শিশুর মুখে প্রথম শক্ত খাবার
- Get link
- X
- Other Apps
আসফিয়া আজিম | তারিখ: ০৬-০৬-২০১৩
শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত মায়ের দুধই তার শ্রেষ্ঠ খাবার। ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদানই যথার্থ মাত্রায় পাওয়া যায় মায়ের দুধে। কিন্তু শিশুর বয়স ছয় মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরে মায়ের দুধ আর তার সুষ্ঠু বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত থাকে না।
এই সময় থেকে তাই মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে পরিপূরক খাবার দেওয়া শুরু করতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ছয় মাস বয়সের পর পরিপূরক খাবার খাওয়ানো শুরু না করলে শিশুর দেহে প্রতিদিন ২০০ ক্যালরির মতো ঘাটতি পড়তে থাকে। শিশুর বয়স যত বাড়ে, ক্যালরির এই ঘাটতির পরিমাণও তত বাড়ে। এতে শিশুর দেখা দেয় অপুষ্টি। তাই প্রতিটি শিশুকে তার বয়সোপযোগী খাবার দেওয়া দরকার।
১. আধা শক্ত খাবার বলতে পায়েস, সেমাই, ক্ষীর, ছানা, হালুয়া।
২. ঘরের তৈরি দৈনন্দিন রান্না করা খাবারই শক্ত খাবার হিসেবে ভালো। যেমন ভাত, ডাল, শাকসবজি, মাছ, মাংস বা ডিম ভালো করে চটকে শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে।
৩. চাল, ডাল, ডিম, মাছ, মাংস ও সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে শিশুকে খাওয়ানো যায়। খিচুড়ি তৈরিতে নানা উপাদান থাকে বলে শিশুদের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার।
৪. মৌসুমি ফল, মিষ্টি আলু, পুডিং, পায়েস—এসব পুষ্টিকর খাবারও শিশুকে নাশতা হিসেবে খাওয়ানো যায়।
৫. প্রতিদিন যেকোনো একটি প্রাণিজ আমিষ, যেমন মাছ, মাংস, ডিম বা কলিজা শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য দরকারি।
৬. স্যুপ, ফলের রসজাতীয় তরল খাবার না দিয়ে আধা শক্ত বা শক্ত খাবার দিন। তরল খাবারে শিশুর পেট ভরে ঠিকই, কিন্তু প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি থেকেই যায়। পুষ্টিবিদ।
এই সময় থেকে তাই মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে পরিপূরক খাবার দেওয়া শুরু করতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ছয় মাস বয়সের পর পরিপূরক খাবার খাওয়ানো শুরু না করলে শিশুর দেহে প্রতিদিন ২০০ ক্যালরির মতো ঘাটতি পড়তে থাকে। শিশুর বয়স যত বাড়ে, ক্যালরির এই ঘাটতির পরিমাণও তত বাড়ে। এতে শিশুর দেখা দেয় অপুষ্টি। তাই প্রতিটি শিশুকে তার বয়সোপযোগী খাবার দেওয়া দরকার।
১. আধা শক্ত খাবার বলতে পায়েস, সেমাই, ক্ষীর, ছানা, হালুয়া।
২. ঘরের তৈরি দৈনন্দিন রান্না করা খাবারই শক্ত খাবার হিসেবে ভালো। যেমন ভাত, ডাল, শাকসবজি, মাছ, মাংস বা ডিম ভালো করে চটকে শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে।
৩. চাল, ডাল, ডিম, মাছ, মাংস ও সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে শিশুকে খাওয়ানো যায়। খিচুড়ি তৈরিতে নানা উপাদান থাকে বলে শিশুদের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার।
৪. মৌসুমি ফল, মিষ্টি আলু, পুডিং, পায়েস—এসব পুষ্টিকর খাবারও শিশুকে নাশতা হিসেবে খাওয়ানো যায়।
৫. প্রতিদিন যেকোনো একটি প্রাণিজ আমিষ, যেমন মাছ, মাংস, ডিম বা কলিজা শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য দরকারি।
৬. স্যুপ, ফলের রসজাতীয় তরল খাবার না দিয়ে আধা শক্ত বা শক্ত খাবার দিন। তরল খাবারে শিশুর পেট ভরে ঠিকই, কিন্তু প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি থেকেই যায়। পুষ্টিবিদ।
- Get link
- X
- Other Apps
Comments