রাজশাহীতে জামায়াত-পুলিশ ছাত্রলীগ ব্যাপক সংঘর্ষ : শিবিরকর্মীর চোখ উত্পাটন
ডেস্ক রিপোর্ট
| « আগের সংবাদ | পরের সংবাদ» |
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পুলিশ ও যুবলীগ-ছাত্রলীগের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজকের হরতাল সমর্থনে গতকাল বিকেলে রাজশাহী ও শিবগঞ্জে মিছিল বের করে জামায়াত-শিবির কর্মীরা। এ সময় পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডাররা বাধা দিলে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রাজশাহীতে সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে চাপাতি, কুড়াল, রামদা নিয়ে শিবির কর্মীদের ওপর হামলা চালায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ। এ সময় তৌফিক হোসেন নামে এক কর্মী চোখ উপড়ে ফেলে পুলিশে সোপর্দ করে যুবলীগ-ছাত্রলীগ। পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের যৌথ হামলায় পথচারীসহ অন্তত ১৫ শিবির কর্মী আহত হয়েছে।
অন্যদিকে শিবগঞ্জে শিবিরের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগ সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে শিবির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পরে ছাত্রলীগ কর্মীরা ইসলামী ব্যাংকের শিবগঞ্জ শাখা কার্যালয় ভাংচুর করেছে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
রাজশাহীতে যুবলীগ-শিবির-পুলিশ ত্রিমুখী সংঘর্ষ, শিবিরকর্মীর চোখ উত্পাটন : রাজশাহীতে যুবলীগ, শিবির ও পুলিশের
ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মহানগরীর শিরোইল এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর ডাকা আজকের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে ইসলামী ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল বের করলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ ও যুবলীগকর্মীরা শিবিরের মিছিলে যৌথ হামলা চালায়। মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ শর্টগানের গুলি, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে এবং যুবলীগের কর্মীরা রামদাসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়। পরে শিরোইল এলাকা থেকে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় ৩ জন ও পথচারীসহ সন্দেহভাজন ১০ শিবিরকর্মীকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তি ও আলেম ওলামাদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে আজকের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা মহানগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ এবং যুবলীগের নেতাকর্মীরা যৌথভাবে মিছিলে হামলা চালায়। যুবলীগকর্মীরা পুলিশের সামনেই কয়েকজন শিবিরকর্মীকে ধরে রামদাসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। তারা তৌফিক হোসেন নামে এক শিবিরকর্মীর বাম চোখ তুলে নেয় এবং অপর দু’জনকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ঘটনার পর শিরোইল এলাকাসহ আশপাশ এলাকা থেকে শিবিরকর্মী সন্দেহে আরও ৭ জনকে আটক করে পুলিশ।
মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জিয়া জানান, আহত আটকদের চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং বাকিদের থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এদিকে এ ঘটনার পর মহানগরজুড়ে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়ছে। এর অংশ হিসেবে মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট, গৌরহাঙ্গা রেলগেট, শালবাগান, ভদ্রা, তালাইমারী, লক্ষ্মীপুর, বিনোদপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
আরএমপি পুলিশ কমিশনার এস এম মনির-উজ-জামান বলেন, হরতাল ঘোষণার পর বুধবার দুপুর থেকেই মহানগরীজুড়ে পুলিশ সর্বাত্মক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
শিবগঞ্জে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ, আ.লীগ অফিসে আগুন, ১২ পুলিশসহ ৩০ জন আহত : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গতকাল বিকালে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত ও শিবিরকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ব্যাপক সংঘর্ষে পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধ জামায়াত-শিবির কর্মীরা শিবগঞ্জ বাজারে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শর্টগানের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জামায়াত-শিবির কর্মীরা শিবগঞ্জ বাজারে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি উপজেলা পরিষদের দিকে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ কর্মীরা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। তাদের বাধা দিলে পুলিশের ওপর চড়াও হয় তারা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষে শিবগঞ্জ থানার ওসি জমির উদ্দিনসহ ১২ পুলিশ আহত হন। এছাড়া জামায়াতের ১৫-১৬ কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। পরে টিয়ারশেল ও শর্টগানের গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। এদিকে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলার পর বিক্ষুব্ধ কর্মীরা সন্ধ্যার পর শিবগঞ্জে ইসলামী ব্যাংকে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় ৫-৬টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৪৭ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও ২ রাউন্ড রাইফেলের গুলি ও ২৫ রাউন্ড টিয়ারশেল ব্যবহার করেছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।
এদিকে বিকালে জেলা শহরের ক্লাব সুপার মার্কেট এলাকায় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ওসিসহ ৩ পুলিশ আহত হয়েছে। বিকাল ৫টার দিকে শহরের বড় ইন্দারা মোড় থেকে জামায়াত শিবিরকর্মীরা একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্লাব সুপার মার্কেট এলাকা দিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হলে সদর থানার ওসি গোলাম মোর্তুজাসহ ৩ পুলিশ আহত হয়।
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় সন্ধ্যা সোয়া ৭টা থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. শাহ আলম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলায় বিজিবি তলব করা হয়েছে।
রাজশাহীতে সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে চাপাতি, কুড়াল, রামদা নিয়ে শিবির কর্মীদের ওপর হামলা চালায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ। এ সময় তৌফিক হোসেন নামে এক কর্মী চোখ উপড়ে ফেলে পুলিশে সোপর্দ করে যুবলীগ-ছাত্রলীগ। পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের যৌথ হামলায় পথচারীসহ অন্তত ১৫ শিবির কর্মী আহত হয়েছে।
অন্যদিকে শিবগঞ্জে শিবিরের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগ সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে শিবির নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পরে ছাত্রলীগ কর্মীরা ইসলামী ব্যাংকের শিবগঞ্জ শাখা কার্যালয় ভাংচুর করেছে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
রাজশাহীতে যুবলীগ-শিবির-পুলিশ ত্রিমুখী সংঘর্ষ, শিবিরকর্মীর চোখ উত্পাটন : রাজশাহীতে যুবলীগ, শিবির ও পুলিশের
ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মহানগরীর শিরোইল এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর ডাকা আজকের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে ইসলামী ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল বের করলে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ ও যুবলীগকর্মীরা শিবিরের মিছিলে যৌথ হামলা চালায়। মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশ শর্টগানের গুলি, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে এবং যুবলীগের কর্মীরা রামদাসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়। পরে শিরোইল এলাকা থেকে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় ৩ জন ও পথচারীসহ সন্দেহভাজন ১০ শিবিরকর্মীকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তি ও আলেম ওলামাদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে আজকের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা মহানগরীর শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ এবং যুবলীগের নেতাকর্মীরা যৌথভাবে মিছিলে হামলা চালায়। যুবলীগকর্মীরা পুলিশের সামনেই কয়েকজন শিবিরকর্মীকে ধরে রামদাসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। তারা তৌফিক হোসেন নামে এক শিবিরকর্মীর বাম চোখ তুলে নেয় এবং অপর দু’জনকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ঘটনার পর শিরোইল এলাকাসহ আশপাশ এলাকা থেকে শিবিরকর্মী সন্দেহে আরও ৭ জনকে আটক করে পুলিশ।
মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জিয়া জানান, আহত আটকদের চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং বাকিদের থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পরে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এদিকে এ ঘটনার পর মহানগরজুড়ে পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়ছে। এর অংশ হিসেবে মহানগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট, গৌরহাঙ্গা রেলগেট, শালবাগান, ভদ্রা, তালাইমারী, লক্ষ্মীপুর, বিনোদপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
আরএমপি পুলিশ কমিশনার এস এম মনির-উজ-জামান বলেন, হরতাল ঘোষণার পর বুধবার দুপুর থেকেই মহানগরীজুড়ে পুলিশ সর্বাত্মক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
শিবগঞ্জে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ, আ.লীগ অফিসে আগুন, ১২ পুলিশসহ ৩০ জন আহত : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গতকাল বিকালে পুলিশের সঙ্গে জামায়াত ও শিবিরকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ব্যাপক সংঘর্ষে পুলিশসহ ৩০ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধ জামায়াত-শিবির কর্মীরা শিবগঞ্জ বাজারে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শর্টগানের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে জামায়াত-শিবির কর্মীরা শিবগঞ্জ বাজারে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি উপজেলা পরিষদের দিকে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ কর্মীরা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। তাদের বাধা দিলে পুলিশের ওপর চড়াও হয় তারা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষে শিবগঞ্জ থানার ওসি জমির উদ্দিনসহ ১২ পুলিশ আহত হন। এছাড়া জামায়াতের ১৫-১৬ কর্মী আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। পরে টিয়ারশেল ও শর্টগানের গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। এদিকে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলার পর বিক্ষুব্ধ কর্মীরা সন্ধ্যার পর শিবগঞ্জে ইসলামী ব্যাংকে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় ৫-৬টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৪৭ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ও ২ রাউন্ড রাইফেলের গুলি ও ২৫ রাউন্ড টিয়ারশেল ব্যবহার করেছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।
এদিকে বিকালে জেলা শহরের ক্লাব সুপার মার্কেট এলাকায় জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ওসিসহ ৩ পুলিশ আহত হয়েছে। বিকাল ৫টার দিকে শহরের বড় ইন্দারা মোড় থেকে জামায়াত শিবিরকর্মীরা একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি ক্লাব সুপার মার্কেট এলাকা দিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হলে সদর থানার ওসি গোলাম মোর্তুজাসহ ৩ পুলিশ আহত হয়।
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় সন্ধ্যা সোয়া ৭টা থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. শাহ আলম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলায় বিজিবি তলব করা হয়েছে।
Comments