ফরমালিনমুক্ত আম চেনার উপায়



ইনকিলাব ডেস্ক : জ্যৈষ্ঠ মাসে হাটে-বাজারে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় দেখা যায়  আম-জাম-কাঁঠালের সমারোহ। এছাড়া তাল, বাঙ্গি, তরমুজ তো আছেই। মধু মাসে প্রাণভরে সুমধুর এসব ফলে স্বাদ নিতে কে না চায়। আর তাই মানুষ এগুলো কিনেও সমান তালে। কিন্তু বর্তমানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এগুলোকে অসময়ে পাকানো ও তাজা রাখার স্বার্থে এর সঙ্গে কার্বাইড ও ফরমালিন মেশাচ্ছেন। এমনি ভেজাল আমের ভিড়ে বুঝবেন কিভাবে কোন আমটি ভালো এবং কোনটিতে দেয়া নেই কোনো ফরমালিন কিংবা কার্বাইড? এর জন্য আপনাকে যাচাই করতে হবে :- (১) প্রথমেই লক্ষ করুন যে, আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কারণ ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসবে না। (২) আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে, আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর। (৩) কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই। (৪) গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়। (৫) হিমসাগর ছাড়াও আরো নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর হয়। (৬) আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে। (৭) আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনো সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক/ মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেয়া। (৮) আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না। সূত্র : নতুন বার্তা ডটকম। 

Comments

Popular posts from this blog

কিডনি ভালো রাখতে যখন তখন ওষুধ নয়