমার মতো অনেক ছেলেমেয়ে ছিল সেখানে। একটা পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছিল। বাকি ছেলেমেয়েরা আমার ভাইবোন। সিস্টাররাও বেশ আদর-যত্ন করতেন।’
২০১১ সালে বাংলাদেশে এসে কোহিনূর গিয়েছিলেন মাদার তেরেসা অরফানেজে। মজার বিষয়, প্রায় ৩৮ বছর পরও পুরোনো সেই ঠিকানার স্মৃতিটা মাথায় ছিল তাঁর। পরিচিতজনদের দেখিয়েছিলেন কোথায় তিনি ঘুমাতেন, কোথায় খেলতেন আর কোথায় করতেন পড়াশোনা। সেখানে থাকতে থাকতে একদিন কোহির বয়স দাঁড়ায় আড়াই কিংবা তিনের মতো। এক নরওয়েজিয়ান দম্পতি আসে তাঁকে দেখতে। প্রথমে কথা বলতে চাইছিলেন না ছোট্ট কোহি। শেষমেশ অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়ে ওই দম্পতির হাতে তুলে দেওয়া হয় তাঁকে। নতুন ঠিকানা খুঁজে পান বাংলাদেশের এক যুদ্ধশিশু।
পথে পথে রাজপথে
এবার বাংলাদেশে এসে মাকে খুঁজতে বেরোলেন কোহিনূর। যোগাযোগ করলেন মাদার তেরেসা অরফানেজে। কিন্তু কেউই কোনো হদিস দিতে পারল না। কোহিনূর বিশ্বাস করেন, ড. জ্যাক নিশ্চয়ই আলোর পথ দেখাতে পারবেন। কিন্তু কোথায় গেলে দেখা মিলবে ড. জ্যাকের? তাঁর কোনো বৃত্তান্তই যে জানেন না কোহি। তার পরও চেষ্টা চালালেন। অনেক জায়গা থেকে খোঁজও এল। কিন্তু না, আসল ড. জ্যাককে পাওয়া গেল না শেষমেশ। তার পরও মাকে খুঁজতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরলেন কোহি। ঘুরলেন পথে-ঘাটে, বস্তিতে পর্যন্ত। সঙ্গে ঘুরল তাঁর মেয়ে শাদিয়া। মেয়ে-মা একই ধাতের। কোনো ক্লান্তি নেই! কোহিনূরের মতে, ‘আর কিছু না হোক, এই যে মাকে খুঁজছি—এতেই আমার শান্তি। খুঁজে পেলে বিষয়টা অসাধারণ হবে। না পেলেও নিজেকে অন্তত সান্ত্বনা দিতে পারব। ছোট মেয়েটাকে একদিন বলতে পারব, আমার মাকে খোঁজার চেষ্টা করেছি।’
কিন্তু এত দিন কেন খোঁজেননি? কোহিনূর জানালেন, বাংলাদেশে খুঁজতে না এলেও চেষ্টা করেছেন নিজের শেকড় সন্ধান করতে। তাঁর নরওয়েতে যাওয়ার ব্যাপারটি ঠিকঠাক করে দিয়েছিলেন লন্ডনে প্রবাসী এক বাঙালি দম্পতি। তাঁদের কথা মনে ছিল কোহিনূরের। তাই যোগাযোগ করেছিলেন তাঁদের সঙ্গে। জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আমার মায়ের ঠিকানা কি আপনারা বলতে পারেন?’ চরম হতাশ হতে হয়েছে তাঁকে। কোনো রকম আগ্রহ তো দেখাননিই তারা, উল্টো করেছেন না চেনার ভান! তাই কোহিনূর মনে করেন, শিশুদের দত্তক দেওয়ার সময় আগের নাম-ধাম, পুরো পরিচয় কোথাও লিখিত আকারে থাকা একান্ত জরুরি।
আবার আসিব ফিরে
প্রায় ১৫ দিনের মতো ঢাকার অলিগলি, রাজপথ, ফুটপাতে মাকে খুঁজলেন কোহিনূর। কিন্তু না শেষমেশ এ যাত্রা পেলেন না কোনো আশাজাগানিয়া খবর। তবে মোহাম্মদপুরের মৃত্তিকা নামের একটি পথশিশুদের স্কুলে গিয়ে পেলেন দারুণ আনন্দ। যেন নিজের ছেলেবেলাটাই ফিরে পেয়েছেন তিনি। শিশুদের একটা ক্লাসও নিলেন এই শিল্পী। উপভোগ করলেন পথশিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যাওয়ার আগে বলে গেলেন, ‘আমার এই মিশন কিন্তু শেষ নয়। এবার খুঁজে পাইনি, কিন্তু আশা ছাড়িনি। আবার ফিরে আসব আমি। চেষ্টা করছি মেয়েটাকে বাংলা ভাষা শেখাতে। মার্চে আবার আসব গান গাইতে। বাংলাদেশে আসার পর থেকে সবাই অনেক সহযোগিতা করেছেন আমাকে। বিশেষ করে লাইভ স্কয়ার নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলতেই হয়। তারাই আমাকে যাবতীয় ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এ ছাড়া প্রচারমাধ্যমগুলোও পাশে দাঁড়িয়ে আমার। আর বাংলাদেশের মানুষের কথা কী বলব! এককথায় অসাধারণ! এত মমতা তাদের ভেতরে! এত ভালোবাসা। মাকে বা পরিবারকে খুঁজে না পেলেও এই মানুষদের ভালোবাসাই অনেক কিছু।’

শাদিয়ার বয়স তিন বছর পেরিয়েছে। বাংলাদেশে আসার পর পেটের সমস্যায় পড়েছে সে। মা কোহিনূর নোর্ডবার্গের চিন্তার শেষ নেই। পরিষ্কার পানি তো খাওয়াচ্ছেনই, গেলাসটাও যেন জীবাণুমুক্ত হয়, সে ব্যাপারে তাঁর কড়া নজরদারি। কিছুক্ষণ পর পর মেয়েটাকে খাইয়ে দিচ্ছেন ওরালস্যালাইন মেশানো পানি। আরামসে অ্যাংরি বার্ডস গেম খেলছে শাদিয়া। মেয়ের দিকে পরম মমতায় তাকিয়ে আছেন কোহিনূর। নিজের মায়ের কথা কি তখন মনে পড়ে তাঁর? ম্লান হেসে কোহিনূর বললেন, ‘মনে পড়ে এবং অভাববোধ করি বলেই তো আবার বাংলাদেশে এলাম। গতবার এসেছিলাম গান গাইতে। এরপর নরওয়েতে ফিরে যাওয়ার পর সারাক্ষণ মনটা কেমন কেমন করত! বিষয়টা শেয়ারও করতাম না কারও কাছে। ভেতরে ভেতরে বোধ করতাম, বাংলাদেশে আমার আসতেই হবে। একসময় বন্ধুদেরও বললাম। তারা বলল, মন যা বলে সেটাই করো।’
কোহিনূরের সঙ্গে আমাদের দেখা হলো জানুয়ারির ২১ তারিখে। দেখা হওয়ার পর জানিয়ে দিলেন, এবার একটা মিশন নিয়ে এসেছি! আস্তে আস্তে ব্যাখ্যা করলেন মিশনটা কী নিয়ে। সব শুনে কোহির কাছে প্রশ্ন, কী করে খুঁজবেন আপনার পরিবারকে? কোহির জবাব, ‘জানি না! তবে প্রচারমাধ্যমগুলো যদি সহযোগিতা করে, তাহলে হয়ত পেয়েও যেতে পারি!’
পুরোনো সে দিনের কথা
সহজেই অনুমেয়, নিজের জন্ম তারিখ কিংবা সালটা জানা নেই কোহিনূরের। স্মৃতিতে নেই মায়ের মুখ। কেবল মনে করতে পারেন তাঁর মামা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। একদিন রাজাকাররা গুলি করে মারে তাঁকে। তারপরই কোহিনূরের জীবনে নেমে আসে ঘোর বিপদ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন পরিবার থেকে। জানতেও পারেন না কোথায় হারিয়ে যান তাঁর মা, পরিবারের বাকি সদস্যরা। তারপর? ঝাঁপসা হয়ে যাওয়া পুরোনো স্মৃতি মেলে ধরেন কোহি, ‘যতদূর মনে পড়ে ড. জ্যাক নামের একজন আমাকে খুঁজে পান। তিনি আমাকে রেখে আসেন মাদার তেরেসা অরফানেজে। সেখানেই আস্তে আস্তে বেড়ে ওঠা। আমার মতো অনেক ছেলেমেয়ে ছিল সেখানে। একটা পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছিল। বাকি ছেলেমেয়েরা আমার ভাইবোন। সিস্টাররাও বেশ আদর-যত্ন করতেন।’
২০১১ সালে বাংলাদেশে এসে কোহিনূর গিয়েছিলেন মাদার তেরেসা অরফানেজে। মজার বিষয়, প্রায় ৩৮ বছর পরও পুরোনো সেই ঠিকানার স্মৃতিটা মাথায় ছিল তাঁর। পরিচিতজনদের দেখিয়েছিলেন কোথায় তিনি ঘুমাতেন, কোথায় খেলতেন আর কোথায় করতেন পড়াশোনা। সেখানে থাকতে থাকতে একদিন কোহির বয়স দাঁড়ায় আড়াই কিংবা তিনের মতো। এক নরওয়েজিয়ান দম্পতি আসে তাঁকে দেখতে। প্রথমে কথা বলতে চাইছিলেন না ছোট্ট কোহি। শেষমেশ অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়ে ওই দম্পতির হাতে তুলে দেওয়া হয় তাঁকে। নতুন ঠিকানা খুঁজে পান বাংলাদেশের এক যুদ্ধশিশু।
পথে পথে রাজপথে
এবার বাংলাদেশে এসে মাকে খুঁজতে বেরোলেন কোহিনূর। যোগাযোগ করলেন মাদার তেরেসা অরফানেজে। কিন্তু কেউই কোনো হদিস দিতে পারল না। কোহিনূর বিশ্বাস করেন, ড. জ্যাক নিশ্চয়ই আলোর পথ দেখাতে পারবেন। কিন্তু কোথায় গেলে দেখা মিলবে ড. জ্যাকের? তাঁর কোনো বৃত্তান্তই যে জানেন না কোহি। তার পরও চেষ্টা চালালেন। অনেক জায়গা থেকে খোঁজও এল। কিন্তু না, আসল ড. জ্যাককে পাওয়া গেল না শেষমেশ। তার পরও মাকে খুঁজতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরলেন কোহি। ঘুরলেন পথে-ঘাটে, বস্তিতে পর্যন্ত। সঙ্গে ঘুরল তাঁর মেয়ে শাদিয়া। মেয়ে-মা একই ধাতের। কোনো ক্লান্তি নেই! কোহিনূরের মতে, ‘আর কিছু না হোক, এই যে মাকে খুঁজছি—এতেই আমার শান্তি। খুঁজে পেলে বিষয়টা অসাধারণ হবে। না পেলেও নিজেকে অন্তত সান্ত্বনা দিতে পারব। ছোট মেয়েটাকে একদিন বলতে পারব, আমার মাকে খোঁজার চেষ্টা করেছি।’
কিন্তু এত দিন কেন খোঁজেননি? কোহিনূর জানালেন, বাংলাদেশে খুঁজতে না এলেও চেষ্টা করেছেন নিজের শেকড় সন্ধান করতে। তাঁর নরওয়েতে যাওয়ার ব্যাপারটি ঠিকঠাক করে দিয়েছিলেন লন্ডনে প্রবাসী এক বাঙালি দম্পতি। তাঁদের কথা মনে ছিল কোহিনূরের। তাই যোগাযোগ করেছিলেন তাঁদের সঙ্গে। জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আমার মায়ের ঠিকানা কি আপনারা বলতে পারেন?’ চরম হতাশ হতে হয়েছে তাঁকে। কোনো রকম আগ্রহ তো দেখাননিই তারা, উল্টো করেছেন না চেনার ভান! তাই কোহিনূর মনে করেন, শিশুদের দত্তক দেওয়ার সময় আগের নাম-ধাম, পুরো পরিচয় কোথাও লিখিত আকারে থাকা একান্ত জরুরি।
আবার আসিব ফিরে
প্রায় ১৫ দিনের মতো ঢাকার অলিগলি, রাজপথ, ফুটপাতে মাকে খুঁজলেন কোহিনূর। কিন্তু না শেষমেশ এ যাত্রা পেলেন না কোনো আশাজাগানিয়া খবর। তবে মোহাম্মদপুরের মৃত্তিকা নামের একটি পথশিশুদের স্কুলে গিয়ে পেলেন দারুণ আনন্দ। যেন নিজের ছেলেবেলাটাই ফিরে পেয়েছেন তিনি। শিশুদের একটা ক্লাসও নিলেন এই শিল্পী। উপভোগ করলেন পথশিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যাওয়ার আগে বলে গেলেন, ‘আমার এই মিশন কিন্তু শেষ নয়। এবার খুঁজে পাইনি, কিন্তু আশা ছাড়িনি। আবার ফিরে আসব আমি। চেষ্টা করছি মেয়েটাকে বাংলা ভাষা শেখাতে। মার্চে আবার আসব গান গাইতে। বাংলাদেশে আসার পর থেকে সবাই অনেক সহযোগিতা করেছেন আমাকে। বিশেষ করে লাইভ স্কয়ার নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কথা বলতেই হয়। তারাই আমাকে যাবতীয় ব্যবস্থা করে দিয়েছে। এ ছাড়া প্রচারমাধ্যমগুলোও পাশে দাঁড়িয়ে আমার। আর বাংলাদেশের মানুষের কথা কী বলব! এককথায় অসাধারণ! এত মমতা তাদের ভেতরে! এত ভালোবাসা। মাকে বা পরিবারকে খুঁজে না পেলেও এই মানুষদের ভালোবাসাই অনেক কিছু।’
মাকে খুঁজে না পেলেও কোহিনূর পেয়েছেন বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা
- Get link
- X
- Other Apps
Comments